
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ইসরায়েলের হামলায় এক দিনে ফিলিস্তিনের গাজা ও লেবাননে তিনজন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার (৮ এপ্রিল) গাজা ও লেবাননে প্রাণঘাতী হামলা চালায় ইসরায়েল, এতে সাংবাদিক মোহাম্মদ সামির ওয়াশাহ, ঘাদা দাইয়েখ এবং সুজান খলিল নিহত হন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, আল-জাজিরা মুবাশ্বেরের গাজা প্রতিনিধি মোহাম্মদ সামির ওয়াশাহ গাজা শহরের পশ্চিমে আল-রশিদ স্ট্রিট দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় তার গাড়ি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালায় ইসরায়েল। হামলায় ওয়াশাহর গাড়িটিতে আগুন ধরে যায় এবং তিনি নিহত হন।
এ ছাড়া লেবাননে পৃথক ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন সাওত আল-ফারাহের উপস্থাপক দাইয়েখ এবং আল-মানার টিভি ও আল-নূর রেডিওর প্রতিবেদক ও উপস্থাপক খলিল। ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই লেবানন জুড়ে ইসরায়েলের ব্যাপক বোমাবর্ষণের মধ্যে এসব হত্যাকাণ্ড ঘটে, যেখানে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা সত্ত্বেও কয়েক মিনিটের মধ্যে শতাধিক হামলা চালানো হয়।
গতকাল ইসরায়েলের হামলায় তিন সংবাদিক নিহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)। সংস্থাটি বলছে, নিহতদের মধ্যে অন্তত একজনকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। এ ধরনের হামলার ধারাবাহিকতা দায়মুক্তির ক্রমবর্ধমান পরিবেশ এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি স্পষ্ট অবজ্ঞারই প্রতিফলন।
এই মৃত্যু একটি ভয়াবহ ও দীর্ঘস্থায়ী পরিসংখ্যানের অংশ। সিপিজে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক মানবিক আইনে সাংবাদিকরা বেসামরিক নাগরিক হিসেবে বিবেচিত, তাই তাদের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃত, নির্বিচার বা অসম মাত্রার হামলা স্পষ্টতই যুদ্ধাপরাধ এবং এর তদন্ত হওয়া উচিত।
সিপিজের তথ্য অনুযায়ী, গাজা যুদ্ধ ইতোমধ্যে সাংবাদিকদের জন্য ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী সংঘাতে পরিণত হয়েছে। ২০২৩ সালে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বুধবারের ঘটনাসহ অন্তত ২৬০ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে লেবাননসহ বিভিন্ন অঞ্চলে আরও সাংবাদিক নিহত হয়েছেন, শুধু লেবাননেই সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে অন্তত সাতজন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন।
সিপিজের আঞ্চলিক পরিচালক সারা কুদাহ বলেন, ‘সাংবাদিকদের যেভাবে দ্রুত এবং ব্যাপক হারে হত্যা করা হচ্ছে, তা বিশ্ব বিবেককে নাড়া দেওয়ার মতো। এগুলো বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়, বরং আন্তর্জাতিক আইনে বেসামরিক সাংবাদিকদের জন্য যে ন্যূনতম সুরক্ষা নিশ্চিত করার কথা, তার একটি পদ্ধতিগত ব্যর্থতার প্রতিফলন। জবাবদিহিতা না থাকলে এসব হামলা আরও বাড়বে এবং যারা সহিংসতার মাধ্যমে স্বাধীন সাংবাদিকতাকে স্তব্ধ করতে চায়, তারা আরও উৎসাহিত হবে।’
সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং চলমান হামলা বন্ধ করতে জরুরি আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সিপিজে। সংস্থাটি দাবি জানিয়েছে, গণমাধ্যমকর্মীদের লক্ষ্য করে চালানো সব হত্যাকাণ্ডকে স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে তদন্ত করতে আন্তর্জাতিক কর্তৃপক্ষকে উদ্যোগ নিতে হবে। কারণ ইসরায়েল তার সামরিক বাহিনীর অপরাধ তদন্ত ও বিচারের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরেই অনীহা দেখিয়ে আসছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর ইউনিটের সদস্য থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ কমান্ড পর্যায় পর্যন্ত দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

