
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

লেবাননসহ সমস্ত ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতি, ইরানের নিকটবর্তী অঞ্চলগুলো থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার এবং মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণের শর্তে ওয়াশিংটনের কাছে নতুন একটি শান্তি প্রস্তাব পাঠিয়েছে তেহরান। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
মঙ্গলবার (১৯ মে) রয়টার্সের খবরে বলা হয়, নতুন এই প্রস্তাবের বিষয়ে ইরানের পক্ষে প্রথমবারের মতো মন্তব্য করেছেন দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদী।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনাকে তিনি জানান, তেহরানের এই প্রস্তাবে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, অবরুদ্ধ করে রাখা তহবিল ফেরত এবং ইরানের ওপর মার্কিন নৌ অবরোধ তুলে নেওয়ার দাবিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এদিকে ইসলামাবাদের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তারা ইরানের এই নতুন প্রস্তাবটি ওয়াশিংটনের কাছে পৌঁছে দিয়েছে।
ইরানি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এই শর্তগুলো তেহরানের আগের প্রস্তাবেরই অনুরূপ, যা গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প 'আবর্জনা' বলে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। তবে সোমবার ট্রাম্প জানান, তেহরানের কাছ থেকে নতুন এই প্রস্তাব পাওয়ার পর তিনি ইরানে পুনরায় হামলা চালানোর পরিকল্পনা আপাতত স্থগিত করেছেন।
বিশ্ববাজারে তেল ও অন্যান্য পণ্য সরবরাহের অন্যতম প্রধান রুট হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করার জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর ব্যাপক চাপ রয়েছে। এর আগে ট্রাম্প আশা প্রকাশ করেছিলেন যে সংঘাতের অবসান ঘটাতে একটি চুক্তি আসন্ন। তবে একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, তেহরান চুক্তিতে না এলে ইরানে ভয়াবহ হামলা চালানো হবে।
এদিকে গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প জানিয়েছেন, আজ মঙ্গলবার তিনি ইরানের ওপর নতুন করে বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা করছিলেন। তবে উপসাগরীয় আরব মিত্রদের ‘অনুরোধে’ তিনি এই হামলা স্থগিত করেছেন। তবে নতুন করে হামলা চালাতে মার্কিন সামরিক বাহিনী কোনো প্রস্তুতি নিয়েছিল কি না, তা নিশ্চিত করতে পারেনি রয়টার্স।
ট্রাম্প আরও জানান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের নেতারা তাকে হামলা স্থগিত রাখার অনুরোধ করেছেন। কারণ হিসেবে তারা বলেছেন, ‘এমন একটি চুক্তি হতে যাচ্ছে যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং মধ্যপ্রাচ্যসহ অন্যান্য দেশের জন্য অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য হবে।’
পরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে— এমন একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারলেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সন্তুষ্ট হবে। তিনি বলেন, ‘মনে হচ্ছে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর খুব ভালো সুযোগ রয়েছে। আমরা যদি তাদের ওপর ব্যাপক বোমা হামলা না চালিয়ে এটি করতে পারি, তবে আমি খুব খুশি হব।’
আলোচনায় মিশ্র সংকেত
মাসখানেক ধরে ঝুলে থাকা শান্তি আলোচনায় কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে ছাড় দেওয়ার কথা স্বীকার করেনি। তবে সোমবার ইরানের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ওয়াশিংটন হয়তো তাদের কিছু দাবিতে নরম অবস্থান নিতে শুরু করেছে।
ইরানি ওই সূত্রটির দাবি, বিদেশি ব্যাংকে আটকে থাকা ইরানের মোট তহবিলের এক-চতুর্থাংশ (যা প্রায় কয়েক হাজার কোটি ডলার) ছেড়ে দিতে রাজি হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যদিও ইরান তাদের সমস্ত সম্পদ একবারে ফেরত চায়। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) তত্ত্বাবধানে ইরানকে সীমিত পরিসরে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে দিতে ওয়াশিংটন কিছুটা নমনীয়তা দেখিয়েছে বলেও জানিয়েছে সূত্রটি।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এই সমঝোতার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই নিশ্চিত করা হয়নি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন মার্কিন কর্মকর্তা ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির একটি প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছেন, যেখানে দাবি করা হয়েছিল যে আলোচনা চলাকালীন ইরানের ওপর থেকে তেল নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে রাজি হয়েছে ওয়াশিংটন।
