
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম প্রধান রুট হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ট্রাম্পের দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। ট্রাম্পকে ‘ভারসাম্যহীন’ বলে উল্লেখ করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড। উলটো দেশটির এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য তাদের পক্ষ থেকে ‘বড় চমক’ অপেক্ষা করছে!
শনিবার (৪ এপ্রিল) ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন। বলেন, এর মধ্যে ইরান চুক্তি না করলে তাদের ওপর ‘দোজখের আগুন’ নামিয়ে আনা হবে।
এর আগে ট্রাম্প গত ২৭ মার্চ ইরানকে চুক্তি করা বা হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য ১০ দিন সময় দেন। ওই আলটিমেটামের শেষ ৪৮ ঘণ্টার কথাই মূলত নতুন আলটিমেটামে মনে করিয়ে দেন তিনি।
ট্রাম্প লিখেছেন, “মনে আছে, আমি ইরানকে চুক্তি করা অথবা হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য ১০ দিন সময় দিয়েছিলাম? সময় শেষ হয়ে আসছে। তাদের ওপর ‘দোজখের আগুন’ নেমে আসার আর মাত্র ৪৮ ঘণ্টা বাকি।”
ট্রাম্পের এ আলটিমেটাম সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড। দেশটির জেনারেল আলি আবদুল্লাহি আলিয়াবাদি এ হুমকিকে ‘অসহায়, অস্থির, ভারসাম্যহীন ও বোকামিপূর্ণ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।
ট্রাম্পকেই উলটো হুঁশিয়ারি দিয়ে জেনারেল আলিয়াবাদি বলেন, ‘তোমাদের জন্যই ভয়াবহ পরিস্থিতির দরজা খুলে যাবে।’
এদিকে ইরানের একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য একটি ‘বড় চমক’ অপেক্ষা করছে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, চলমান যুদ্ধে ইরান ‘নিজস্ব পরিকল্পনা ও সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুর তালিকা’ অনুযায়ী এগিয়ে যাচ্ছে।
ইরানের সংবাদমাধ্যম ফারস ওই নিরাপত্তা কর্মকর্তার বিবৃতি প্রকাশ করলেও তার নাম প্রকাশ করেনি। বিবৃতিতে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও তার অনুগত শাসকগোষ্ঠীর জন্য আমাদের একটি বড় চমক রয়েছে। অল্প কিছু সময়ের মধ্যে তারা সেটা দেখতে পাবে।’
যুক্তরাষ্ট্র যেসব হামলা চালাচ্ছে সেগুলোর লক্ষ্যবস্তু ‘যথাযথ নয়’ বলেও মন্তব্য করেন ইরানের ওই নিরাপত্তা কর্মকর্তা। ইরানের সেতুতে ট্রাম্পের হামলার হুমকিকে ‘হাস্যকর’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়াসহ মার্কিন সামরিক অভিযানের ব্যর্থতার কারণে তিনি এমন হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন।’
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ‘আচরণ’ ঘটনাপ্রবাহের গতিপথ ইরানের অনুকূলে বদলে দিতে পারে বলেও জানান ওই নিরাপত্তা কর্মকর্তা। ইরানের দক্ষিণাঞ্চল বলতে তিনি হরমুজ প্রণালি ও এর সংলগ্ন এলাকাগুলোর দিকে ইঙ্গিত করেছেন, যেখানে মার্কিন সেনা উপস্থিতি বাড়ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানের ওই এলাকায় সেনা উপস্থিতি বাড়ানো মূলত ইরানে মার্কিন স্থল অভিযানের ইঙ্গিত দেয়। ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেও এর আগে ইরানে স্থল অভিযানের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তবে ইরান বরাবরই বলে আসছে, স্থল অভিযান শুরু করা হবে মার্কিনিদের জন্য সবচেয়ে বড় ভুল।
সূত্র: বিবিসি, আল জাজিরা ও গার্ডিয়ান

বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম প্রধান রুট হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ট্রাম্পের দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। ট্রাম্পকে ‘ভারসাম্যহীন’ বলে উল্লেখ করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড। উলটো দেশটির এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য তাদের পক্ষ থেকে ‘বড় চমক’ অপেক্ষা করছে!
