
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দিনাজপুর-৬ (ঘোড়াঘাট, হাকিমপুর, বিরামপুর ও নবাবগঞ্জ) আসনে জয়লাভের পর নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা গ্রহণকালে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. জাহিদ হোসেন।
এ সময় তিনি স্মরণ করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে। খালেদা জিয়ার স্মৃতির কথা স্মরণ করে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন তিনি।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) নিজ বাসভবনে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পাশে বসা তার সহধর্মিণী তাকে সান্ত্বনা দেন।
ডা. জাহিদ বলেন, শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি বিএনপির চেয়ারপারসন, গণতন্ত্রের মা, সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পথে আমাদের শতশত সহকর্মী শহীদ হয়েছেন, গুম হয়েছেন প্রায় আটশোর অধিক নেতাকর্মী। অনেকে পঙ্গুত্ব বরণ করে এখনো দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন।
তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের ওপর অকথ্য নির্যাতন চালানো হয়েছে। পাখির মতো গুলি করে শহীদ করা হয়েছে নিরীহ মানুষকে। স্বৈরাচারের শেষ মুহূর্তে দেশের মানুষ যে দৃশ্য দেখেছে-আল্লাহর কাছে দোয়া করি, এমন দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি যেন আর কখনো না হয়।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, জনগণের এ রায় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার হিসেবে দেখছি। আমাদের ওপর দায়িত্ব এসেছে গণতন্ত্রকে পূর্ণভাবে প্রতিষ্ঠা করাসহ প্রতিটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর ও শক্তিশালী করা। দেশকে কর্তৃত্ববাদ থেকে রক্ষা করে সাংবিধানিক কাঠামোর ভেতরে পরিচালিত করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।
শহীদ, গুম ও নির্যাতনের শিকারদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের ত্যাগ ও দেশপ্রেম অবশ্যই মূল্যায়িত হবে। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারলেই তাদের আত্মা শান্তি পাবে।
সবশেষে দিনাজপুর-৬ আসনের সর্বস্তরের জনগণ, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান ডা. জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণেই এ নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। এ আস্থা ও ভালোবাসা রক্ষায় আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

দিনাজপুর-৬ (ঘোড়াঘাট, হাকিমপুর, বিরামপুর ও নবাবগঞ্জ) আসনে জয়লাভের পর নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা গ্রহণকালে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. জাহিদ হোসেন।
এ সময় তিনি স্মরণ করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে। খালেদা জিয়ার স্মৃতির কথা স্মরণ করে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন তিনি।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) নিজ বাসভবনে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পাশে বসা তার সহধর্মিণী তাকে সান্ত্বনা দেন।
ডা. জাহিদ বলেন, শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি বিএনপির চেয়ারপারসন, গণতন্ত্রের মা, সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পথে আমাদের শতশত সহকর্মী শহীদ হয়েছেন, গুম হয়েছেন প্রায় আটশোর অধিক নেতাকর্মী। অনেকে পঙ্গুত্ব বরণ করে এখনো দুর্বিষহ জীবনযাপন করছেন।
তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের ওপর অকথ্য নির্যাতন চালানো হয়েছে। পাখির মতো গুলি করে শহীদ করা হয়েছে নিরীহ মানুষকে। স্বৈরাচারের শেষ মুহূর্তে দেশের মানুষ যে দৃশ্য দেখেছে-আল্লাহর কাছে দোয়া করি, এমন দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি যেন আর কখনো না হয়।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, জনগণের এ রায় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার হিসেবে দেখছি। আমাদের ওপর দায়িত্ব এসেছে গণতন্ত্রকে পূর্ণভাবে প্রতিষ্ঠা করাসহ প্রতিটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর ও শক্তিশালী করা। দেশকে কর্তৃত্ববাদ থেকে রক্ষা করে সাংবিধানিক কাঠামোর ভেতরে পরিচালিত করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।
শহীদ, গুম ও নির্যাতনের শিকারদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের ত্যাগ ও দেশপ্রেম অবশ্যই মূল্যায়িত হবে। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারলেই তাদের আত্মা শান্তি পাবে।
সবশেষে দিনাজপুর-৬ আসনের সর্বস্তরের জনগণ, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান ডা. জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণেই এ নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। এ আস্থা ও ভালোবাসা রক্ষায় আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকার সুন্দর কথা বলছে। তবে বাজেট নিয়ে খুব বেশি আশাবাদী হতে পারছি না। ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট দেখানো হচ্ছে। আসলে এটি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ঘাটতি বাজেট। এই বাজেট চানাচুরের মতো— খেতে ভালো লাগবে, কিন্তু পুষ্টিগুণ নেই।
২ দিন আগে
প্রখ্যাত রাজনৈতিক চিন্তাবিদ ও স্বাধীনতার অন্যতম সংগঠক সিরাজুল আলম খানের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তারা রাষ্ট্র সংস্কার ও অংশীদারিত্বমূলক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
৫ দিন আগে
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহের বিকাশ, সুশাসন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয় নিয়েও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। উভয়পক্ষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে বিদ্যমান সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
৫ দিন আগে
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ সংলগ্ন সীমান্ত দিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাভাষী মানুষদের বাংলাদেশি পরিচয় দিয়ে জোরপূর্বক ‘পুশইনের’র চেষ্টার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি। দলটির নেতারা বলেছেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড দুই দেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কে নেতিবাচক প্র
৫ দিন আগে