
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দেশকে পিছনের দিকে ঠেলে দিয়ে আফগানিস্তানের মতো রাষ্ট্রব্যবস্থায় রূপান্তর করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, জামায়াত এমন একটি দল, যারা দেশের অগ্রযাত্রার পথে বাধা সৃষ্টি করছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে নির্বাচনি প্রচারণার অংশ হিসেবে ঢোলারহাট ইউনিয়নের লালমিয়া মার্কেটে আয়োজিত পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ওরা (জামায়াত) বাংলাদেশকে পিছনের দিকে নিয়ে যেতে চায়। আমরা পিছনে যেতে চাই না, আমরা সামনে যেতে চাই। বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে মুক্তচিন্তা ও গণতন্ত্রের বিকল্প নেই।”
জামায়াতের নারী-সংক্রান্ত অবস্থান নিয়ে তিনি বলেন, জামায়াতের আমির নাকি নারীদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়েছেন। আমি জানি না সেটি সত্য না মিথ্যা। তবে যদি তিনি সত্যিই এমন কথা বলে থাকেন, তাহলে তা অন্যায়। বাংলাদেশের নারীরা কখনোই এটি মেনে নেবে না।
বিএনপির মহাসচিব অভিযোগ করে বলেন, জামায়াতে ইসলামী নারীদের কর্মসংস্থানের বিরোধিতা করছে। তারা বলে নারীরা ঘরে থাকবে, কাজ করবে না। গার্মেন্টস খাতে কর্মরত নারীদের নাকি পাঁচ ঘণ্টার বেশি কাজ করা যাবে না—তাহলে তারা কাজ না করলে খাবে কীভাবে?
নারীদের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের গুরুত্ব তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের মেয়েরা যদি স্কুল-কলেজে না যায়, পড়াশোনা না করে, তাহলে চাকরি পাবে কোথায়? কোনো সরকার কাজ ছাড়া কাউকে টাকা দেবে—এমন কথা বলা জনগণের সঙ্গে বাটপারি।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে নারী ও পুরুষ সমান অধিকার নিয়ে বসবাস করবে। দেশের মোট জনসংখ্যায় নারীর সংখ্যা পুরুষের চেয়ে বেশি। ইসলাম ধর্মেও স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, নারীদের যে ন্যায্য অধিকার রয়েছে, তা নিশ্চিত করতে হবে।
এ সময় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতা-কর্মীসহ বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দেশকে পিছনের দিকে ঠেলে দিয়ে আফগানিস্তানের মতো রাষ্ট্রব্যবস্থায় রূপান্তর করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, জামায়াত এমন একটি দল, যারা দেশের অগ্রযাত্রার পথে বাধা সৃষ্টি করছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে নির্বাচনি প্রচারণার অংশ হিসেবে ঢোলারহাট ইউনিয়নের লালমিয়া মার্কেটে আয়োজিত পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ওরা (জামায়াত) বাংলাদেশকে পিছনের দিকে নিয়ে যেতে চায়। আমরা পিছনে যেতে চাই না, আমরা সামনে যেতে চাই। বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে মুক্তচিন্তা ও গণতন্ত্রের বিকল্প নেই।”
জামায়াতের নারী-সংক্রান্ত অবস্থান নিয়ে তিনি বলেন, জামায়াতের আমির নাকি নারীদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়েছেন। আমি জানি না সেটি সত্য না মিথ্যা। তবে যদি তিনি সত্যিই এমন কথা বলে থাকেন, তাহলে তা অন্যায়। বাংলাদেশের নারীরা কখনোই এটি মেনে নেবে না।
বিএনপির মহাসচিব অভিযোগ করে বলেন, জামায়াতে ইসলামী নারীদের কর্মসংস্থানের বিরোধিতা করছে। তারা বলে নারীরা ঘরে থাকবে, কাজ করবে না। গার্মেন্টস খাতে কর্মরত নারীদের নাকি পাঁচ ঘণ্টার বেশি কাজ করা যাবে না—তাহলে তারা কাজ না করলে খাবে কীভাবে?
নারীদের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের গুরুত্ব তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের মেয়েরা যদি স্কুল-কলেজে না যায়, পড়াশোনা না করে, তাহলে চাকরি পাবে কোথায়? কোনো সরকার কাজ ছাড়া কাউকে টাকা দেবে—এমন কথা বলা জনগণের সঙ্গে বাটপারি।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে নারী ও পুরুষ সমান অধিকার নিয়ে বসবাস করবে। দেশের মোট জনসংখ্যায় নারীর সংখ্যা পুরুষের চেয়ে বেশি। ইসলাম ধর্মেও স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, নারীদের যে ন্যায্য অধিকার রয়েছে, তা নিশ্চিত করতে হবে।
এ সময় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতা-কর্মীসহ বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৫ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৫ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৭ দিন আগে