
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটাতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে সরাসরি আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এক খোলা চিঠিতে তিনি পুতিনকে ব্যক্তিগতভাবে সাক্ষাৎ করে শান্তি চুক্তির পথ খুঁজে বের করার প্রস্তাব দেন। একই সঙ্গে সতর্ক করে বলেন, তা না হলে ইউক্রেন নিজের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই চালিয়ে যাবে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) প্রকাশিত ওই চিঠিতে জেলেনস্কি বলেন, দীর্ঘদিনের যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার জনগণের একটি বড় অংশ ইউক্রেনীয় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা, মূল্যস্ফীতি এবং জ্বালানি সংকটে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে এবং তারা শান্তি চায়।
চিঠিটি যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের কাছেও পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়।
জেলেনস্কি বলেন, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান মনোযোগ ইরান-সংকটের দিকে কেন্দ্রীভূত। এ অবস্থায় ইউরোপের যুদ্ধ আবার ওয়াশিংটনের অগ্রাধিকার তালিকায় ফিরে আসার অপেক্ষায় বসে থাকা সঠিক হবে না। তিনি লিখেছেন, ‘ইউরোপের যুদ্ধ আবার আন্তর্জাতিক মনোযোগের কেন্দ্রে ফিরে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করা ভুল হবে।’
ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্টের মতে, শান্তির যেকোনো প্রক্রিয়া শুরু হতে হবে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে। তিনি বলেন, ‘ফ্রন্টলাইনই সেই জায়গা, যেখান থেকে কূটনীতি শুরু হওয়া উচিত।’
চিঠিতে জেলেনস্কি আলোচনার পুরো সময় জুড়ে পূর্ণ যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানান। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তা পর্যবেক্ষণ করার সক্ষমতা রয়েছে বলেও জানান তিনি। তার ভাষায়, ‘আলোচনার পুরো সময়ের জন্য পূর্ণ যুদ্ধবিরতি— এটাই আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত রীতি।’
পুতিনের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের জন্য একটি নির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণের প্রস্তাব দেন জেলেনস্কি। সম্ভাব্য আয়োজক দেশ হিসেবে তিনি সুইজারল্যান্ড, তুরস্ক বা কয়েকটি আরব রাষ্ট্রের নাম উল্লেখ করেন।
পুতিনের উদ্দেশে জেলেনস্কি লিখেছেন, ‘এই যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার পথ নিতে ভয় পাবেন না। এখন আপনার কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এটিই। ইউক্রেন প্রস্তাব করছে, আমাদের— আপনার ও আমার মধ্যে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে এই যুদ্ধের অবসান ঘটানো হোক। আমি একটি বৈঠকের প্রস্তাব দিচ্ছি।’
চিঠিতে জেলেনস্কি ইঙ্গিত দেন, দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত পুতিনের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক অবস্থানকেও ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে। তিনি লিখেছেন, ‘রাশিয়ার ইতিহাসের একটি বাস্তবতা আপনি ভালোভাবেই জানেন— যখন রাশিয়া ক্লান্ত হয়ে পড়ে, তখন পরিবর্তন আসে।’
পর্যবেক্ষকদের মতে, এই মন্তব্যের মাধ্যমে জেলেনস্কি রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ ও সম্ভাব্য রাজনৈতিক চাপের প্রসঙ্গ তুলে ধরেছেন।
এদিকে ক্রেমলিন জানিয়েছে, তারা জেলেনস্কির চিঠি দেখেছে এবং বিষয়টি সম্পর্কে পুতিনকে অবহিত করা হবে। অন্যদিকে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্দ্রি সিবিহা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় বলেন, চিঠিটি আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক চ্যানেলেও পাঠানো হবে।
সিবিহা চিঠিটিকে ‘যুদ্ধ শেষ করার জন্য একটি গুরুতর ও অর্থবহ প্রস্তাব’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, এতে বাস্তবায়নযোগ্য ও স্পষ্ট পদক্ষেপের পাশাপাশি দুই নেতার ব্যক্তিগত বৈঠকের আহ্বান রয়েছে। আএই প্রস্তাবের অর্থবহ জবাব প্রত্যাশা করছি। এখন যুদ্ধ শেষ করার সময়। এখন শান্তিকে বেছে নেওয়ার সময়।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুদ্ধক্ষেত্রে বড় ধরনের অগ্রগতি না হওয়া, রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চাপ ও ন্তর্জাতিক অঙ্গনে মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু মধ্যপ্রাচ্যে সরে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে জেলেনস্কির এই খোলা চিঠি নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগের ইঙ্গিত বহন করছে।
তবে যুদ্ধের চার বছরেরও বেশি সময় পর উভয় পক্ষের অবস্থান এখনো অনেক বিষয়ে পরস্পরবিরোধী। ফলে জেলেনস্কির আহ্বানে ক্রেমলিন ইতিবাচক সাড়া দিলেও তা দ্রুত কোনো শান্তি চুক্তিতে রূপ নেবে কি না, সে বিষয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