গত এপ্রিলের শুরুতে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার আগ পর্যন্ত মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানে হাজারও মানুষ নিহত হন। অন্যদিকে, ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ মিলিশিয়াদের দমনের নামে লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসনে আরও হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এবং কয়েক লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। পাশাপাশি ইসরায়েল ও পার্শ্ববর্তী উপসাগরীয় দেশগুলোতে ইরানের পালটা হামলায় বেশ কিছু মানুষ নিহত হন।
বর্তমানে ইরানের সাথে যুদ্ধবিরতি মূলত কার্যকর থাকলেও, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরাক থেকে সৌদি আরব ও কুয়েতসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর দিকে ড্রোন ছুড়েছে ইরান ও তার মিত্ররা।
ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছিলেন, আঞ্চলিক মিলিশিয়াদের প্রতি ইরানের সমর্থন বন্ধ করা, পারমাণবিক কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করা এবং ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থা পতনের পরিবেশ তৈরি করতেই তারা এই যুদ্ধ শুরু করেছিলেন।
তবে এই যুদ্ধ এখনো ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত কিংবা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে প্রতিবেশীদের লক্ষ্যবস্তু করার সক্ষমতা পুরোপুরি খর্ব করতে পারেনি। এমনকি বছরের শুরুতে অভ্যন্তরীণ গণবিক্ষোভের মুখে পড়া ইরানের ইসলামিক শাসনব্যবস্থাও এই পরাশক্তিদের আক্রমণ শক্ত হাতে মোকাবিলা করেছে এবং দেশটিতে দৃশ্যমান কোনো সংগঠিত বিরোধী দলের অস্তিত্বও দেখা যায়নি।
রাজনীতি/আইআর

লেবাননসহ সমস্ত ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতি, ইরানের নিকটবর্তী অঞ্চলগুলো থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার এবং মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণের শর্তে ওয়াশিংটনের কাছে নতুন একটি শান্তি প্রস্তাব পাঠিয়েছে তেহরান। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
মঙ্গলবার (১৯ মে) রয়টার্সের খবরে বলা হয়, নতুন এই প্রস্তাবের বিষয়ে ইরানের পক্ষে প্রথমবারের মতো মন্তব্য করেছেন দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিবাবাদী।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনাকে তিনি জানান, তেহরানের এই প্রস্তাবে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, অবরুদ্ধ করে রাখা তহবিল ফেরত এবং ইরানের ওপর মার্কিন নৌ অবরোধ তুলে নেওয়ার দাবিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এদিকে ইসলামাবাদের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তারা ইরানের এই নতুন প্রস্তাবটি ওয়াশিংটনের কাছে পৌঁছে দিয়েছে।
ইরানি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এই শর্তগুলো তেহরানের আগের প্রস্তাবেরই অনুরূপ, যা গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প 'আবর্জনা' বলে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। তবে সোমবার ট্রাম্প জানান, তেহরানের কাছ থেকে নতুন এই প্রস্তাব পাওয়ার পর তিনি ইরানে পুনরায় হামলা চালানোর পরিকল্পনা আপাতত স্থগিত করেছেন।
বিশ্ববাজারে তেল ও অন্যান্য পণ্য সরবরাহের অন্যতম প্রধান রুট হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করার জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর ব্যাপক চাপ রয়েছে। এর আগে ট্রাম্প আশা প্রকাশ করেছিলেন যে সংঘাতের অবসান ঘটাতে একটি চুক্তি আসন্ন। তবে একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, তেহরান চুক্তিতে না এলে ইরানে ভয়াবহ হামলা চালানো হবে।
এদিকে গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প জানিয়েছেন, আজ মঙ্গলবার তিনি ইরানের ওপর নতুন করে বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা করছিলেন। তবে উপসাগরীয় আরব মিত্রদের ‘অনুরোধে’ তিনি এই হামলা স্থগিত করেছেন। তবে নতুন করে হামলা চালাতে মার্কিন সামরিক বাহিনী কোনো প্রস্তুতি নিয়েছিল কি না, তা নিশ্চিত করতে পারেনি রয়টার্স।
ট্রাম্প আরও জানান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের নেতারা তাকে হামলা স্থগিত রাখার অনুরোধ করেছেন। কারণ হিসেবে তারা বলেছেন, ‘এমন একটি চুক্তি হতে যাচ্ছে যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং মধ্যপ্রাচ্যসহ অন্যান্য দেশের জন্য অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য হবে।’
পরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে— এমন একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারলেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সন্তুষ্ট হবে। তিনি বলেন, ‘মনে হচ্ছে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর খুব ভালো সুযোগ রয়েছে। আমরা যদি তাদের ওপর ব্যাপক বোমা হামলা না চালিয়ে এটি করতে পারি, তবে আমি খুব খুশি হব।’
আলোচনায় মিশ্র সংকেত
