
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

চরম অর্থনৈতিক সংকট ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে ইরানে চলমান বিক্ষোভে গুলি চালালে যুক্তরাষ্ট্র বিক্ষোভকারীদের উদ্ধারে এগিয়ে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
ওই পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প লেখেন, ‘শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের যদি ইরান গুলি করে ও সহিংসভাবে হত্যা করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের উদ্ধারে এগিয়ে আসতে প্রস্তুত।’
‘আমরা সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত, যেকোনো সময় ইরানে পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে,’— বলেন ট্রাম্প।
গত রোববার তেহরানের খোলাবাজারে মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইরানের রিয়ালের মান রেকর্ড সর্বনিম্নে পৌঁছায়। সেদিন থেকেই স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ রেখে আন্দোলন শুরু করেন। বৃহস্পতিবার টানা পঞ্চম দিনের বিক্ষোভ চলাকালে ট্রাম্প এই হুঁশিয়ারি দিলেন।
এ ছাড়া বৃহস্পতিবার এক লিখিত বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্র ইরানের অস্থিরতাকে দেশটির জনগণের যৌক্তিক ক্ষোভ প্রকাশ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘এই বিক্ষোভ ইরানের জনগণের সরকারের ব্যর্থতা ও অজুহাতের বিরুদ্ধে তাদের যৌক্তি ক্ষোভকে প্রতিফলিত করে।’
বিবৃতিতে তেহরানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয় যে, তারা কয়েক দশক ধরে অর্থনীতি, কৃষি, পানি ও বিদ্যুৎ খাতকে অবহেলা করেছে, অথচ একই সময়ে ‘সন্ত্রাসী প্রক্সি ও পারমাণবিক অস্ত্র গবেষণায় বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার অপচয় করেছে।’ যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে’ ইরানের সম্পৃক্ততার অভিযোগও আনা হয় বিবৃতিতে।
ইরানে চলমান এই বিক্ষোভ এরই মধ্যে সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে কমপক্ষে ছয়জন বিক্ষোভকারী নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
তেহরান ও ইসফাহান থেকে শুরু করে লোরেস্তান, খুজেস্তান, মারভদাশত, মাজানদারান, কেরমানশাহ ও হামেদানসহ অনেক এলাকায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় বিক্ষোভ দমনে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে তেহরান সরকার।
সরকারের মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি বলেছেন, সরকার ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি সংলাপে বসতে রাজি। তবে একই সঙ্গে কঠোর অবস্থানের কথাও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বুধবার ইরানের অ্যাটর্নি জেনারেল সতর্ক করে বলেন, অর্থনৈতিক বিক্ষোভকে অস্থিরতা তৈরি, সরকারি সম্পদ ধ্বংস বা বিদেশি ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের হাতিয়ার বানানোর যেকোনো চেষ্টা আইনি ও কঠোর জবাবের মুখে পড়বে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা করে বিক্ষোভকারীদের ‘যৌক্তিক দাবি’ স্বীকার করেন এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতি উন্নয়নে সরকারকে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

