দলটির সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বিবৃতিতে বলেন, দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঘোষিত ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সামনে গণঅবস্থান কর্মসূচি আপাতত স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।
বাসদ জেলা আহ্বায়ক আবু জাফরের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব প্রণব জ্যোতি পালের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য দেন- কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ, কেন্দ্রীয় সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য নিখিল দাস, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আবুল কাশেম, জেলা বাসদের সাবেক আহ্বায়ক উজ্জ্বল রায়।
বিএনপি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিকে বেশি নজর দিচ্ছে জানিয়ে দলটির এই নেতা বলেন, আগামী দিনের জাতির প্রত্যাশা একটা সুষ্ঠু, স্বাভাবিক ও সাধারণ নির্বাচন। যেটি গণতন্ত্রের ভীতকে শক্তিশালী করার জন্য বেশি দরকার। সেই দিকে আমরা বেশি নজর দিচ্ছি। আমার বিশ্বাস, দেশে যদি একটি গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকে, জনগ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এখনো যে পরিস্থিতি, আগের মতোই অবস্থা। আমি বলব, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সন্তোষজনক (স্যাটিসফ্যাকটরি)। তবে এটার উন্নতি করার অবকাশ রয়ে গেছে।
বিবৃতিতে দেশে চলমান আইনহীনতা, বিচারহীনতা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্রমাবনতি ও জননিরাপত্তাহীনতার অবসানে দেশের শুভবুদ্ধিসম্পন্ন সব ব্যক্তি ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক নেতাদের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে জাসদ।
জি এম কাদের বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত। আইনশৃংখলার এত নাজুক অবস্থা স্মরণকালে নেই বললেই চলে। শুধু রাজধানী নয়, সারা দেশেই মানুষ আতঙ্কে ঘুমাতে পারছে না। দেশ এখন চোর, ডাকাত আর ছিনতাইকারীর অভয়ারণ্য। দেশ যেন এক আতঙ্কের রাজ্য।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে আরও টেকসই করতে সুইডেনকে সামাজিক ব্যবসায় বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। গতকাল রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সুইডিশ ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন এজেন্সির (সিডা) মহাপরিচালক জ্যাকব গ্রানিটের
সিলেট মুরারিচাদ (এমসি) কলেজের ছাত্রাবাসে মিজানুর রহমান রিয়াদ নামে এক এক শিক্ষার্থীকে হামলার ঘটনায় ছাত্রশিবিরের ‘কিছুসংখ্যক কর্মী’ জড়িত থাকার দায় স্বীকার করে দুঃখপ্রকাশ করেছেন সিলেটের জামায়াত নেতারা।
তরুণ এই বিএনপি নেতা পোস্টে আরও লিখেছেন, ‘এই সরকারকে এর চাইতে স্পষ্ট ভাষায় আর কিছু বলার নাই। আর আমাদের দলীয় কেউ যদি ভুলেও স্বপ্ন দেখেন, যেই হন না কেন আপনাদের চিনবো না। অতএব এলাকায় ফ্যাসিবাদের স্থান দেওয়ার আগে ১০০ বার চিন্তা করে নিয়েন। আগে বরখাস্তকৃত কমিশনের/কাউন্সিলর পদধারী হাসিনার কিলার বাহিনীদের বি
জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের দোসররা দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য সব ধরনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম।
৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বিএনপি-জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে বাগ্যুদ্ধ চলে আসছে। এরই মধ্যে ছাত্রদল ও শিবির প্রকাশ্য বিরোধ, এমনকি সহিংসতায় জড়িয়ে পড়েছে। কেউ কাউকে ছাড় দিচ্ছে না, একে অন্যকে দোষারোপ করেই চলেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, স্বাধীনতাবিরোধী সংগঠন জামায়াতে ইসলামীর ছাত্রসংগঠন ইসলামি ছাত্রশিবিরের মধুর ক্যানটিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন শহিদ ‘মধু দা’ ও তার পরিবারের প্রতি অসম্মানজনক। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল মধুর ক্যানটিনে ছাত্রশিবিরের সংবাদ সম্মেলন আয়োজনের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, দুই মাসের আন্দোলনে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয় নাই। বিএনপিসহ সমমনা দলগুলো দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে শেখ হাসিনার পতনের আন্দোলন চালিয়েছে। শেষের দিকে এসে আন্দোলনে শরিক হলেই সব কৃতিত্ব তাদের হয়ে যাবে না। দীর্ঘ সময়ের আন্দোলন-সংগ্রামে বিএনপি ও সমমনা দলের অসংখ্য নেতাকর্মী গুম, খুন, হাম
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উদ্দেশে দুদু বলেন, দ্রব্যমূল্য উর্ধ্বগতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন আগের তুলনায় অনেক খারাপ। দ্রুত একটি ভালো নির্বাচন দেন। যারা জিতবে তাদের হাতে ক্ষমতা দেবেন। আপনি বলছেন শিক্ষার্থীদের একটা দল থাকা দরকার। তাহলে আপনি তো শিক্ষার্থীদের পক্ষে। আপনি তো তাহলে নিরপেক্ষ না।
তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার জন্য দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে হত্যা করে মূলত দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলার ষড়যন্ত্র করে। স্বৈরাচারী আওয়ামী সরকার এই দুঃখজনক ও মর্মান্তিক ঘটনায় অনেক নিরীহ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে বিচারের নামে প্রহসনের আয়োজন করে। তাদের বিভিন্ন মেয়
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত হলেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে বন্ধুপ্রতিম ছাত্রসংগঠন ছাত্রদলকে তাদের পথ অনুসরণ করতে দেখা যাচ্ছে বরে মন্তব্য করেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম।
গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় কাউন্সিলরদের প্রত্যক্ষ ভোটে যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু। দেলোয়ার হোসেন খোকন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এছাড়া রবিউল ইসলাম, মুনির আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু ও শহিদুল বারী রবু সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।