চার বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটাতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে সরাসরি আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এক খোলা চিঠিতে তিনি পুতিনকে ব্যক্তিগতভাবে সাক্ষাৎ করে শান্তি চুক্তির পথ খুঁজে বের করার প্রস্তাব দেন। একই সঙ্গে সতর্ক করে বলেন, তা না হলে ইউক্রেন নিজের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই চালিয়ে যাবে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) প্রকাশিত ওই চিঠিতে জেলেনস্কি বলেন, দীর্ঘদিনের যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার জনগণের একটি বড় অংশ ইউক্রেনীয় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা, মূল্যস্ফীতি এবং জ্বালানি সংকটে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে এবং তারা শান্তি চায়।
চিঠিটি যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের কাছেও পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়।
জেলেনস্কি বলেন, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান মনোযোগ ইরান-সংকটের দিকে কেন্দ্রীভূত। এ অবস্থায় ইউরোপের যুদ্ধ আবার ওয়াশিংটনের অগ্রাধিকার তালিকায় ফিরে আসার অপেক্ষায় বসে থাকা সঠিক হবে না। তিনি লিখেছেন, ‘ইউরোপের যুদ্ধ আবার আন্তর্জাতিক মনোযোগের কেন্দ্রে ফিরে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করা ভুল হবে।’
ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্টের মতে, শান্তির যেকোনো প্রক্রিয়া শুরু হতে হবে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে। তিনি বলেন, ‘ফ্রন্টলাইনই সেই জায়গা, যেখান থেকে কূটনীতি শুরু হওয়া উচিত।’
চিঠিতে জেলেনস্কি আলোচনার পুরো সময় জুড়ে পূর্ণ যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানান। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তা পর্যবেক্ষণ করার সক্ষমতা রয়েছে বলেও জানান তিনি। তার ভাষায়, ‘আলোচনার পুরো সময়ের জন্য পূর্ণ যুদ্ধবিরতি— এটাই আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত রীতি।’
পুতিনের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের জন্য একটি নির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণের প্রস্তাব দেন জেলেনস্কি। সম্ভাব্য আয়োজক দেশ হিসেবে তিনি সুইজারল্যান্ড, তুরস্ক বা কয়েকটি আরব রাষ্ট্রের নাম উল্লেখ করেন।
পুতিনের উদ্দেশে জেলেনস্কি লিখেছেন, ‘এই যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার পথ নিতে ভয় পাবেন না। এখন আপনার কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এটিই। ইউক্রেন প্রস্তাব করছে, আমাদের— আপনার ও আমার মধ্যে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে এই যুদ্ধের অবসান ঘটানো হোক। আমি একটি বৈঠকের প্রস্তাব দিচ্ছি।’
চিঠিতে জেলেনস্কি ইঙ্গিত দেন, দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত পুতিনের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক অবস্থানকেও ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে। তিনি লিখেছেন, ‘রাশিয়ার ইতিহাসের একটি বাস্তবতা আপনি ভালোভাবেই জানেন— যখন রাশিয়া ক্লান্ত হয়ে পড়ে, তখন পরিবর্তন আসে।’
পর্যবেক্ষকদের মতে, এই মন্তব্যের মাধ্যমে জেলেনস্কি রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ ও সম্ভাব্য রাজনৈতিক চাপের প্রসঙ্গ তুলে ধরেছেন।
এদিকে ক্রেমলিন জানিয়েছে, তারা জেলেনস্কির চিঠি দেখেছে এবং বিষয়টি সম্পর্কে পুতিনকে অবহিত করা হবে। অন্যদিকে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্দ্রি সিবিহা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় বলেন, চিঠিটি আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক চ্যানেলেও পাঠানো হবে।
সিবিহা চিঠিটিকে ‘যুদ্ধ শেষ করার জন্য একটি গুরুতর ও অর্থবহ প্রস্তাব’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, এতে বাস্তবায়নযোগ্য ও স্পষ্ট পদক্ষেপের পাশাপাশি দুই নেতার ব্যক্তিগত বৈঠকের আহ্বান রয়েছে। আএই প্রস্তাবের অর্থবহ জবাব প্রত্যাশা করছি। এখন যুদ্ধ শেষ করার সময়। এখন শান্তিকে বেছে নেওয়ার সময়।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুদ্ধক্ষেত্রে বড় ধরনের অগ্রগতি না হওয়া, রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চাপ ও ন্তর্জাতিক অঙ্গনে মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু মধ্যপ্রাচ্যে সরে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে জেলেনস্কির এই খোলা চিঠি নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগের ইঙ্গিত বহন করছে।
তবে যুদ্ধের চার বছরেরও বেশি সময় পর উভয় পক্ষের অবস্থান এখনো অনেক বিষয়ে পরস্পরবিরোধী। ফলে জেলেনস্কির আহ্বানে ক্রেমলিন ইতিবাচক সাড়া দিলেও তা দ্রুত কোনো শান্তি চুক্তিতে রূপ নেবে কি না, সে বিষয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।
৬ ঘণ্টা আগে
৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
৬ ঘণ্টা আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
৮ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের হাই-প্রোফাইল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। কিন্তু ট্রাম্প দৃশ্যত রুবিওর পরিবর্তে ভ্যান্সকেই সামনে নিয়ে এসেছেন। ফলে প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে