
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বিএনপি বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা এবং উন্নয়নের পরীক্ষিত রাজনৈতিক দল। বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে শান্তি, নিরাপত্তা, সুশাসন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) নির্বাচনি প্রচারণার অষ্টম দিনে চকরিয়া পৌরসভায় গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি শিক্ষা, নারী উন্নয়ন এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রেখেছে। ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদিন ধানের শীষে ভোট দিয়ে ইনশাআল্লাহ জনগণ আবার গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবে।
প্রতীক বরাদ্দের পরদিন থেকেই তিনি চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলায় টানা নির্বাচনি গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। গণসংযোগের শুরুতে তিনি চকরিয়া পৌরসভা এলাকার প্রখ্যাত আলেম মরহুম মাওলানা মাহমুদুর রহমানের কবর জিয়ারত করেন। এরপর বিমানবন্দরপাড়া, জালিয়াপাড়া, হিন্দুপাড়া, আমাইন্নারচর হালকাকারা এলাকাসহ পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে গণসংযোগ করেন।
গণসংযোগে নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এ সময় তিনি সবার কাছে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চান।
পরে চকরিয়া পৌরসভার কাজীপাড়ায় এক পথসভায় সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা বাংলাদেশের পক্ষের শক্তি। আপনারা ধানের শীষে ভোট দিলে দেশে এমন একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে, যেখানে আর কোনোদিন ভোটাধিকার বা গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা যাবে না।
তিনি বলেন, একটি বৈষম্যহীন সমাজ ও প্রকৃত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার জন্য আমাদের সন্তানরা ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে রক্ত দিয়ে গণতন্ত্রকে মুক্ত করেছে। ভবিষ্যতে যেন আর কখনো ভোটাধিকার আদায়ে রক্ত দিতে না হয়, সে জন্য আমাদের এবার সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে—মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের পক্ষের শক্তির পক্ষে।
এ সময় চকরিয়া পৌরসভা বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম হায়দার, চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মু. ফখরুদ্দীন ফরায়জী, চকরিয়া পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম আব্দুর রহিম, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আমিনসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বিএনপি বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা এবং উন্নয়নের পরীক্ষিত রাজনৈতিক দল। বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় এলে শান্তি, নিরাপত্তা, সুশাসন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) নির্বাচনি প্রচারণার অষ্টম দিনে চকরিয়া পৌরসভায় গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি শিক্ষা, নারী উন্নয়ন এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রেখেছে। ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদিন ধানের শীষে ভোট দিয়ে ইনশাআল্লাহ জনগণ আবার গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবে।
প্রতীক বরাদ্দের পরদিন থেকেই তিনি চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলায় টানা নির্বাচনি গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। গণসংযোগের শুরুতে তিনি চকরিয়া পৌরসভা এলাকার প্রখ্যাত আলেম মরহুম মাওলানা মাহমুদুর রহমানের কবর জিয়ারত করেন। এরপর বিমানবন্দরপাড়া, জালিয়াপাড়া, হিন্দুপাড়া, আমাইন্নারচর হালকাকারা এলাকাসহ পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে গণসংযোগ করেন।
গণসংযোগে নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এ সময় তিনি সবার কাছে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চান।
পরে চকরিয়া পৌরসভার কাজীপাড়ায় এক পথসভায় সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা বাংলাদেশের পক্ষের শক্তি। আপনারা ধানের শীষে ভোট দিলে দেশে এমন একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে, যেখানে আর কোনোদিন ভোটাধিকার বা গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা যাবে না।
তিনি বলেন, একটি বৈষম্যহীন সমাজ ও প্রকৃত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার জন্য আমাদের সন্তানরা ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে রক্ত দিয়ে গণতন্ত্রকে মুক্ত করেছে। ভবিষ্যতে যেন আর কখনো ভোটাধিকার আদায়ে রক্ত দিতে না হয়, সে জন্য আমাদের এবার সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে—মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের পক্ষের শক্তির পক্ষে।
এ সময় চকরিয়া পৌরসভা বিএনপির সভাপতি নুরুল ইসলাম হায়দার, চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মু. ফখরুদ্দীন ফরায়জী, চকরিয়া পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম আব্দুর রহিম, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আমিনসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৫ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে