যশোরের শার্শা উপজেলার কন্যাদাহ গ্রামে বাঁওড়কে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে সশস্ত্র হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার বিকালের এ ঘটনায় সটগানের ছররা গুলিতে ছয়জন আহত হয়েছেন। পরে এ ঘটনায় রাতে শার্শা থানায় মামলা করা হয়েছে।
হামলায় আহতরা হলেন কন্যাদাহ গ্রামের মৃত মতি গাইনের ছেলে শাহ আলম গাইন (৫০), মৃত আব্দুল আজিজ গাইনের ছেলে শরিফুল ইসলাম বকুল (৩২), হাসেম গাইনের ছেলে মিটু গাইন (৩০), খলিল গাইনের ছেলে আব্দুল্লাহ গাইন (২০), শরিফুল ইসলাম বকুলের ছেলে শাকিল গাইন (১৫) এবং আকবর আলীর ছেলে আকাশ হোসেন (১৪)।
মামলার বাদী হাসানুজ্জামান হাসান গাইন বলেন, কন্যাদাহে স্থানীয় একটি বাঁওড়কে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছে। এর জের ধরে বৃহস্পতিবার বিকালে আশানুর ও শহীদ আলীর নেতৃত্বে ২৫ থেকে ৩০ জনের একটি দল গাইনপাড়ায় হামলা চালায়।
হাসান গাইনের অভিযোগ, হামলাকারীরা গাইনপাড়ার বাবু গাইন, ইয়ানুর গাইন ও আনারুল গাইনের বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। এ সময় হামলাকারীদের ছোড়া সটগান ও পিস্তলের গুলিতে ছয়জন গুরুতর আহত হন।
এ ছাড়া হামলাকারীরা কয়েকটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায় বলেও দাবি করেন তিনি। এতে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে এবং ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বলে জানান মামলার বাদী।
পরে গুলিবিদ্ধ ও আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে তাদের যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক মাহমুদুল হাসান বলেন, “আহতদের শরীরে সটগানের ছররা গুলির আঘাত রয়েছে।”
খবর পেয়ে নাভারণ ‘ক’ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফ হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফ হোসেন বলেন, “বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”











-06cf8c-256x144.webp)





-f9b171.jpg)