ইসরায়েলের হামলায় এক দিনে ফিলিস্তিনের গাজা ও লেবাননে তিনজন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার (৮ এপ্রিল) গাজা ও লেবাননে প্রাণঘাতী হামলা চালায় ইসরায়েল, এতে সাংবাদিক মোহাম্মদ সামির ওয়াশাহ, ঘাদা দাইয়েখ এবং সুজান খলিল নিহত হন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, আল-জাজিরা মুবাশ্বেরের গাজা প্রতিনিধি মোহাম্মদ সামির ওয়াশাহ গাজা শহরের পশ্চিমে আল-রশিদ স্ট্রিট দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় তার গাড়ি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালায় ইসরায়েল। হামলায় ওয়াশাহর গাড়িটিতে আগুন ধরে যায় এবং তিনি নিহত হন।
এ ছাড়া লেবাননে পৃথক ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন সাওত আল-ফারাহের উপস্থাপক দাইয়েখ এবং আল-মানার টিভি ও আল-নূর রেডিওর প্রতিবেদক ও উপস্থাপক খলিল। ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই লেবানন জুড়ে ইসরায়েলের ব্যাপক বোমাবর্ষণের মধ্যে এসব হত্যাকাণ্ড ঘটে, যেখানে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা সত্ত্বেও কয়েক মিনিটের মধ্যে শতাধিক হামলা চালানো হয়।
গতকাল ইসরায়েলের হামলায় তিন সংবাদিক নিহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)। সংস্থাটি বলছে, নিহতদের মধ্যে অন্তত একজনকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। এ ধরনের হামলার ধারাবাহিকতা দায়মুক্তির ক্রমবর্ধমান পরিবেশ এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি স্পষ্ট অবজ্ঞারই প্রতিফলন।
এই মৃত্যু একটি ভয়াবহ ও দীর্ঘস্থায়ী পরিসংখ্যানের অংশ। সিপিজে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক মানবিক আইনে সাংবাদিকরা বেসামরিক নাগরিক হিসেবে বিবেচিত, তাই তাদের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃত, নির্বিচার বা অসম মাত্রার হামলা স্পষ্টতই যুদ্ধাপরাধ এবং এর তদন্ত হওয়া উচিত।
সিপিজের তথ্য অনুযায়ী, গাজা যুদ্ধ ইতোমধ্যে সাংবাদিকদের জন্য ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী সংঘাতে পরিণত হয়েছে। ২০২৩ সালে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বুধবারের ঘটনাসহ অন্তত ২৬০ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে লেবাননসহ বিভিন্ন অঞ্চলে আরও সাংবাদিক নিহত হয়েছেন, শুধু লেবাননেই সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে অন্তত সাতজন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন।
সিপিজের আঞ্চলিক পরিচালক সারা কুদাহ বলেন, ‘সাংবাদিকদের যেভাবে দ্রুত এবং ব্যাপক হারে হত্যা করা হচ্ছে, তা বিশ্ব বিবেককে নাড়া দেওয়ার মতো। এগুলো বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়, বরং আন্তর্জাতিক আইনে বেসামরিক সাংবাদিকদের জন্য যে ন্যূনতম সুরক্ষা নিশ্চিত করার কথা, তার একটি পদ্ধতিগত ব্যর্থতার প্রতিফলন। জবাবদিহিতা না থাকলে এসব হামলা আরও বাড়বে এবং যারা সহিংসতার মাধ্যমে স্বাধীন সাংবাদিকতাকে স্তব্ধ করতে চায়, তারা আরও উৎসাহিত হবে।’
সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং চলমান হামলা বন্ধ করতে জরুরি আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সিপিজে। সংস্থাটি দাবি জানিয়েছে, গণমাধ্যমকর্মীদের লক্ষ্য করে চালানো সব হত্যাকাণ্ডকে স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে তদন্ত করতে আন্তর্জাতিক কর্তৃপক্ষকে উদ্যোগ নিতে হবে। কারণ ইসরায়েল তার সামরিক বাহিনীর অপরাধ তদন্ত ও বিচারের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরেই অনীহা দেখিয়ে আসছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর ইউনিটের সদস্য থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ কমান্ড পর্যায় পর্যন্ত দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

ইউরোপে উদ্দেশে রওনা হওয়া অভিবাসন প্রত্যাশীদের একটি নৌকা গত সপ্তাহে লিবিয়া উপকূলে ডুবে গিয়ে অন্তত ৫১ জন নিখোঁজ হয়েছেন বলে জানিয়েছে পর্যবেক্ষণ সংস্থা ‘আবরিন’। এ দুর্ঘটনায় গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত ১০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা এবং নিখোঁজদের মধ্যে ১১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, বাকিদের হদিস মেলেনি।
৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।
১০ ঘণ্টা আগে
৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
১০ ঘণ্টা আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
১২ ঘণ্টা আগে