
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলীয়ভাবে এই ইশতেহারের নাম দেওয়া হয়েছে ‘জনতার ইশতেহার’।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীতে হোটেল শেরাটনে এ ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। এই ইশতেহারে মোট ৪১ দফা রয়েছে। ইশতেহারে সবার ধর্মীয় স্বাধীনতা সংরক্ষণের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে দলটি।
জামায়াতে ইসলামীর প্রতিশ্রুতিগুলো হলো—
এক. ধর্মীয় বিষয়ে সব কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করে ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে ধর্মীয় কার্যক্রম ও সম্প্রীতির কাজে উৎসাহিত করা হবে।
দুই. ধর্মীয় শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আন্তমন্ত্রণালয় সমন্বয় সাধন করা হবে। পাশাপাশি সব ধর্মের শিশু-কিশোরদের জন্য নৈতিক শিক্ষা ও সহনশীলতা বৃদ্ধির কর্মসূচি চালু করা হবে।
তিন. সব ধর্মের মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে সম্প্রীতি নষ্টে উসকানিমূলক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চার. ইসলামী ফাউন্ডেশনকে যুগোপযোগী করার মাধ্যমে ইসলামের প্রচার-প্রসার, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও সামাজিক কার্যক্রমকে আরও জোরদার করা হবে।
পাঁচ. দেশের প্রতিটি মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানজনক বেতন-ভাতার ব্যবস্থা করা হবে। ইমামদের সমাজের নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হবে।
ছয়. হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে ডিজিটাল সেবা ও পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে।
সাত. ওয়াকফ, দান ও ধর্মীয় সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার, সঠিক তালিকাভুক্তি, ডিজিটাল ডিজি রেকর্ড এবং স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইন ও বিধির সংস্কার করা হবে।
আট. সামাজিক কল্যাণে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্তকরণের লক্ষ্যে মসজিদভিত্তিক মক্তব শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালু করা হবে।
নয়. গবেষণা, সাহিত্য, সমাজসেবা, সাংবাদিকতা, শিক্ষকতা, মসজিদ ব্যবস্থাপনা, বিরোধ নিষ্পত্তি, প্রভৃতি খাতে ইসলামী ফাউন্ডেশন পুরস্কার চালু করা হবে।
ইশতেহার ঘোষণার সময় জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত রয়েছেন। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিদেশি প্রতিনিধিসহ বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি ও কূটনীতিক, রাজনীতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত রয়েছেন।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলীয়ভাবে এই ইশতেহারের নাম দেওয়া হয়েছে ‘জনতার ইশতেহার’।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীতে হোটেল শেরাটনে এ ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। এই ইশতেহারে মোট ৪১ দফা রয়েছে। ইশতেহারে সবার ধর্মীয় স্বাধীনতা সংরক্ষণের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে দলটি।
জামায়াতে ইসলামীর প্রতিশ্রুতিগুলো হলো—
এক. ধর্মীয় বিষয়ে সব কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করে ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে ধর্মীয় কার্যক্রম ও সম্প্রীতির কাজে উৎসাহিত করা হবে।
দুই. ধর্মীয় শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আন্তমন্ত্রণালয় সমন্বয় সাধন করা হবে। পাশাপাশি সব ধর্মের শিশু-কিশোরদের জন্য নৈতিক শিক্ষা ও সহনশীলতা বৃদ্ধির কর্মসূচি চালু করা হবে।
তিন. সব ধর্মের মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে সম্প্রীতি নষ্টে উসকানিমূলক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চার. ইসলামী ফাউন্ডেশনকে যুগোপযোগী করার মাধ্যমে ইসলামের প্রচার-প্রসার, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও সামাজিক কার্যক্রমকে আরও জোরদার করা হবে।
পাঁচ. দেশের প্রতিটি মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানজনক বেতন-ভাতার ব্যবস্থা করা হবে। ইমামদের সমাজের নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হবে।
ছয়. হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা আধুনিকীকরণের লক্ষ্যে ডিজিটাল সেবা ও পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে।
সাত. ওয়াকফ, দান ও ধর্মীয় সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার, সঠিক তালিকাভুক্তি, ডিজিটাল ডিজি রেকর্ড এবং স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইন ও বিধির সংস্কার করা হবে।
আট. সামাজিক কল্যাণে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্তকরণের লক্ষ্যে মসজিদভিত্তিক মক্তব শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালু করা হবে।
নয়. গবেষণা, সাহিত্য, সমাজসেবা, সাংবাদিকতা, শিক্ষকতা, মসজিদ ব্যবস্থাপনা, বিরোধ নিষ্পত্তি, প্রভৃতি খাতে ইসলামী ফাউন্ডেশন পুরস্কার চালু করা হবে।
ইশতেহার ঘোষণার সময় জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত রয়েছেন। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিদেশি প্রতিনিধিসহ বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি ও কূটনীতিক, রাজনীতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত রয়েছেন।

জোটের নেতারা পথসভায় গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট, দ্রব্যমূল্য, আইনশৃঙ্খলা, দলীয়করণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্বের মতো বিষয় সামনে আনেন। একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার দাবি না মানলে আট দফা যেকোনো সময় এক দফায় পরিণত হতে পারে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভার্চ্যুয়ালি এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করলেও এবারের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির
২ দিন আগে
জনগণের দাবি আদায়ে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি আসতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য আমরা রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই ১৮ কোটি মানুষের জন্য। জনগণের দাবি আদায় করেই আমরা ঘরে ফিরব।’
২ দিন আগে
লংমার্চের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আপনাদের দাবিতে আমরা রাস্তায় নেমেছি। কোনো দলীয় নয়, ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে নেমেছি।’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের স্বার্থে ঘোষিত আট দফা দাবি যেকোনো সময় এক দফায় রূপ নিতে পারে।
২ দিন আগে