
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে ইরান। আর এসব হামলা চালানোর আগে চীনা স্যাটেলাইট থেকে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করেছে দেশটি।
বুধবারের (১৫ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস।
ফাঁস হওয়া ইরানি সামরিক নথির বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘টিইই–০১বি’ নামের এই স্যাটেলাইট চীনা কোম্পানি ‘আর্থ আই’ তৈরি ও উৎক্ষেপণ করেছিল। চীন স্যাটেলাইটটি মহাকাশে পাঠানোর পর ২০২৪ সালের শেষের দিকে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্স এর নিয়ন্ত্রণ নেয়।
ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস বলেছে, ইরানি সামরিক কমান্ডাররা এই স্যাটেলাইটকে গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দিয়েছিলেন। গত মার্চে ওইসব স্থানে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগে এবং পরে এ স্যাটেলাইট থেকেই ছবি তোলা হয়েছিল।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চুক্তির অংশ হিসেবে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বেইজিংভিত্তিক কোম্পানি ‘এমপোস্যাট’-এর গ্রাউন্ড স্টেশনগুলো ব্যবহারের সুযোগ পেয়েছে। এর মাধ্যমে তারা এশিয়া ও লাতিন আমেরিকাসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে স্যাটেলাইটের তথ্য সংগ্রহ করতে পারছে।
তবে রয়টার্স এ খবরের সত্যতা যাচাই করতে পারেনি। হোয়াইট হাউস, সিআইএ, পেন্টাগন কিংবা চীনের কোনো দপ্তরই এ নিয়ে এখনো মুখ খোলেনি। এমনকি সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোও কোনো মন্তব্য করেনি।
এমপোস্যাটের সঙ্গে আইআরজিসির সম্পর্ক নিয়ে হোয়াইট হাউস সরাসরি কিছু বলেনি। তবে এ খবর ট্রাম্পের সেই হুঁশিয়ারির কথা মনে করিয়ে দিয়েছে, যেখানে তিনি বলেছিলেন, ইরানকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিলে চীনের ‘বড় সমস্যা’ হবে। এদিকে, চীনা দূতাবাস একে ‘বানোয়াট অপপ্রচার’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
তথ্য বলছে, ১৩-১৫ মার্চ ওই স্যাটেলাইট সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান ঘাঁটির ছবি তুলেছিল এবং ১৪ মার্চ ট্রাম্প সেখানে মার্কিন বিমান আক্রান্ত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেন। এ ছাড়াও জর্ডান, বাহরাইন ও ইরাকের মার্কিন ঘাঁটিগুলোর ওপরও ঠিক হামলার সময়েই নজরদারি চালিয়েছিল এই স্যাটেলাইট।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে ইরান। আর এসব হামলা চালানোর আগে চীনা স্যাটেলাইট থেকে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করেছে দেশটি।
বুধবারের (১৫ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস।
ফাঁস হওয়া ইরানি সামরিক নথির বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘টিইই–০১বি’ নামের এই স্যাটেলাইট চীনা কোম্পানি ‘আর্থ আই’ তৈরি ও উৎক্ষেপণ করেছিল। চীন স্যাটেলাইটটি মহাকাশে পাঠানোর পর ২০২৪ সালের শেষের দিকে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্স এর নিয়ন্ত্রণ নেয়।
ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস বলেছে, ইরানি সামরিক কমান্ডাররা এই স্যাটেলাইটকে গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দিয়েছিলেন। গত মার্চে ওইসব স্থানে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগে এবং পরে এ স্যাটেলাইট থেকেই ছবি তোলা হয়েছিল।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চুক্তির অংশ হিসেবে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বেইজিংভিত্তিক কোম্পানি ‘এমপোস্যাট’-এর গ্রাউন্ড স্টেশনগুলো ব্যবহারের সুযোগ পেয়েছে। এর মাধ্যমে তারা এশিয়া ও লাতিন আমেরিকাসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে স্যাটেলাইটের তথ্য সংগ্রহ করতে পারছে।
তবে রয়টার্স এ খবরের সত্যতা যাচাই করতে পারেনি। হোয়াইট হাউস, সিআইএ, পেন্টাগন কিংবা চীনের কোনো দপ্তরই এ নিয়ে এখনো মুখ খোলেনি। এমনকি সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোও কোনো মন্তব্য করেনি।
এমপোস্যাটের সঙ্গে আইআরজিসির সম্পর্ক নিয়ে হোয়াইট হাউস সরাসরি কিছু বলেনি। তবে এ খবর ট্রাম্পের সেই হুঁশিয়ারির কথা মনে করিয়ে দিয়েছে, যেখানে তিনি বলেছিলেন, ইরানকে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিলে চীনের ‘বড় সমস্যা’ হবে। এদিকে, চীনা দূতাবাস একে ‘বানোয়াট অপপ্রচার’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
তথ্য বলছে, ১৩-১৫ মার্চ ওই স্যাটেলাইট সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান ঘাঁটির ছবি তুলেছিল এবং ১৪ মার্চ ট্রাম্প সেখানে মার্কিন বিমান আক্রান্ত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেন। এ ছাড়াও জর্ডান, বাহরাইন ও ইরাকের মার্কিন ঘাঁটিগুলোর ওপরও ঠিক হামলার সময়েই নজরদারি চালিয়েছিল এই স্যাটেলাইট।

প্রস্তাবিত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হলে মার্কিন নাগরিক ও কোম্পানিগুলো যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক সম্পদ নিয়ন্ত্রণ দপ্তর (ওএফএসি) থেকে বিশেষ অনুমতি না নিয়ে আইসিসিকে অর্থ, পণ্য বা সেবা দিতে পারবে না। এর আওতায় আদালটির সঙ্গে কাজ করা তৃতীয় পক্ষের প্রতিষ্ঠানও পড়তে পারে।
১২ ঘণ্টা আগে
পেজেশকিয়ান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। যুদ্ধ চললেও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির জন্য ভিসা অনুমোদন করেছে। তবে তাদের চলাচল ও অন্যান্য কার্যক্রমে বিধিনিষেধ থাকবে।
১৩ ঘণ্টা আগে
রোববার অনুষ্ঠিত নির্বাচনের প্রাথমিক ফল অনুযায়ী, উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় মেকলেনবুর্গ-ভোরপোমার্নে এএফডি পেয়েছে প্রায় ৩৮ দশমিক ২ শতাংশ ভোট। ক্ষমতাসীন সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এসপিডি) পেয়েছে ৩৫ দশমিক ৫ শতাংশ। আর সিডিইউ পেয়েছে মাত্র ৪ দশমিক ৯ শতাংশ ভোট, যা দলটির ইতিহাসে কোনো রাজ্য নির্বাচনে সবচেয়ে খারাপ ফল
১৩ ঘণ্টা আগে
ইতোমধ্যে চিবা প্রিফেকচার ও ইজু দ্বীপপুঞ্জসহ উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে। শনিবার থেকে কোনো কোনো এলাকায় ৩০০ মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার বিকেল থেকে কান্তো অঞ্চলে বৃষ্টির তীব্রতা আরও বহুগুণ বাড়তে পারে।
১৭ ঘণ্টা আগে