এই আলোচনাকে সংঘাত রোধের শেষ প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে, তবে চুক্তির সম্ভাবনা এখনো অস্পষ্ট। ট্রাম্প যদিও বলেছেন, তিনি কূটনীতির মাধ্যমে সংকট সমাধান করতে পছন্দ করেন। তবে ইরানের নেতাদের চুক্তি মেনে নিতে চাপ দেওয়ার জন্য দেশটির উপর সীমিত পরিসরে হামলার কথা বিবেচনা করছেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত গাজা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ইন্দোনেশিয়া, মরক্কো, কসোভো ও আলবেনিয়াসহ কয়েকটি দেশ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে সেনা পাঠাতে সম্মত হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, গত বছর ইরানের তিনটি পরমাণু স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র হামলা না চালালে তেহরানের হুমকি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা বাধাগ্রস্ত করত। যুক্তরাষ্ট্রকে হয়তো এখন আরও এক ধাপ এগোতে হবে। না-ও হতে পারে। হয়তো একটি চুক্তি হবে। আগামী ১০ দিনের মধ্যেই সম্ভবত তা জানা যাবে।
ফিলিস্তিনের গাজার বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় আরও অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নবগঠিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদ যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা পুনর্গঠনে পাঁচ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। এ পরিষদ আগামী বৃহস্পতিবার প্রথম বৈঠকে বসবে।
ইরানের সঙ্গে ‘ফলপ্রসূ’ আলোচনা হয়েছে জানিয়ে ট্রাম্প দাবি করেছেন, দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করতে মরিয়া হয়ে গেছে। ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের খুব ভালো আলোচনা হয়েছে এবং মনে হচ্ছে ইরান একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়।’
ইরানের সাম্প্রতিক বিক্ষোভে নিহতদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে দেশটির প্রেসিডেন্ট কার্যালয়। এ তালিকায় দুই হাজার ৯৮৬ জনের নাম-পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি সিরিল রামাফোসাকে অপমান করাসহ বারবার কূটনৈতিক নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে ইসরায়েলের কূটনীতিকের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে আফ্রিকার দেশটির কর্তৃপক্ষ।
ইরানজুড়ে চলমান গণবিক্ষোভ ও সাম্প্রতিক আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। বাহিনীর প্রধান কমান্ডার জেনারেল মোহাম্মদ পাকপুর বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো ‘ভুল’ পদক্ষেপের জবাব দিতে তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং তাদের আঙুল ‘ট্রিগারে’ রয়
এ সময় ট্রাম্প জানিয়েছেন, কারা কারা থাকছে তার এই শান্তি উদ্যোগে। আরও জানিয়েছেন, ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা ঘিরে এই বোর্ডের কার্যক্রম শুরু হলেও ভবিষ্যতে তা আরও ব্যাপক আকারে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে।
বিবৃতিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট প্রতিটি দেশ নিজ নিজ সাংবিধানিক ও আইনি কাঠামোর আওতায় প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে বোর্ডে যোগদানের নথিতে সই করবে। এর মধ্যে মিসর, পাকিস্তান ও ইউএই আগেই এই উদ্যোগে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মতি জানিয়েছে।
বিপণন ও বিক্রয় (মার্কেটিং এবং সেলস) খাতে দেশের নাগরিকদের কর্মসংস্থানের পরিধি বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি আরব। ফলে দেশটিতে থাকা অন্য দেশের নাগরিকদের (প্রবাসী) কাজের সুযোগ কমছে।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন এ উদ্যোগে অংশ নিতে পুতিনকে আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রস্তাবের সব দিক নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা করতে চায় মস্কো।
ফিলিস্তিনের গাজায় চলমান সংকট নিরসনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত ‘বোর্ড অব পিস’-এ যোগ দিতে ভারত ও পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
ওই কর্মকর্তা বলেন, বিক্ষোভের সময় ‘সন্ত্রাসী ও সশস্ত্র দাঙ্গাবাজরা’ নিরীহ ইরানিদের লক্ষ্য করে হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে। তার দাবি, সহিংসতার বড় একটি অংশ পরিকল্পিত ছিল এবং এর পেছনে বিদেশি শক্তির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর খবর বলছে, এই বোর্ডের সনদটি এরই মধ্যে বিশ্বের অন্তত এক ডজন রাষ্ট্রপ্রধানের কাছে পাঠানো হয়েছে। তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, তারা এই বোর্ডের সদস্য হতে পারেন। এ সংক্রান্ত নথিতে এমন ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতিসংঘের বিকল্প বা প্রতিদ্বন্দ্বী একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য বিমান হামলা মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বড় ও নিয়ন্ত্রণহীন সংঘাত ডেকে আনতে পারে— এই আশঙ্কায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হামলা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে সৌদি আরব, কাতার, তুরস্ক ও ওমান।
ইরানে চলমান বিক্ষোভের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামলার হুমকি দেওয়ার পর আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান ইরানের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।