এর আগে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় দফা আলোচনার জন্য মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের গত মঙ্গলবার ইসলামাবাদের পথে রওয়ানা দেওয়ার কথা ছিল। তবে ইরান আলোচনায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত না করায় তিনি ওয়াশিংটন ছাড়েননি। হোয়াইট হাউজ এখন বলছে, তার পাকিস্তান সফর বাতিল করা হয়েছে।
কিন্তু ইসলামাবাদে যদি দুপক্ষকে শেষ পর্যন্ত আলোচনায় বসানোও যায়ে, তাতেও কি ফল মিলবে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রকৃতপক্ষে দুই দেশের মধ্যে এখনো বেশকিছু ইস্যু নিয়েই রয়ে গেছে তীব্র মতবিরোধ, যা সমাধানে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করতে পারে। এমন বিষয়গুলোই নিচে তুলে ধরা হলো।
ইরান বলছে, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন বাহিনী যে অবরোধ দিয়ে রেখেছে, সে অবরোধ না তোলা পর্যন্ত তারা আলোচনায় যেতে রাজি না। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সামনে এখন চুক্তিতে যাওয়া ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই।
ইরান থেকে ইউরেনিয়াম অপসারণ একটি দীর্ঘ ও কঠিন প্রক্রিয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন। খবর দ্য ডনের।
পেন্টাগনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৭১ জন সেনাবাহিনীর সদস্য। এ ছাড়া নৌবাহিনীর ৬৩ জন, বিমানবাহিনীর ৬২ জন এবং ১৯ জন মেরিন সেনা আহত হয়েছেন।
অনুসন্ধানে বিবিসি এমন অন্তত পাঁচটি ঘটনা তুলে ধরেছে, যেখানে ট্রাম্পের বড় ধরনের ঘোষণা বা পদক্ষেপের ঠিক আগে আগে বাজারে ঘটে গেছে বড় ধরনের লেনদেন, যার মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের একটি অংশ ব্যাপকভাবে লাভবান হয়েছেন।
এদিকে, আরেক মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে মার্কিন প্রতিনিধিদল ইতিমধ্যে ইসলামাবাদের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। প্রতিনিধিদলে ভ্যান্সের সঙ্গে রয়েছেন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের উপদেষ্টা ও জামাতা জ
যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের শ্রিভপোর্টে এক ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনায় এক ব্যক্তি তার সাত সন্তানসহ মোট আট শিশুকে হত্যা করেছে। তিনি আলাদা তিনটি বাড়িতে হানা দিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটান। ২০২৪ সালের জানুয়ারির পর এটি যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বড় বন্দুক হামলার ঘটনা।
প্রতিনিধি দলে ট্রাম্পের প্রভাবশালী দুই উপদেষ্টা স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারও রয়েছেন। তবে ওমান সাগরে ইরানি পতাকাবাহী জাহাজ জব্দের ঘটনার পর এই আলোচনায় তেহরানের অংশগ্রহণ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
ট্রাম্প লিখেছেন, "আজ তৌসকা নামের প্রায় ৯০০ ফুট দীর্ঘ একটি ইরানি পতাকাবাহী কার্গো জাহাজ আমাদের নৌ অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু সেটি তাদের জন্য ভালো হয়নি।" তিনি আরও বলেন, জাহাজটিকে থামার জন্য সতর্ক করা হয়েছিল, কিন্তু জাহাজটি তা মানেনি। "তাই আমাদের নৌবাহিনীর জাহাজ ইঞ্জিনরুমে গুলি চালিয়ে সেটিকে থাম
নাম প্রকাশ না করার শর্তে হোয়াইট হাউজের ওই কর্মকর্তা এএফপিকে বলেন, আগের মতোই জে ডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল যাচ্ছে পাকিস্তানে। এবারও তার সঙ্গী হিসেবে থাকছেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ।
ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও লিখেছেন, ‘তারা (ইরান) দ্রুতই নতিস্বীকার করবে, সহজভাবেই করবে। আর যদি চুক্তি গ্রহণ না করে তাহলে যা কিছু প্রয়োজন, তা করা আমার জন্য গৌরবের বিষয় হবে— যা গত ৪৭ বছর ধরে অন্যান্য প্রেসিডেন্টদের করা উচিত ছিল।’
‘ওয়াশিংটন যেকোনো মুহূর্তে আবারও হামলা চালাতে পারে। তবে তা মোকাবিলায় মাঠে প্রস্তুত আছে ইরানের সেনারা।’ এসময় তিনি হরমুজ প্রণালি অবরোধে যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তকে বোকামি ও মূর্খতার সামিল বলেও মন্তব্য করেন।
ট্রাম্প লিখেছেন, লেবাননের অত্যন্ত সম্মানিত প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা করেছি। দুই নেতা তাদের দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ১০ দিনের একটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের সময় বিকেল ৫টা থেকে ক
সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোটে শেষ পর্যন্ত ইরানে যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা ধরে রাখছেন ট্রাম্প। এবারে ট্রাম্পের দল রিপাবলিকান সিনেটর র্যান্ড পল প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন। অন্যদিকে বিরোধী শিবির ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন ফেটারম্যান প্রস্তাবের বিপক্ষে অবস্থান নেন।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর জন্য আনুষ্ঠানিক কোনো অনুরোধ করেছে— এমন খবর সরাসরি নাকচ করেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট বলেছেন, এ ধরনের যেসব খবর প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো সঠিক নয়। তবে ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলমান বলেও জানান তিনি।
মার্কিন নৌবাহিনী অবশেষে নিশ্চিত করেছে যে, গত ৯ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ এমকিউ-৪সি ট্রাইটন হাই অল্টিচ্যুড সার্ভেইলেন্স (নজরদারি) ড্রোনটি বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে কী কারণে চালকবিহীন এই অত্যাধুনিক ড্রোনটি বিধ্বস্ত হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট তথ্য জানানো হয়নি।