
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট ভিন্ন ভিন্ন দিনে আয়োজনের দাবি থেকে জামায়াতে ইসলামীসহ আটটি ইসলামি দল সরে এসেছে। দলগুলো এখন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করতে কাজ করবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) রাতে আট ইসলামী দলের লিয়াজোঁ কমিটির এক জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমাদ আব্দুল কাদের জানান, বৃহত্তর রাজনৈতিক স্বার্থে নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্ত তারা মেনে নিয়েছেন।
এর আগে একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের তীব্র বিরোধিতা করে আসছিল জামায়াতে ইসলামীসহ আট দল। আলাদা আলাদা দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনসহ পাঁচ দাবিতে তারা গত কয়েক মাস ধরেই আন্দোলন করে আসছে। সারা দেশে বিক্ষোভ ছাড়াও ঢাকাসহ বিভাগীয় শহরগুলোতে সমাবেশও করেছে দলগুলো।
তবে এর মধ্যেই প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন। সে অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনকে চিঠিও দেয় সরকার। নির্বাচন কমিশনও একই দিনে নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের সব প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে।
খেলাফত মজলিস নেতা আব্দুল কাদের বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করতে ডিসেম্বর মাসব্যাপী প্রচারের কাজ করবে সবগুলো দল। একই দিনে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন মেনে নিলেও নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা, ফ্যাসিস্ট অপরাধীদের বিচার ও ফ্যাসিবাদের সহযোগী রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞার দাবি বহাল রয়েছে।
জামায়াতে ইসলামী ছাড়া এ জোটের অন্য দলগুলো হলো— ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), নেজামে ইসলাম পার্টি, ডেভেলপমেন্ট পার্টি ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন।
এদিকে আট দলের এই জোট ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘ওয়ান বক্স পলিসি’তে আসন সমঝোতার ভিত্তিতে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ নীতিতে দলগুলোর মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে এক আসনে জোটের পক্ষে একজনই প্রার্থী দেওয়া হবে।
আবদুল কাদের বলেন, এক আসনে আট দলের মনোনীত একজন প্রার্থী থাকবেন। তারা হবেন ইসলামী ঐক্যের প্রার্থী। আগামীকাল (মঙ্গলবার) থেকেই প্রার্থী বাছাই ও চূড়ান্ত করার কাজ শুরু হবে।
জামায়াতে ইসলামীর লিয়োজোঁ কমিটির সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, জোটের পক্ষ থেকে নির্বাচনসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হচ্ছে ‘ওয়ান বক্স পলিসি’ বা সমঝোতার ভিত্তিতে এক আসনে এক প্রার্থী দেওয়া। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই আমরা ৩০০ আসনে প্রার্থী দিতে পারব বলে আশা করছি।

জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট ভিন্ন ভিন্ন দিনে আয়োজনের দাবি থেকে জামায়াতে ইসলামীসহ আটটি ইসলামি দল সরে এসেছে। দলগুলো এখন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করতে কাজ করবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) রাতে আট ইসলামী দলের লিয়াজোঁ কমিটির এক জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমাদ আব্দুল কাদের জানান, বৃহত্তর রাজনৈতিক স্বার্থে নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্ত তারা মেনে নিয়েছেন।
এর আগে একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের তীব্র বিরোধিতা করে আসছিল জামায়াতে ইসলামীসহ আট দল। আলাদা আলাদা দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনসহ পাঁচ দাবিতে তারা গত কয়েক মাস ধরেই আন্দোলন করে আসছে। সারা দেশে বিক্ষোভ ছাড়াও ঢাকাসহ বিভাগীয় শহরগুলোতে সমাবেশও করেছে দলগুলো।
তবে এর মধ্যেই প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন। সে অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনকে চিঠিও দেয় সরকার। নির্বাচন কমিশনও একই দিনে নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের সব প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে।
খেলাফত মজলিস নেতা আব্দুল কাদের বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত করতে ডিসেম্বর মাসব্যাপী প্রচারের কাজ করবে সবগুলো দল। একই দিনে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন মেনে নিলেও নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা, ফ্যাসিস্ট অপরাধীদের বিচার ও ফ্যাসিবাদের সহযোগী রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞার দাবি বহাল রয়েছে।
জামায়াতে ইসলামী ছাড়া এ জোটের অন্য দলগুলো হলো— ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), নেজামে ইসলাম পার্টি, ডেভেলপমেন্ট পার্টি ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন।
এদিকে আট দলের এই জোট ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘ওয়ান বক্স পলিসি’তে আসন সমঝোতার ভিত্তিতে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ নীতিতে দলগুলোর মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে এক আসনে জোটের পক্ষে একজনই প্রার্থী দেওয়া হবে।
আবদুল কাদের বলেন, এক আসনে আট দলের মনোনীত একজন প্রার্থী থাকবেন। তারা হবেন ইসলামী ঐক্যের প্রার্থী। আগামীকাল (মঙ্গলবার) থেকেই প্রার্থী বাছাই ও চূড়ান্ত করার কাজ শুরু হবে।
জামায়াতে ইসলামীর লিয়োজোঁ কমিটির সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, জোটের পক্ষ থেকে নির্বাচনসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হচ্ছে ‘ওয়ান বক্স পলিসি’ বা সমঝোতার ভিত্তিতে এক আসনে এক প্রার্থী দেওয়া। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই আমরা ৩০০ আসনে প্রার্থী দিতে পারব বলে আশা করছি।

বিরোধী দলের দায়িত্বশীল ভূমিকার কথা তুলে ধরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সরকার ভালো কাজের উদ্যোগ নিলে জামায়াত সহযোগিতা করবে। তবে দেশের কোনো ক্ষতি হলে তারা নীরবে বসে থাকবে না, বরং প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
২ দিন আগে
নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে বিএনপি নেতাদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (৯ মে) দুপুরে রাজধানীর ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট (কেআইবি) মিলনায়তনে বিএনপিসহ তিনটি সহযোগী সংগঠন ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের জেলা নেতাদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘জুলাই সনদ নিয়ে সরকার টালবাহানা করছে। তারা এটাকে এড়িয়ে যেতে চায়। কিন্তু জনগণের অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ এবং সার্বভৌম ক্ষমতার ভিত্তিতেই সাংবিধানিক সংস্কার হতে হবে।’
২ দিন আগে
সফরকালে বিরোধীদলীয় নেতা গুরুতর আহতদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের চিকিৎসার সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আহতদের সর্বোচ্চ ও উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার অনুরোধ জানান।
২ দিন আগে