চরম অর্থনৈতিক সংকট ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে ইরানে চলমান বিক্ষোভে গুলি চালালে যুক্তরাষ্ট্র বিক্ষোভকারীদের উদ্ধারে এগিয়ে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
ওই পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প লেখেন, ‘শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের যদি ইরান গুলি করে ও সহিংসভাবে হত্যা করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের উদ্ধারে এগিয়ে আসতে প্রস্তুত।’
‘আমরা সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত, যেকোনো সময় ইরানে পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে,’— বলেন ট্রাম্প।
গত রোববার তেহরানের খোলাবাজারে মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইরানের রিয়ালের মান রেকর্ড সর্বনিম্নে পৌঁছায়। সেদিন থেকেই স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ রেখে আন্দোলন শুরু করেন। বৃহস্পতিবার টানা পঞ্চম দিনের বিক্ষোভ চলাকালে ট্রাম্প এই হুঁশিয়ারি দিলেন।
এ ছাড়া বৃহস্পতিবার এক লিখিত বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্র ইরানের অস্থিরতাকে দেশটির জনগণের যৌক্তিক ক্ষোভ প্রকাশ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘এই বিক্ষোভ ইরানের জনগণের সরকারের ব্যর্থতা ও অজুহাতের বিরুদ্ধে তাদের যৌক্তি ক্ষোভকে প্রতিফলিত করে।’
বিবৃতিতে তেহরানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয় যে, তারা কয়েক দশক ধরে অর্থনীতি, কৃষি, পানি ও বিদ্যুৎ খাতকে অবহেলা করেছে, অথচ একই সময়ে ‘সন্ত্রাসী প্রক্সি ও পারমাণবিক অস্ত্র গবেষণায় বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার অপচয় করেছে।’ যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে’ ইরানের সম্পৃক্ততার অভিযোগও আনা হয় বিবৃতিতে।
ইরানে চলমান এই বিক্ষোভ এরই মধ্যে সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে কমপক্ষে ছয়জন বিক্ষোভকারী নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
তেহরান ও ইসফাহান থেকে শুরু করে লোরেস্তান, খুজেস্তান, মারভদাশত, মাজানদারান, কেরমানশাহ ও হামেদানসহ অনেক এলাকায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় বিক্ষোভ দমনে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে তেহরান সরকার।
সরকারের মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি বলেছেন, সরকার ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি সংলাপে বসতে রাজি। তবে একই সঙ্গে কঠোর অবস্থানের কথাও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বুধবার ইরানের অ্যাটর্নি জেনারেল সতর্ক করে বলেন, অর্থনৈতিক বিক্ষোভকে অস্থিরতা তৈরি, সরকারি সম্পদ ধ্বংস বা বিদেশি ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের হাতিয়ার বানানোর যেকোনো চেষ্টা আইনি ও কঠোর জবাবের মুখে পড়বে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা করে বিক্ষোভকারীদের ‘যৌক্তিক দাবি’ স্বীকার করেন এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতি উন্নয়নে সরকারকে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

সর্বশেষ বৈঠক তাদের অংশীদারিত্বের অন্তর্নিহিত সীমাবদ্ধতাকেও নতুন করে সামনে এনেছে। রাশিয়ার ওপর জ্বালানিগত নির্ভরতা নিয়ে বেইজিংয়ের দ্বিধা, নিজস্ব কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন অক্ষুণ্ন রাখার প্রয়াস এবং তাদের সুদূরপ্রসারী বৈশ্বিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা এটাই প্রমাণ করে যে— মস্কোর সঙ্গে ঠিক কতখানি এবং কোন প্রক্রিয়ায় অংশীদা
১০ ঘণ্টা আগে
এমন এক কঠিন পরিস্থিতির মাঝেই ইরান সরকার তাদের পুরনো ও প্রতিষ্ঠিত প্রচারণামূলক কৌশল অর্থাৎ ‘জাতীয় প্রতিরোধ’ এবং ‘পশ্চিমা খলনায়ক’ তত্ত্ব ব্যবহার করে চলেছে। তবে এবার তারা পুরনো কিছু বিপ্লবী প্রতীক বাদ দিচ্ছে বা এড়িয়ে যাচ্ছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন কর্মকর্তাদের ধারণা, প্রায় এক বছর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিমান হামলার পর ইরান তাদের অস্ত্র তৈরির উপযোগী সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বিশাল মজুত মাটির নিচে লুকিয়ে রেখেছে। সেই মজুত উদ্ধারের প্রত্যয় ব্যক্ত করে ট্রাম্প বলেন, মার্কিন বাহিনীর ওই ইউরেনিয়ামের কোনো প্রয়োজন বা লোভ নেই, তবে তারা এটি ইরানের হ
১৬ ঘণ্টা আগে
ভারতের শীর্ষ দুই শিল্পগোষ্ঠী মুকেশ আম্বানির রিলায়েন্স গ্রুপে নিজেদের বিনিয়োগ ক্রমান্বয়ে কমিয়ে সম্প্রতি গৌতম আদানির আদানি গ্রুপের তিনটি কোম্পানিতে ২০০ কোটি ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ করেছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মার্কিন বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান ক্যাপিটাল গ্রুপ।
১৭ ঘণ্টা আগে