
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের বিরুদ্ধে ‘খুব কঠোর আঘাত’ করার হুমকি দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অবস্থান বদলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জানিয়েছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে ইরানে বিমান হামলা ও বোমাবর্ষণের পরিকল্পনা আপাতত বাতিল করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের সঙ্গে আলোচনা দেশটির সর্বোচ্চ নেতৃত্বের পর্যায়ে উত্থাপিত ও অনুমোদিত হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে আমি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে আজ রাতের জন্য নির্ধারিত হামলা ও বোমাবর্ষণ বাতিল করেছি।’
কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা ও বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, এ ঘোষণার আগে ট্রাম্প ইরানকে ‘খুব কঠোর আঘাত’ করার হুমকি দিয়েছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, ইরানের নৌ বাহিনী, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার ও আক্রমণাত্মক সামরিক সক্ষমতার বড় অংশ এরই মধ্যে ধ্বংস হয়ে গেছে। একই সঙ্গে তিনি ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ইচ্ছার কথাও প্রকাশ করেছিলেন।
খার্গ দ্বীপ ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র। প্রতিদিন প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল তেল এই টার্মিনাল দিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে যায়, যার বড় অংশের গন্তব্য চীন। বিশ্লেষকদের মতে, দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার যেকোনো প্রচেষ্টা সংঘাতকে আরও বিস্তৃত আকার দিতে পারত।
তবে সবশেষ ঘোষণায় ট্রাম্প সামরিক পদক্ষেপের বদলে আলোচনার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। যদিও তিনি আলোচনায় কোন কোন দেশ জড়িত বা কী ধরনের অগ্রগতি হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি। শুধু ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানের নেতৃত্ব ও মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের সঙ্গে যোগাযোগের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা নতুন করে বেড়ে যায় হরমুজ প্রণালির কাছে একটি মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার ঘটনার পর। এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। ইরানও কুয়েত, জর্ডান ও বাহরাইনে অবস্থিত বিভিন্ন মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলার দাবি করে।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সংঘাতে হাজারও মানুষ নিহত হয়েছে, যার বেশির ভাগই ইরান ও লেবাননের বাসিন্দা। একই সঙ্গে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। যদিও সাম্প্রতিক দিনগুলোতে তেলের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে, বিনিয়োগকারীরা এখন সামরিক উত্তেজনার চেয়ে সম্ভাব্য কূটনৈতিক সমাধানের দিকে বেশি নজর দিচ্ছেন।
এদিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা জোরদার হয়েছে বলে একাধিক ইরানি সূত্র ও পশ্চিমা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। আলোচনায় ইরানের জব্দ করা অর্থ ছাড়, নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণ, লেবাননে সংঘাত ও হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে।
ট্রাম্পের সবশেষ সিদ্ধান্তে তাৎক্ষণিক সংঘাতের ঝুঁকি কিছুটা কমলেও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা কতটা সফল হবে এবং যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা কতটা বাস্তব রূপ পাবে, তা এখনো অনিশ্চিত রয়ে গেছে।

ইরানের বিরুদ্ধে ‘খুব কঠোর আঘাত’ করার হুমকি দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অবস্থান বদলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জানিয়েছেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে ইরানে বিমান হামলা ও বোমাবর্ষণের পরিকল্পনা আপাতত বাতিল করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের সঙ্গে আলোচনা দেশটির সর্বোচ্চ নেতৃত্বের পর্যায়ে উত্থাপিত ও অনুমোদিত হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে আমি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে আজ রাতের জন্য নির্ধারিত হামলা ও বোমাবর্ষণ বাতিল করেছি।’
কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা ও বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, এ ঘোষণার আগে ট্রাম্প ইরানকে ‘খুব কঠোর আঘাত’ করার হুমকি দিয়েছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, ইরানের নৌ বাহিনী, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার ও আক্রমণাত্মক সামরিক সক্ষমতার বড় অংশ এরই মধ্যে ধ্বংস হয়ে গেছে। একই সঙ্গে তিনি ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ইচ্ছার কথাও প্রকাশ করেছিলেন।
খার্গ দ্বীপ ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র। প্রতিদিন প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল তেল এই টার্মিনাল দিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে যায়, যার বড় অংশের গন্তব্য চীন। বিশ্লেষকদের মতে, দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার যেকোনো প্রচেষ্টা সংঘাতকে আরও বিস্তৃত আকার দিতে পারত।
তবে সবশেষ ঘোষণায় ট্রাম্প সামরিক পদক্ষেপের বদলে আলোচনার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। যদিও তিনি আলোচনায় কোন কোন দেশ জড়িত বা কী ধরনের অগ্রগতি হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি। শুধু ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানের নেতৃত্ব ও মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের সঙ্গে যোগাযোগের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা নতুন করে বেড়ে যায় হরমুজ প্রণালির কাছে একটি মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার ঘটনার পর। এর জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। ইরানও কুয়েত, জর্ডান ও বাহরাইনে অবস্থিত বিভিন্ন মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলার দাবি করে।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সংঘাতে হাজারও মানুষ নিহত হয়েছে, যার বেশির ভাগই ইরান ও লেবাননের বাসিন্দা। একই সঙ্গে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। যদিও সাম্প্রতিক দিনগুলোতে তেলের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে, বিনিয়োগকারীরা এখন সামরিক উত্তেজনার চেয়ে সম্ভাব্য কূটনৈতিক সমাধানের দিকে বেশি নজর দিচ্ছেন।
এদিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা জোরদার হয়েছে বলে একাধিক ইরানি সূত্র ও পশ্চিমা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। আলোচনায় ইরানের জব্দ করা অর্থ ছাড়, নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণ, লেবাননে সংঘাত ও হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে।
ট্রাম্পের সবশেষ সিদ্ধান্তে তাৎক্ষণিক সংঘাতের ঝুঁকি কিছুটা কমলেও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা কতটা সফল হবে এবং যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা কতটা বাস্তব রূপ পাবে, তা এখনো অনিশ্চিত রয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।
৭ ঘণ্টা আগে
৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
৮ ঘণ্টা আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
১০ ঘণ্টা আগে
কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী এ ধরনের হাই-প্রোফাইল আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর। কিন্তু ট্রাম্প দৃশ্যত রুবিওর পরিবর্তে ভ্যান্সকেই সামনে নিয়ে এসেছেন। ফলে প্রশাসনের ভেতরে রুবিওর প্রকৃত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে