ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দিয়ে এপিবিএন বিল পাস সংসদে

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নকে (এপিবিএন)। লোগো
আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নকে (এপিবিএন)। লোগো

‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) বিল, ২০২৬’ পাস হয়েছে জাতীয় সংসদে। ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নস অর্ডিন্যান্স’ রহিত করে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে বিলটি উত্থাপন করা হয়। এই বিলের মাধ্যমে এপিবিএনকে প্রথমবারের মতো ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। উত্থাপনের পর বিরোধী দলের সদস্যরা জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব দিয়ে আলোচনায় অংশ নেন। পরে প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি শেষে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।

পাস হওয়া বিলে বলা হয়েছে, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর একটি বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে গঠিত ও পরিচালিত হবে। এই বিশেষায়িত ইউনিটের আওতায় স্পেশাল সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রোটেকশন ব্যাটালিয়ন, পার্বত্য ব্যাটালিয়ন, বিমানবন্দর ব্যাটালিয়ন ও প্রয়োজনে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোনো বিশেষ ব্যাটালিয়ন অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

প্রস্তাবিত নতুন আইনে এপিবিএনকে নিজস্ব অধিক্ষেত্রে ফৌজদারি অপরাধ তদন্তে প্রত্যক্ষ আইনি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ফৌজদারি কার্যবিধি ও দেশে বিদ্যমান অন্যান্য আইন প্রতিপালন সাপেক্ষে কোনো অপরাধমূলক স্থানে প্রবেশ, তল্লাশি চালানো, আলামত ও মালামাল জব্দ করা এবং সন্দেহভাজন আসামিদের গ্রেপ্তার করার আইনি অধিকার পাবেন এই বাহিনীর সদস্যরা।

বিলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী এই ইউনিটের প্রশাসনিক তথ্য সুরক্ষায় বিশেষ ধারা যুক্ত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া এপিবিএনের কোনো সদস্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোনো ইলেকট্রনিক মিডিয়া বা সংবাদপত্রে কোনো তথ্য, দাপ্তরিক দলিল বা স্পর্শকাতর বিষয় প্রকাশ করতে পারবেন না কিংবা প্রকাশে কোনো ধরনের সহযোগিতা করতে পারবেন না।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement