সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার মো. সাইফুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল ও আলামত সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) ভোরে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার বড়চর এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল সাড়ে সাতটার দিকে মহাসড়কের কাশিকাপন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে
হাওরের পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য, প্রতিবেশগত ভারসাম্য ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে বলে জেলা প্রশাসন জানিয়েছে। পাশাপাশি হাওরে চলাচলকারী সব নৌ যানের মালিক ও পরিচালনাকারীদের আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে নিবন্ধন শেষ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এতে গাড়িটির পেছনের কাচ ভেঙে যায়। একই সঙ্গে এনসিপির আরও দুই কেন্দ্রীয় নেতা এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাত শহিদ পরিবারের সদস্যদের বহনকারী গাড়িতেও হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলার জন্য ছাত্রদলকে দায়ী করেছেন সারজিস আলম। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে জেলা ছাত্রদল।
হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় জারি করা ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার করেছে জেলা প্রশাসন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা নেই জানিয়ে এ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। আজ বৃহস্পতিবার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. জিএম সরফরাজের সই করা এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
সিলেটের পুলিশ সুপার চৌধুরী মো. যাবের সাদেক বলেন, সীমান্তবর্তী উপজেলাগুলোতে রাতে কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে। তাই সতর্কতা হিসেবে বিজিবি চাওয়া হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, হবিগঞ্জে এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন। এ ছাড়া আরও ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০০ জনের বিরুদ্ধে এনসিপি নেতাদের গাড়িবহরে হামলা ও নেতাকর্মীদের মারধরের অভিযোগ করেছে দলটি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
এনসিপি নেতাদের দাবি, সন্ধ্যায় শহরের টাউন হলের সামনে পদযাত্রা শেষে ফেরার পথে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরে স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা অতর্কিত হামলা চালান। এতে সাংবাদিক ও এনসিপির নেতাকর্মীরা আহত হন। হামলার পর তাদের অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।
বর্তমানে তার মরদেহ জর্জিয়ার ওই হাসপাতালের মর্গে সংরক্ষিত রয়েছে। পরিবারের দাবি, নিজস্ব অর্থে মরদেহ দেশে আনার সামর্থ্য তাদের নেই। তাই সরকারি উদ্যোগে মরদেহ সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাইফুর রহমানের বয়স ২৮ বছর। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তরা হলেন মাহবুবুর রহমান রনি (২৫), তারেকুল ইসলাম তারেক (২৮) ও অর্জুন লস্কর (২৬)। পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
গত মঙ্গলবার রাত থেকে শুরু হওয়া টানা ভারী বৃষ্টিপাতে নদ-নদীর পানি গত ৪৮ ঘণ্টায় দ্রুত বেড়েছে। বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ২৬৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়, যা এ মৌসুমের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড।
সোমবার (২৯ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সুনামগঞ্জ শহরের আলফাত স্কয়ারে এ আন্দোলনের দশম দিনের কর্মসূচি হিসেবে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত থেকে তাদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, সরকার আবার সংস্কারের পক্ষে ফিরে এলে আমরা স্বাগত জানাব। বাংলাদেশে সংস্কার বাস্তবায়ন হবেই— এ কথা আমি বড়লেখা থেকে বলে গেলাম। বিএনপি যদি সংস্কার বাস্তবায়ন না করে, তাহলে বিএনপি সরকারেরও পতন হবে। বিষয়টি তারেক রহমানকে বুঝতে হবে।