মাসখানেক ধরে ঝুলে থাকা শান্তি আলোচনায় কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে ছাড় দেওয়ার কথা স্বীকার করেনি। তবে সোমবার ইরানের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ওয়াশিংটন হয়তো তাদের কিছু দাবিতে নরম অবস্থান নিতে শুরু করেছে।
ইরানি ওই সূত্রটির দাবি, বিদেশি ব্যাংকে আটকে থাকা ইরানের মোট তহবিলের এক-চতুর্থাংশ (যা প্রায় কয়েক হাজার কোটি ডলার) ছেড়ে দিতে রাজি হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যদিও ইরান তাদের সমস্ত সম্পদ একবারে ফেরত চায়। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) তত্ত্বাবধানে ইরানকে সীমিত পরিসরে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে দিতে ওয়াশিংটন কিছুটা নমনীয়তা দেখিয়েছে বলেও জানিয়েছে সূত্রটি।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এই সমঝোতার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই নিশ্চিত করা হয়নি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন মার্কিন কর্মকর্তা ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির একটি প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছেন, যেখানে দাবি করা হয়েছিল যে আলোচনা চলাকালীন ইরানের ওপর থেকে তেল নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে রাজি হয়েছে ওয়াশিংটন।
গত এপ্রিলের শুরুতে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার আগ পর্যন্ত মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় ইরানে হাজারও মানুষ নিহত হন। অন্যদিকে, ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ মিলিশিয়াদের দমনের নামে লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসনে আরও হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এবং কয়েক লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। পাশাপাশি ইসরায়েল ও পার্শ্ববর্তী উপসাগরীয় দেশগুলোতে ইরানের পালটা হামলায় বেশ কিছু মানুষ নিহত হন।
বর্তমানে ইরানের সাথে যুদ্ধবিরতি মূলত কার্যকর থাকলেও, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরাক থেকে সৌদি আরব ও কুয়েতসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর দিকে ড্রোন ছুড়েছে ইরান ও তার মিত্ররা।
ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছিলেন, আঞ্চলিক মিলিশিয়াদের প্রতি ইরানের সমর্থন বন্ধ করা, পারমাণবিক কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করা এবং ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থা পতনের পরিবেশ তৈরি করতেই তারা এই যুদ্ধ শুরু করেছিলেন।
তবে এই যুদ্ধ এখনো ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত কিংবা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে প্রতিবেশীদের লক্ষ্যবস্তু করার সক্ষমতা পুরোপুরি খর্ব করতে পারেনি। এমনকি বছরের শুরুতে অভ্যন্তরীণ গণবিক্ষোভের মুখে পড়া ইরানের ইসলামিক শাসনব্যবস্থাও এই পরাশক্তিদের আক্রমণ শক্ত হাতে মোকাবিলা করেছে এবং দেশটিতে দৃশ্যমান কোনো সংগঠিত বিরোধী দলের অস্তিত্বও দেখা যায়নি।
রাজনীতি/আইআর

ট্রাম্পের পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নযোগ্য কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে যখন পণ্যের দাম বাড়ছে, যার পেছনে ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের সঙ্গে শুরু করা যুদ্ধের প্রভাব রয়েছে। ইরান এর পালটা পদক্ষেপ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি ও মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা
১৬ ঘণ্টা আগে
ছয় মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে গত দুই দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান নৌযানকে লক্ষ্য করে সবচেয়ে বড় পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি স্থাপনায় আবারও হামলার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।
২০ ঘণ্টা আগে
আমেরিকান কর্মকর্তাদের মতে, লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালির কাছে ১০টি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার জবাবে সম্প্রতি পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকার লক্ষ্য করে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এতে অন্তত এক নাবিক নিহত এবং একজন নিখোঁজ হন। এর পরই মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা জোরদার করে ইরান।
২০ ঘণ্টা আগে
কোস্টগার্ডের ক্যাপ্টেন নোয়েমি কায়াবিয়াব ফেরিতে থাকা মোট আরোহীর সংখ্যা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের পরপরই উদ্ধার কাজ জোরদার করা হয়েছে। কোড়ন এলাকাটি স্বচ্ছ নীল পানি ও প্রবাল প্রাচীরের জন্য বিশ্বজুড়ে পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হওয়ায়, নিখোঁজদের মধ্যে দেশি-বিদেশি পর্যটক থাকতে পারেন বলে ধারণা ক
১ দিন আগে