
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) ৬ দশমিক ১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে। আর আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৬.৬ শতাংশে দাঁড়াবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক।
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। বৃহস্পতিবার ম্যানিলাভিত্তক সংস্থাটি ‘এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক, এপ্রিল ২০২৪’ প্রকাশ করে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি আরও বেড়ে ৬ দশমিক ছয় শতাংশে উন্নীত হতে পারে।
এর আগে আগে বিশ্ব ব্যাংক এবার জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ৬ শতাংশ হতে পারে বলে জানিয়েছিল। দুই সংস্থার পূর্বাভাসের ব্যবধান শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ পয়েন্ট। অন্যদিকে সরকার চলতি অর্থবছরের বাজেটে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা করেছে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। যেখানে বিশ্ব ব্যাংকের পূর্বাভাস হচ্ছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে প্রবৃদ্ধি সামান্য বেড়ে বেড়ে ৫ দশমিক ৭ শতাংশ হতে পারে।
এডিবির পূর্বাভাস অনুযায়ী, উচ্চ মূল্যস্ফীতির মধ্যে দিয়ে যাওয়া বাংলাদেশে চলতি বছর শেষে তা আট দশমিক চার শতাংশ হবে। আগামী ২০২৫ সাল শেষে মূল্যস্ফীতির পারদ নামবে সাত শতাংশে।
এডিবি বলছে, কোভিড মহামারির পূর্বে এই অঞ্চলের পর্যটন খাত যে অবস্থানে ছিল, তার প্রায় ৭৩ শতাংশ পূরণ করা সম্ভব হয়েছে ২০২৩ সাল শেষে।
সামান্য বেড়ে রেমিটেন্স প্রবাহ মোটামুটি স্থিতিশীল জায়গায় থাকলেও কয়েকটি দেশে চালের দর বৃদ্ধি খাদ্য মূল্যস্ফীতিকে উসকে দিয়েছে গত বছর। তাছাড়া ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ, গাজায় ইসরায়েলের হামলা অনেক দেশের অর্থনীতির মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।
এতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে এশিয়ার দেশগুলোর সার্বিকভাবে প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। বিনিময় হারে ডলারের বিপরীতে স্থানীয় মুদ্রা মান হারালে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতির পারদ বাড়তে পারে এমন সতর্ক বার্তাও দিয়েছে সংস্থাটি।
২০১৮-১৯ অর্থবছরে রেকর্ড ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছিল বাংলাদেশ। এরপর আসে মহামারী। তাতে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি নেমে যায় ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশে, যা কয়েক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন।
মহামারীর ধাক্কা সামলে ২০২০-২০২১ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধির হার বেড়ে দাঁড়ায় ৬ দশমিক ৯৪ শতাংশে। দুঃসময় কাটিয়ে ২০২১-২২ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেড়ে হয় ৭ দশমিক ১০ শতাংশ।
২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য সরকার বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরেছিল ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ। কিন্তু ইউক্রেইন যুদ্ধের কারণে বিশ্ব অর্থনীতির দুর্দশা থেকে মুক্ত থাকার উপায় ছিল না বাংলাদেশের। প্রাথমিকভাবে ৬ দশমিক ০৩ শতাংশ অর্জিত হওয়ার ধারণা দেওয়া হলেও চূড়ান্ত হিসাবে তা কমে ৫ দশমিক ৭৮ শতাংশ হয়। চলতি অর্থবছরে ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে সরকার।

চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) ৬ দশমিক ১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে। আর আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৬.৬ শতাংশে দাঁড়াবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক।
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। বৃহস্পতিবার ম্যানিলাভিত্তক সংস্থাটি ‘এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক, এপ্রিল ২০২৪’ প্রকাশ করে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি আরও বেড়ে ৬ দশমিক ছয় শতাংশে উন্নীত হতে পারে।
