
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের সহায়তার জন্য ইসরায়েল গোপনে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা ‘স্টারলিংকে’র রিসিভার পাচার করেছিল বলে দাবি করেছেন দেশটির সাবেক এক প্রধানমন্ত্রী। তবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার সেই পরিকল্পনাটি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ২০২১ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা নাফতালি বেনেত জেরুজালেমে ‘জেএনএস ইন্টারন্যাশনাল পলিসি সামিটে’ বক্তব্য দেওয়ার সময় এই তথ্য জানান।
সাবেক এই ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, তার মেয়াদকালে তিনি নিজেই ‘ইরানে হাজার হাজার স্টারলিংক রিসিভার সংগ্রহ ও পাচারের প্রক্রিয়া’ শুরু করেছিলেন, যাতে দেশটিতে ইন্টারনেট এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সংযোগ সচল রাখা যায়।
ইলন মাস্কের মালিকানাধীন স্পেসএক্সের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হলো স্টারলিংক, যা মূলত কৃত্রিম উপগ্রহের (স্যাটেলাইট) মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা দিয়ে থাকে। ইরানে স্টারলিংক পরিচালনার কোনো বৈধ লাইসেন্স নেই, তবে ইলন মাস্ক এর আগে দাবি করেছিলেন যে সেখানে তাদের সেবা চালু রয়েছে।
নাফতালি বেনেত জানান, ইরানি বিক্ষোভকারীরা যাতে নিজেদের মধ্যে সমন্বয় করতে পারে এবং শেষ পর্যন্ত ইরানি সরকারের পতন ঘটাতে পারে— সেই উদ্দেশ্যেই এই ডিভাইসগুলো পাঠানো হয়েছিল।
এ ছাড়া ইসরায়েলের বর্তমান সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত, ইসরায়েলের বর্তমান অযোগ্য সরকার সেই কাজ বন্ধ করে দেয়। ফলে যখন (ইরানে) বিক্ষোভ শুরু হলো, তখন সেখানে প্রয়োজনীয় সেই অবকাঠামো আর ছিল না।’
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনেতের এই বক্তব্যের বিষয়ে নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। এ বিষয়ে স্পেসএক্সের পক্ষ থেকেও কোনো মন্তব্যও পায়নি রয়টার্স।
রয়টার্স বলছে, ইরানে যখনই কোনো অস্থিরতা বা গণঅসন্তোষ তৈরি হয়, তখনই দেশটির কর্তৃপক্ষ সাধারণ মানুষের ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ বন্ধ করে দেয়। চলতি বছরের জানুয়ারিতে দেশ জুড়ে হওয়া প্রাণঘাতী বিক্ষোভের সময় এবং গত ফেব্রুয়ারির শেষে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরায়েল ও ইরানের যে যুদ্ধ শুরু হয়েছে, সেই পুরোটা সময় জুড়েই ইরানে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছিল।
এর আগেও রয়টার্স জানিয়েছিল, ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের সময়ে কিছু ইরানি নাগরিক স্টারলিংক ইন্টারনেটের সহায়তায় যোগাযোগ সচল রেখেছিলেন। তবে ইরান ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তাদের দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে স্টারলিংকের ডিভাইস পাচারের অভিযোগ এনেছিল।
বর্তমানে নাফতালি বেনেত ইসরায়েলের একটি ডানপন্থি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আগামী অক্টোবরের মধ্যে দেশটিতে সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে এবং নেতানিয়াহুর স্থলাভিষিক্ত হতে যে কজন বিরোধীদলীয় নেতা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, বেনেত তাদের মধ্যে অন্যতম।
বেনেত বলেছেন, ফের ক্ষমতায় ফিরলে তিনি ইরানি সরকারের পতন ঘটানোর লক্ষ্যে কাজ করবেন। তবে এর জন্য সরাসরি সামরিক হামলা না চালিয়ে অর্থনৈতিক ও শিল্প ক্ষেত্রে অন্তর্ঘাতমূলক বা নাশকতামূলক কার্যক্রমের মতো পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের সহায়তার জন্য ইসরায়েল গোপনে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা ‘স্টারলিংকে’র রিসিভার পাচার করেছিল বলে দাবি করেছেন দেশটির সাবেক এক প্রধানমন্ত্রী। তবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার সেই পরিকল্পনাটি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ২০২১ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা নাফতালি বেনেত জেরুজালেমে ‘জেএনএস ইন্টারন্যাশনাল পলিসি সামিটে’ বক্তব্য দেওয়ার সময় এই তথ্য জানান।
সাবেক এই ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, তার মেয়াদকালে তিনি নিজেই ‘ইরানে হাজার হাজার স্টারলিংক রিসিভার সংগ্রহ ও পাচারের প্রক্রিয়া’ শুরু করেছিলেন, যাতে দেশটিতে ইন্টারনেট এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সংযোগ সচল রাখা যায়।
ইলন মাস্কের মালিকানাধীন স্পেসএক্সের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান হলো স্টারলিংক, যা মূলত কৃত্রিম উপগ্রহের (স্যাটেলাইট) মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা দিয়ে থাকে। ইরানে স্টারলিংক পরিচালনার কোনো বৈধ লাইসেন্স নেই, তবে ইলন মাস্ক এর আগে দাবি করেছিলেন যে সেখানে তাদের সেবা চালু রয়েছে।
নাফতালি বেনেত জানান, ইরানি বিক্ষোভকারীরা যাতে নিজেদের মধ্যে সমন্বয় করতে পারে এবং শেষ পর্যন্ত ইরানি সরকারের পতন ঘটাতে পারে— সেই উদ্দেশ্যেই এই ডিভাইসগুলো পাঠানো হয়েছিল।
এ ছাড়া ইসরায়েলের বর্তমান সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত, ইসরায়েলের বর্তমান অযোগ্য সরকার সেই কাজ বন্ধ করে দেয়। ফলে যখন (ইরানে) বিক্ষোভ শুরু হলো, তখন সেখানে প্রয়োজনীয় সেই অবকাঠামো আর ছিল না।’
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনেতের এই বক্তব্যের বিষয়ে নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। এ বিষয়ে স্পেসএক্সের পক্ষ থেকেও কোনো মন্তব্যও পায়নি রয়টার্স।
রয়টার্স বলছে, ইরানে যখনই কোনো অস্থিরতা বা গণঅসন্তোষ তৈরি হয়, তখনই দেশটির কর্তৃপক্ষ সাধারণ মানুষের ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ বন্ধ করে দেয়। চলতি বছরের জানুয়ারিতে দেশ জুড়ে হওয়া প্রাণঘাতী বিক্ষোভের সময় এবং গত ফেব্রুয়ারির শেষে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরায়েল ও ইরানের যে যুদ্ধ শুরু হয়েছে, সেই পুরোটা সময় জুড়েই ইরানে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছিল।
এর আগেও রয়টার্স জানিয়েছিল, ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের সময়ে কিছু ইরানি নাগরিক স্টারলিংক ইন্টারনেটের সহায়তায় যোগাযোগ সচল রেখেছিলেন। তবে ইরান ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তাদের দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে স্টারলিংকের ডিভাইস পাচারের অভিযোগ এনেছিল।
বর্তমানে নাফতালি বেনেত ইসরায়েলের একটি ডানপন্থি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আগামী অক্টোবরের মধ্যে দেশটিতে সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে এবং নেতানিয়াহুর স্থলাভিষিক্ত হতে যে কজন বিরোধীদলীয় নেতা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, বেনেত তাদের মধ্যে অন্যতম।
বেনেত বলেছেন, ফের ক্ষমতায় ফিরলে তিনি ইরানি সরকারের পতন ঘটানোর লক্ষ্যে কাজ করবেন। তবে এর জন্য সরাসরি সামরিক হামলা না চালিয়ে অর্থনৈতিক ও শিল্প ক্ষেত্রে অন্তর্ঘাতমূলক বা নাশকতামূলক কার্যক্রমের মতো পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

সুইজারল্যান্ডে আলোচনার পর জেডি ভ্যান্স জানিয়েছিলেন যে, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার সঙ্গে আলোচনা "আজ থেকেই শুরু হতে পারে"।
৯ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেনের ব্যাপক ড্রোন হামলায় রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে একদিনে ৮৪টি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে রুশ কর্তৃপক্ষ। এর জেরে রাজধানীর চারটি প্রধান বিমানবন্দরে সাময়িকভাবে উড়োজাহাজ চলাচল বন্ধ রাখা হয়। অন্যদিকে রাশিয়ার পালটা হামলায় ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১৩ বছর বয়সী এক
১০ ঘণ্টা আগে
গালফ নিউজের খবরে বলা হয়েছে, রোববার (২১ জুন) শেষ রাতের দিকে রাস লাফানের বারজানের একটি অভ্যন্তরীণ গ্যাস সরবরাহ কেন্দ্রে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই সময় স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, জরুরি উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
১ দিন আগে
ওয়েস্টমিনস্টারে ফিরে আসা বার্নহ্যাম সোমবার (২২ জুন) হাউজ অব কমন্সে শপথ নেন। হাউজ অব কমন্সে তার শপথ গ্রহণ ঘিরে লেবার পার্টির এমপিদের উচ্ছ্বাস ও দলটির জ্যেষ্ঠ নেতাদের প্রকাশ্য সমর্থন নতুন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে তাকে স্পষ্টভাবে এগিয়ে দিয়েছে।
১ দিন আগে