শনিবার (৪ এপ্রিল) ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন। বলেন, এর মধ্যে ইরান চুক্তি না করলে তাদের ওপর ‘দোজখের আগুন’ নামিয়ে আনা হবে।
এর আগে ট্রাম্প গত ২৭ মার্চ ইরানকে চুক্তি করা বা হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য ১০ দিন সময় দেন। ওই আলটিমেটামের শেষ ৪৮ ঘণ্টার কথাই মূলত নতুন আলটিমেটামে মনে করিয়ে দেন তিনি।
ট্রাম্প লিখেছেন, “মনে আছে, আমি ইরানকে চুক্তি করা অথবা হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য ১০ দিন সময় দিয়েছিলাম? সময় শেষ হয়ে আসছে। তাদের ওপর ‘দোজখের আগুন’ নেমে আসার আর মাত্র ৪৮ ঘণ্টা বাকি।”
ট্রাম্পের এ আলটিমেটাম সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড। দেশটির জেনারেল আলি আবদুল্লাহি আলিয়াবাদি এ হুমকিকে ‘অসহায়, অস্থির, ভারসাম্যহীন ও বোকামিপূর্ণ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।
ট্রাম্পকেই উলটো হুঁশিয়ারি দিয়ে জেনারেল আলিয়াবাদি বলেন, ‘তোমাদের জন্যই ভয়াবহ পরিস্থিতির দরজা খুলে যাবে।’
এদিকে ইরানের একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য একটি ‘বড় চমক’ অপেক্ষা করছে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, চলমান যুদ্ধে ইরান ‘নিজস্ব পরিকল্পনা ও সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুর তালিকা’ অনুযায়ী এগিয়ে যাচ্ছে।
ইরানের সংবাদমাধ্যম ফারস ওই নিরাপত্তা কর্মকর্তার বিবৃতি প্রকাশ করলেও তার নাম প্রকাশ করেনি। বিবৃতিতে ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও তার অনুগত শাসকগোষ্ঠীর জন্য আমাদের একটি বড় চমক রয়েছে। অল্প কিছু সময়ের মধ্যে তারা সেটা দেখতে পাবে।’
যুক্তরাষ্ট্র যেসব হামলা চালাচ্ছে সেগুলোর লক্ষ্যবস্তু ‘যথাযথ নয়’ বলেও মন্তব্য করেন ইরানের ওই নিরাপত্তা কর্মকর্তা। ইরানের সেতুতে ট্রাম্পের হামলার হুমকিকে ‘হাস্যকর’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়াসহ মার্কিন সামরিক অভিযানের ব্যর্থতার কারণে তিনি এমন হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন।’
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ‘আচরণ’ ঘটনাপ্রবাহের গতিপথ ইরানের অনুকূলে বদলে দিতে পারে বলেও জানান ওই নিরাপত্তা কর্মকর্তা। ইরানের দক্ষিণাঞ্চল বলতে তিনি হরমুজ প্রণালি ও এর সংলগ্ন এলাকাগুলোর দিকে ইঙ্গিত করেছেন, যেখানে মার্কিন সেনা উপস্থিতি বাড়ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানের ওই এলাকায় সেনা উপস্থিতি বাড়ানো মূলত ইরানে মার্কিন স্থল অভিযানের ইঙ্গিত দেয়। ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেও এর আগে ইরানে স্থল অভিযানের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তবে ইরান বরাবরই বলে আসছে, স্থল অভিযান শুরু করা হবে মার্কিনিদের জন্য সবচেয়ে বড় ভুল।
সূত্র: বিবিসি, আল জাজিরা ও গার্ডিয়ান

নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি ছবি শেয়ার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবিতে তার পেছনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের দৃশ্য আর ছবির ওপর বড় অক্ষরে লেখা— ‘নো মোর মি. নাইস গাই!’ (ভদ্র সাজার দিন শেষ!)।
১৫ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া উচিত নয়— এ বিষয়ে ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস তার সঙ্গে একমত। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) হোয়াইট হাউজে রাজা চার্লস ও রানি ক্যামিলার সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। এর আগে দিন এই দুই নেতা দ্বিপাক
১৫ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত এবং এর ফলে সৃষ্ট লাগামহীন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে বর্তমান মেয়াদে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় বড় ধরনের ধস নেমেছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘ ৫৭ দিন বন্ধ থাকার পর ইরানের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ইমাম খোমেনি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট আবারও চালু হয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আকাশসীমা বন্ধ থাকায় তেহরানের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথটি দীর্ঘদিন অচল ছিল। আকাশসীমা পুনরায় খুলে দেওয়ার পর দুই দিন ধরে সীমিত পরিসরে ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে