ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনই এক নির্বাহী আদেশে অবৈধ অভিবাসী ও অস্থায়ীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বিদেশিদের সন্তানদের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব না দেওয়ার নির্দেশ দেন। এরপরই কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাট অ্যাটর্নি জেনারেল ও নাগরিক অধিকার সংগঠনগুলো আদালতে এ আদেশের বিরুদ্ধে মামলা করে।
প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের নির্বাহী ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়লেও বাকি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আদালত তার অবস্থানের বিপক্ষে রায় দিয়েছেন। ফলে একই দিনে বড় একটি আইনি সাফল্যের পাশাপাশি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ধাক্কার মুখে পড়েছেন তিনি।
প্রায় ১০ মিনিটের বক্তব্যে ট্রাম্পের বিভিন্ন বিতর্কিত প্রকল্পের সমালোচনা করেন বাইডেন। তিনি বলেন, ট্রাম্প হোয়াইট হাউজের ইস্ট উইং ভেঙে সেখানে একটি বলরুম নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন। এ ছাড়া তিনি জন এফ কেনেডি সেন্টার ফর দ্য পারফর্মিং আর্টসের ভবনের সম্মুখভাগে নিজের নাম যুক্ত করেছিলেন, যা পরে আদালতের নির্দেশে
রোববার দক্ষিণ ইরানের কয়েকটি স্থাপনায় নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পরপরই বাহরাইন ও কুয়েত লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় তেহরান। একই সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে চলমান আলোচনাও পুরোপুরি স্থগিত করার হুমকি দেয় দেশটি। জবাবে ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, এমন সময় আসতে পারে যখন তিনি আর আলোচনায় আগ্রহী থাকবেন না
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, ইরানের ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত আটটি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনার ফল যাই হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রই জয়ী হবে— এমন দাবি করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স। তার ভাষায়, তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি কার্যত ধ্বংস হয়ে গেছে এবং দেশটি আগের তুলনায় অনেক দুর্বল হয়ে পড়েছে। ফলে চূড়ান্ত চুক্তি হলেও যুক্তরাষ্ট্রের জয়, আর চুক্তি না হ
আল জাজিরা জানিয়েছে, সেন্টকমের এ ঘোষণার পরপরই দক্ষিণ ইরানের সিরিক বন্দরের কাছে মার্কিন হামলা হয়েছে। এর জবাবে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক শান্তি চুক্তিকে সামনে রেখে ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। তবে গত এক সপ্তাহে ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর বক্তব্যে ইরান ও ইসরায়েলকে ঘিরে ভিন্ন সুর শোনা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউজের বিশ্বকাপ টাস্কফোর্সের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি বলেছেন, পুরুষদের ২০৩৮ ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য বিড করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। আজ শুক্রবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
হামলার পর নিরাপত্তা পরিস্থিতি পুনর্মূল্যায়নের জন্য হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে সহায়তার কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও)। এর ফলে যুদ্ধবিরতি কতটা টেকসই হবে এবং বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে স্বাভাবিক নৌচলাচল কত দ্রুত ফিরবে, তা নিয়ে নতুন করে প্
হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, এই তহবিলের সিংহভাগ অর্থ, অর্থাৎ ৬৭ বিলিয়ন বা ছয় হাজার ৭০০ কোটি ডলার দেশটির প্রতিরক্ষা বিভাগের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২১ বিলিয়ন ডলার গোলাবারুদ কেনার জন্য, ১৭ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার পরিচালন ব্যয় ও ১২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার গোপন বা ক্লাসিফায়েড কর্মসূচির জন্য রাখা হয়েছ
রুবিওর বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা আগেই সুইজারল্যান্ডে ইরান প্রতিনিধি দলের প্রধান ও দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে বলেন, 'সবাইকে জানতে হবে, যুদ্ধের আগে যেভাবে হরমুজ প্রণালি পরিচালিত হতো, সেই অবস্থায় তা আর কখনো ফিরবে না। এই প্রণালি ইরানের ব্যবস্থাপনায় চলবে।'
এর আগে চলতি মাসের শুরুতে প্রতিনিধি পরিষদেও (হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) একই ধরনের প্রস্তাব অল্প ব্যবধানে পাস হয়েছিল। ফলে প্রথমবারের মতো কংগ্রেসের উভয় কক্ষই একজন প্রেসিডেন্টকে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব অনুমোদন করল।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই মঙ্গলবার বলেন, সুইজারল্যান্ডে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আইএইএর মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসির কোনো বৈঠক হয়নি। পাশাপাশি জাতিসংঘের এই পারমাণবিক তদারকি সংস্থাকে ইরানের ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়ারও কোনো পরিকল্পনা নেই।
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত একটি ইউএফসি ফ্রিডম ২৫০ মিক্সড মার্শাল আর্টস ইভেন্টকে লক্ষ্য করে সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ষড়যন্ত্রের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ট্রাম্প এমন সময়ে এমন হুমকি দিয়েছেন যখন সুইজারল্যান্ডে মুখোমুখি আলোচনায় বসেছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের পক্ষে সংসদের স্পিকার বাঘের গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আলোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন। মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে রয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স ও ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটক
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, যুদ্ধবিরতি চলাকালীন ৬০ দিন বা তারপরও এই প্রণালিতে কাউকে কোনো টোল দিতে হবে না। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দুপক্ষ চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে টোল আরোপ করবে।