এর আগে আগে বিশ্ব ব্যাংক এবার জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ৬ শতাংশ হতে পারে বলে জানিয়েছিল। দুই সংস্থার পূর্বাভাসের ব্যবধান শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ পয়েন্ট। অন্যদিকে সরকার চলতি অর্থবছরের বাজেটে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা করেছে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। যেখানে বিশ্ব ব্যাংকের পূর্বাভাস হচ্ছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে প্রবৃদ্ধি সামান্য বেড়ে বেড়ে ৫ দশমিক ৭ শতাংশ হতে পারে।
এডিবির পূর্বাভাস অনুযায়ী, উচ্চ মূল্যস্ফীতির মধ্যে দিয়ে যাওয়া বাংলাদেশে চলতি বছর শেষে তা আট দশমিক চার শতাংশ হবে। আগামী ২০২৫ সাল শেষে মূল্যস্ফীতির পারদ নামবে সাত শতাংশে।
এডিবি বলছে, কোভিড মহামারির পূর্বে এই অঞ্চলের পর্যটন খাত যে অবস্থানে ছিল, তার প্রায় ৭৩ শতাংশ পূরণ করা সম্ভব হয়েছে ২০২৩ সাল শেষে।
সামান্য বেড়ে রেমিটেন্স প্রবাহ মোটামুটি স্থিতিশীল জায়গায় থাকলেও কয়েকটি দেশে চালের দর বৃদ্ধি খাদ্য মূল্যস্ফীতিকে উসকে দিয়েছে গত বছর। তাছাড়া ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ, গাজায় ইসরায়েলের হামলা অনেক দেশের অর্থনীতির মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।
এতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে এশিয়ার দেশগুলোর সার্বিকভাবে প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। বিনিময় হারে ডলারের বিপরীতে স্থানীয় মুদ্রা মান হারালে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতির পারদ বাড়তে পারে এমন সতর্ক বার্তাও দিয়েছে সংস্থাটি।
২০১৮-১৯ অর্থবছরে রেকর্ড ৮ দশমিক ১৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছিল বাংলাদেশ। এরপর আসে মহামারী। তাতে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি নেমে যায় ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশে, যা কয়েক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন।
মহামারীর ধাক্কা সামলে ২০২০-২০২১ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধির হার বেড়ে দাঁড়ায় ৬ দশমিক ৯৪ শতাংশে। দুঃসময় কাটিয়ে ২০২১-২২ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি বেড়ে হয় ৭ দশমিক ১০ শতাংশ।
২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য সরকার বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরেছিল ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ। কিন্তু ইউক্রেইন যুদ্ধের কারণে বিশ্ব অর্থনীতির দুর্দশা থেকে মুক্ত থাকার উপায় ছিল না বাংলাদেশের। প্রাথমিকভাবে ৬ দশমিক ০৩ শতাংশ অর্জিত হওয়ার ধারণা দেওয়া হলেও চূড়ান্ত হিসাবে তা কমে ৫ দশমিক ৭৮ শতাংশ হয়। চলতি অর্থবছরে ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে সরকার।

দীর্ঘদিনের মন্দার মধ্যেই নতুন করে করের বোঝা, নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি এবং বিদ্যুতের বাড়তি খরচে দেশের আবাসন খাত গভীর সংকটের মুখে পড়েছে। খাতসংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা বলছেন, বিদ্যমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে আবাসন ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিল্পে কর্মরত প্রায় ৫০ লাখ মানুষের জীবিকা হুমকির মুখে পড়তে পারে।
৩ দিন আগে
ব্রেক্সিট সফল হয়েছে কি না— এই বিতর্কের বাইরে অর্থনীতিবিদদের কাছে একটি বিষয় এখন প্রায় প্রতিষ্ঠিত। গত এক দশকের তথ্য বিশ্লেষণ করে তারা বলছেন, ব্রেক্সিট যুক্তরাজ্যের অর্থনীতিকে উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
৩ দিন আগে
বাজারের এই নেতিবাচক প্রভাব থেকে রক্ষা পায়নি সদ্য শেয়ারবাজারে আসা স্পেসএক্সও। ১২ জুন তালিকাভুক্ত হওয়ার পর থেকেই কোম্পানিটির শেয়ারদরে ব্যাপক ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। মঙ্গলবার লেনদেনের একপর্যায়ে শেয়ারের দাম প্রাথমিক তালিকাভুক্তির মূল্য ১৫০ ডলারের নিচে নেমে গেলেও পরে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রায় ১৫৭ থেকে ১৬০ ড
৩ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা এগিয়ে যাওয়ার পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন স্বাভাবিক হওয়ার বিষয়ে আরও স্পষ্ট সংকেতের অপেক্ষায় রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। এর প্রভাবে মঙ্গলবার (২৩ জুন) আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম সামান্য কমেছে। খবর জিও নিউজের।
৪ দিন আগে