
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ মোজতবা খামেনি জানিয়েছেন, ব্যক্তিগতভাবে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা নিয়ে তার ভিন্নমত থাকলেও শেষ পর্যন্ত তিনি এতে অনুমোদন দিয়েছেন। তবে একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেছেন, এখন তেহরান চুক্তিতে উল্লেখিত শর্ত বাস্তবায়নের অপেক্ষায় থাকবে এবং ভবিষ্যতে সরাসরি আলোচনা হলেও সেটি যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান মেনে নেওয়ার সমান নয়।
মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন ও বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিতে পাঠানো এক লিখিত বার্তায় খামেনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘হতাশা থেকে’ বিভিন্ন ধরনের চাপ ও কৌশল প্রয়োগ করে এই সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা করেছেন।
খামেনি বলেন, ‘নীতিগতভাবে আমার অবস্থান ভিন্ন ছিল। কিন্তু সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান হিসেবে সম্মানিত প্রেসিডেন্ট ও পরিষদের অন্য সদস্যরা আমাকে আশ্বস্ত করেছেন, তারা ইরানি জনগণ ও প্রতিরোধ অক্ষের অধিকার রক্ষা করবেন এবং এ দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। সেই প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতেই আমি অনুমোদন দিয়েছি।’
ইরানের সর্বোচ্চ এই নেতা আরও বলেন, এখন ইরান চুক্তিতে উল্লেখ করা শর্তগুলো বাস্তবায়ন হওয়ার অপেক্ষা করবে। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, ভবিষ্যতে সম্ভাব্য কোনো মুখোমুখি আলোচনা হলেও সেটিকে ‘শত্রুর অবস্থান মেনে নেওয়া’ হিসেবে দেখা উচিত হবে না।
প্রায় চার মাসের সংঘাতের পর বুধবার প্রত্যাশার দুই দিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান যুদ্ধ অবসানের সমঝোতা স্মারকে সই করেন। এই সমঝোতার আওতায় হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার এবং আগামী ৬০ দিনের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির লক্ষ্যে আলোচনা চালানোর কথা রয়েছে।
চুক্তিটি ঘোষণার পর যুক্তরাষ্ট্রে যেমন এর কার্যকারিতা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে, তেমনি ইরানেও এটি নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। সেই প্রেক্ষাপটে খামেনির এই বক্তব্যকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, তিনি একদিকে সমঝোতার অনুমোদন নিশ্চিত করেছেন, অন্যদিকে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে ওয়াশিংটনকে নিয়ে তেহরানের মৌলিক অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ মোজতবা খামেনি জানিয়েছেন, ব্যক্তিগতভাবে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা নিয়ে তার ভিন্নমত থাকলেও শেষ পর্যন্ত তিনি এতে অনুমোদন দিয়েছেন। তবে একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেছেন, এখন তেহরান চুক্তিতে উল্লেখিত শর্ত বাস্তবায়নের অপেক্ষায় থাকবে এবং ভবিষ্যতে সরাসরি আলোচনা হলেও সেটি যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান মেনে নেওয়ার সমান নয়।
মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন ও বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিতে পাঠানো এক লিখিত বার্তায় খামেনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘হতাশা থেকে’ বিভিন্ন ধরনের চাপ ও কৌশল প্রয়োগ করে এই সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা করেছেন।
খামেনি বলেন, ‘নীতিগতভাবে আমার অবস্থান ভিন্ন ছিল। কিন্তু সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান হিসেবে সম্মানিত প্রেসিডেন্ট ও পরিষদের অন্য সদস্যরা আমাকে আশ্বস্ত করেছেন, তারা ইরানি জনগণ ও প্রতিরোধ অক্ষের অধিকার রক্ষা করবেন এবং এ দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। সেই প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতেই আমি অনুমোদন দিয়েছি।’
ইরানের সর্বোচ্চ এই নেতা আরও বলেন, এখন ইরান চুক্তিতে উল্লেখ করা শর্তগুলো বাস্তবায়ন হওয়ার অপেক্ষা করবে। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, ভবিষ্যতে সম্ভাব্য কোনো মুখোমুখি আলোচনা হলেও সেটিকে ‘শত্রুর অবস্থান মেনে নেওয়া’ হিসেবে দেখা উচিত হবে না।
প্রায় চার মাসের সংঘাতের পর বুধবার প্রত্যাশার দুই দিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান যুদ্ধ অবসানের সমঝোতা স্মারকে সই করেন। এই সমঝোতার আওতায় হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার এবং আগামী ৬০ দিনের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির লক্ষ্যে আলোচনা চালানোর কথা রয়েছে।
চুক্তিটি ঘোষণার পর যুক্তরাষ্ট্রে যেমন এর কার্যকারিতা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে, তেমনি ইরানেও এটি নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। সেই প্রেক্ষাপটে খামেনির এই বক্তব্যকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, তিনি একদিকে সমঝোতার অনুমোদন নিশ্চিত করেছেন, অন্যদিকে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে ওয়াশিংটনকে নিয়ে তেহরানের মৌলিক অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি।

মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন জানান, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) শেষ রাত পর্যন্ত রাশিয়ার রাজধানীর দিকে ধেয়ে আসা অন্তত ১৯৪টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে দেশটির বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা কার্যকর হওয়ার পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে আবারও স্বাভাবিকভাবে তেল পরিবহন শুরু হয়েছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। তবে এর মধ্যে লেবাননে নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এ হামলা মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তির সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
গত প্রায় একবছরের মধ্যে এটিই হবে ওয়াং ইর প্রথম ভারত সফর। এর আগে গত বছরের আগস্টে তিনি নয়াদিল্লি সফর করেন। সফরে অজিত ডোভাল ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।
১৬ ঘণ্টা আগে
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, গত মঙ্গলবার গভীর রাতে সোনহাত থানা এলাকার নওগাইন গ্রামে এ রোমমহর্ষক ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর কোরিয়া জেলা জুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এলাকায় এখনো থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করায় মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য।
১৮ ঘণ্টা আগে