
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এই অভিনন্দন জানান।
বিবৃতিতে তারা বিএনপির এই বিজয়কে দেশের গণতন্ত্রের নবযাত্রা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পুনর্জাগরণ হিসেবে অভিহিত করেন। একইসঙ্গে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান তরুণ প্রজন্মের প্রত্যাশা পূরণ ও একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।
জাতীয় পার্টির নেতারা আশা করেন, তারেক রহমানের সুযোগ্য নেতৃত্বে বিএনপির বিজয়ের মধ্য দিয়ে দেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত থাকবে ও সুরক্ষিত থাকবে সার্বভৌমত্ব। একইসঙ্গে দেশে গণতন্ত্রের নবযাত্রা সূচিত হবে। যেখানে সব দলমতের মানুষ নির্বিঘ্নে তাদের মতামত প্রদান করতে পারবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও জাতীয় পার্টির মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এই অভিনন্দন জানান।
বিবৃতিতে তারা বিএনপির এই বিজয়কে দেশের গণতন্ত্রের নবযাত্রা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পুনর্জাগরণ হিসেবে অভিহিত করেন। একইসঙ্গে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান তরুণ প্রজন্মের প্রত্যাশা পূরণ ও একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।
জাতীয় পার্টির নেতারা আশা করেন, তারেক রহমানের সুযোগ্য নেতৃত্বে বিএনপির বিজয়ের মধ্য দিয়ে দেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত থাকবে ও সুরক্ষিত থাকবে সার্বভৌমত্ব। একইসঙ্গে দেশে গণতন্ত্রের নবযাত্রা সূচিত হবে। যেখানে সব দলমতের মানুষ নির্বিঘ্নে তাদের মতামত প্রদান করতে পারবে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
১ দিন আগে
ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
১ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
১ দিন আগে