
ক্রীড়া ডেস্ক

১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ছুঁতে পারল না বাংলাদেশ। তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমনের ব্যাটে জয়ের আশা জাগিয়েছিল স্বাগতিকরা। কিন্তু শেষ দিকে স্নায়ুচাপ সামলাতে না পারায় ৭ রানের হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে টাইগারদের। ফলে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জয় তুলে নিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই তিন ম্যাচের সিরিজ ২-০ ব্যবধানে নিজেদের করে নিয়েছে সফরকারী অস্ট্রেলিয়া।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক মিচেল মার্শ। সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে বাংলাদেশ একাদশে দুটি পরিবর্তন আনে। শরিফুল ইসলাম ও শেখ মেহেদীর জায়গায় সুযোগ পান নাহিদ রানা ও নাসুম আহমেদ।
শুরুর দিকে অস্ট্রেলিয়াকে চাপে ফেলে বাংলাদেশ। তৃতীয় ওভারে নাসুম আহমেদ এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে ফেরান জশ ইংলিশকে (১১)। পরের ওভারেই গতির ঝড় তোলেন নাহিদ রানা। তার বলে স্লিপে সাইফ হাসানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন কুপার কনোলি (১)। ৩১ রানেই ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে সফরকারীরা।
তবে সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন ম্যাট রেনশ। মিচেল মার্শকে নিয়ে গড়েন গুরুত্বপূর্ণ জুটি। যদিও ২০ রান করা মার্শকে সপ্তম ওভারে ফিরিয়ে দেন মুস্তাফিজুর রহমান। তখন অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৫১ রানে ৩ উইকেট।
এরপরই বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চড়াও হন রেনশ ও টিম ডেভিড। চতুর্থ উইকেটে তাদের আক্রমণাত্মক জুটিতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় অস্ট্রেলিয়ার হাতে। রিশাদ হোসেনের এক ওভারে টানা তিন ছক্কা মেরে নিজের ফিফটি পূর্ণ করেন রেনশ। ২৫ বলে ৪৫ রান করে টিম ডেভিড আউট হলেও একপ্রান্ত আগলে রেখে শেষ পর্যন্ত ঝড় তোলেন রেনশ।
ইনিংসের শেষ ওভারে মুস্তাফিজুর রহমানের কাছ থেকে ১৮ রান আদায় করেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত ৫২ বলে ৮৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন তিনি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৯৬ রান তোলে অস্ট্রেলিয়া।
বাংলাদেশের পক্ষে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন নাসুম আহমেদ। চার ওভারে ২৭ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন তিনি। এছাড়া নাহিদ রানা, মুস্তাফিজুর রহমান ও আব্দুল গাফফার সাকলাইন একটি করে উইকেট শিকার করেন।
১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দুর্দান্ত সূচনা পায় বাংলাদেশ। দুই ওপেনার তানজিদ হাসান ও সাইফ হাসান মাত্র দুই ওভারেই ৩৩ রান যোগ করেন। তবে ১৫ বলে ৩০ রান করা তানজিদকে নিজের ফিরতি ক্যাচে পরিণত করে প্রথম সাফল্য এনে দেন ম্যাট রেনশ। এরপর ৯ বলে ১৫ রান করে ফিরে যান সৌম্য সরকার।
৭৭ রানে ২ উইকেট হারানোর পর সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমন তৃতীয় উইকেটে দারুণ জুটি গড়ে বাংলাদেশের আশা জিইয়ে রাখেন। ১২ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১২২ রান। কিন্তু সেট হওয়া দুই ব্যাটারই ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন। পারভেজ ৩৬ ও সাইফ ৪২ রান করে আউট হলে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়।
শেষ চার ওভারে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৪৪ রান। কিন্তু নিয়মিত বাউন্ডারি না আসায় চাপ বাড়তে থাকে। শেষ ওভারে জয়ের জন্য দরকার ছিল ২০ রান। তাওহীদ হৃদয় শেষ পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে গেলেও দলকে জেতাতে পারেননি। শেষ বলে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ৩৫ রান করে ক্যাচ আউট হন তিনি।
নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮৯ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। আব্দুল গাফফার সাকলাইন ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন। ফলে ৭ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে অস্ট্রেলিয়া এবং এক ম্যাচ বাকি থাকতেই নিশ্চিত করে সিরিজ জয়।
আগামী ২১ জুন একই ভেন্যুতে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হবে দুই দল। হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

১৯৭ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ পর্যন্ত লড়াই করেও জয় ছুঁতে পারল না বাংলাদেশ। তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমনের ব্যাটে জয়ের আশা জাগিয়েছিল স্বাগতিকরা। কিন্তু শেষ দিকে স্নায়ুচাপ সামলাতে না পারায় ৭ রানের হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে টাইগারদের। ফলে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জয় তুলে নিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই তিন ম্যাচের সিরিজ ২-০ ব্যবধানে নিজেদের করে নিয়েছে সফরকারী অস্ট্রেলিয়া।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক মিচেল মার্শ। সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে বাংলাদেশ একাদশে দুটি পরিবর্তন আনে। শরিফুল ইসলাম ও শেখ মেহেদীর জায়গায় সুযোগ পান নাহিদ রানা ও নাসুম আহমেদ।
শুরুর দিকে অস্ট্রেলিয়াকে চাপে ফেলে বাংলাদেশ। তৃতীয় ওভারে নাসুম আহমেদ এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে ফেরান জশ ইংলিশকে (১১)। পরের ওভারেই গতির ঝড় তোলেন নাহিদ রানা। তার বলে স্লিপে সাইফ হাসানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন কুপার কনোলি (১)। ৩১ রানেই ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে সফরকারীরা।
তবে সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন ম্যাট রেনশ। মিচেল মার্শকে নিয়ে গড়েন গুরুত্বপূর্ণ জুটি। যদিও ২০ রান করা মার্শকে সপ্তম ওভারে ফিরিয়ে দেন মুস্তাফিজুর রহমান। তখন অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৫১ রানে ৩ উইকেট।
এরপরই বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চড়াও হন রেনশ ও টিম ডেভিড। চতুর্থ উইকেটে তাদের আক্রমণাত্মক জুটিতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় অস্ট্রেলিয়ার হাতে। রিশাদ হোসেনের এক ওভারে টানা তিন ছক্কা মেরে নিজের ফিফটি পূর্ণ করেন রেনশ। ২৫ বলে ৪৫ রান করে টিম ডেভিড আউট হলেও একপ্রান্ত আগলে রেখে শেষ পর্যন্ত ঝড় তোলেন রেনশ।
ইনিংসের শেষ ওভারে মুস্তাফিজুর রহমানের কাছ থেকে ১৮ রান আদায় করেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত ৫২ বলে ৮৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন তিনি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৯৬ রান তোলে অস্ট্রেলিয়া।
বাংলাদেশের পক্ষে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন নাসুম আহমেদ। চার ওভারে ২৭ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন তিনি। এছাড়া নাহিদ রানা, মুস্তাফিজুর রহমান ও আব্দুল গাফফার সাকলাইন একটি করে উইকেট শিকার করেন।
১৯৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দুর্দান্ত সূচনা পায় বাংলাদেশ। দুই ওপেনার তানজিদ হাসান ও সাইফ হাসান মাত্র দুই ওভারেই ৩৩ রান যোগ করেন। তবে ১৫ বলে ৩০ রান করা তানজিদকে নিজের ফিরতি ক্যাচে পরিণত করে প্রথম সাফল্য এনে দেন ম্যাট রেনশ। এরপর ৯ বলে ১৫ রান করে ফিরে যান সৌম্য সরকার।
৭৭ রানে ২ উইকেট হারানোর পর সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমন তৃতীয় উইকেটে দারুণ জুটি গড়ে বাংলাদেশের আশা জিইয়ে রাখেন। ১২ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১২২ রান। কিন্তু সেট হওয়া দুই ব্যাটারই ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন। পারভেজ ৩৬ ও সাইফ ৪২ রান করে আউট হলে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়।
শেষ চার ওভারে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ৪৪ রান। কিন্তু নিয়মিত বাউন্ডারি না আসায় চাপ বাড়তে থাকে। শেষ ওভারে জয়ের জন্য দরকার ছিল ২০ রান। তাওহীদ হৃদয় শেষ পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে গেলেও দলকে জেতাতে পারেননি। শেষ বলে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ৩৫ রান করে ক্যাচ আউট হন তিনি।
নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮৯ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। আব্দুল গাফফার সাকলাইন ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন। ফলে ৭ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে অস্ট্রেলিয়া এবং এক ম্যাচ বাকি থাকতেই নিশ্চিত করে সিরিজ জয়।
আগামী ২১ জুন একই ভেন্যুতে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হবে দুই দল। হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

পর্তুগিজ এই কোচের মতে, কোনো ফাউল হয়ে থাকলে সেটি খেলা চলাকালীনই নির্ধারণ করা উচিত ছিল। গোল হওয়ার পর ভিডিও প্রযুক্তির সাহায্যে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে তা বাতিল করা ফুটবলের স্বাভাবিক ধারার সঙ্গে যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
২ দিন আগে
বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার পর এবার সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টদাতার রেকর্ডও নিজের করে নিলেন লিওনেল মেসি। মিসরের বিপক্ষে ম্যাচে গোল ও অ্যাসিস্ট— দুটিই করেছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। তবে রেকর্ডগড়া এই ম্যাচেই পেনাল্টি মিস করে আরেকটি অনাকাঙ্ক্ষিত নজিরও গড়েছেন তিনি।
২ দিন আগে
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি তুলেছেন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের একাধিক সদস্য। তাদের অভিযোগ, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যোগাযোগের পর ফিফার নেওয়া সিদ্ধান্ত ফুটবলের ন্যায়বিচার ও রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে।
২ দিন আগে
অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধের নবম মিনিটে কর্নার থেকে কলম্বিয়ার ডিফেন্ডার জন লুকুমির একটি হেড বারে লেগে ফিরে আসলে কপাল পোড়ে লাতিন আমেরিকার দলটির। এরপর জামিন্টন ক্যাম্পাজের একটি জোরালো শট কোবেল আটকে দেন।
২ দিন আগে