
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় কয়েকদিনের আলোচনার পর ওয়াশিংটনে একটি কাঠামোগত (ফ্রেমওয়ার্ক) চুক্তিতে সই করেছে ইসরায়েল ও লেবানন। তবে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ এই চুক্তির কোনো পক্ষ নয়। ফলে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনী ও হিজবুল্লাহর মধ্যে চলমান সংঘর্ষ বন্ধ হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই গেছে।
এর মধ্যেই হরমুজ প্রণালিতে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলাকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে পালটাপালটি সামরিক হামলার ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
শনিবার (২৭ জুন) বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, কয়েকদিনের আলোচনার পর শুক্রবার ওয়াশিংটনে ১৪ দফার একটি কাঠামোগত চুক্তিতে সই করে ইসরায়েল ও লেবানন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, এই চুক্তি দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য একটি কাঠামো গড়ে তোলার প্রক্রিয়া শুরু করবে।
তবে শুক্রবার সই হওয়া এই চুক্তির কোনো পক্ষ নয় হিজবুল্লাহ। দক্ষিণ লেবাননের লিতানি নদীর দক্ষিণাঞ্চল থেকে তারা তাদের যোদ্ধাদের সরিয়ে নেবে কি না, সেটিও এখনো স্পষ্ট নয়। ফলে বাস্তবে এই চুক্তি কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে প্রশ্ন রয়েছে।
এদিকে শুক্রবার এর আগে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় একটি পণ্যবাহী জাহাজে হামলার ঘটনায় ইরানকে ‘বোকামিপূর্ণভাবে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনে’র অভিযোগ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি তেহরান।
এর কিছুক্ষণ পর যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, তারা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সংরক্ষণাগার এবং উপকূলীয় রাডার স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।
হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন হামলার কড়া জবাব দিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন মজুতকেন্দ্র এবং রাডার সাইটগুলোতে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এর জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
দুই পক্ষের এই পালটাপালটি হামলায় গত ১৭ জুন হওয়া ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়েও নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর জেরে হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া ১১ হাজার নাবিককে উদ্ধারে জাতিসংঘের চলমান মিশনও স্থগিত হয়ে গেছে।
ওয়াশিংটনের আশঙ্কা ছিল, ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে চলমান উত্তেজনা ইরানের সঙ্গে হওয়া শান্তি চুক্তিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। ওই চুক্তিতে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে সংঘাত বন্ধের প্রতিশ্রুতি রয়েছে।
১৪ দফার এই কাঠামোগত চুক্তিতে ইসরায়েল ও লেবানন উভয় দেশই একে অপরের ‘শান্তিতে বসবাসের অধিকার’ পুনর্ব্যক্ত করেছে। একই সঙ্গে প্রতিবেশী সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে নিরাপদ পরিবেশে বসবাসের পারস্পরিক ইচ্ছার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
চুক্তিতে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ও আইনি অঙ্গনে একে অপরের বিরুদ্ধে সব ধরনের বৈরী বা নেতিবাচক পদক্ষেপ বন্ধের বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি উভয় দেশ আটক ব্যক্তিদের মুক্তি এবং যেসব মরদেহ এখনো ফেরত দেওয়া হয়নি, সেগুলো নিজ নিজ দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে কাজ করার অঙ্গীকার করেছে।
তবে একই সঙ্গে দুই সরকারই স্বীকার করেছে, এই কাঠামোগত চুক্তির কোনো কিছুই তাদের আত্মরক্ষার অন্তর্নিহিত অধিকার প্রয়োগে বাধা সৃষ্টি করবে না।
চুক্তি অনুযায়ী, লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী (এলএএফ) দেশটির পুরো ভূখণ্ডে কার্যকর রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবে। তবে এর আগে রাষ্ট্রের বাইরে থাকা সব সশস্ত্র গোষ্ঠীকে নিরস্ত্র করা এবং তাদের অবকাঠামো ভেঙে ফেলার বিষয়টি যাচাই করতে হবে।
এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে আরব অংশীদারদের সহযোগিতা চেয়েছে লেবানন। চুক্তিতে বলা হয়েছে, এই পুরো প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব দেবে যুক্তরাষ্ট্র। এ ছাড়া চুক্তি বাস্তবায়নে সহায়তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে একটি সামরিক সমন্বয়কারী গ্রুপ গঠন করা হবে।
কূটনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই চুক্তি একটি ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হলেও বাস্তব পরিস্থিতিতে এখনো বড় ধরনের পরিবর্তনের কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। একাধিক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও লেবাননের পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ এখনো সীমান্তে একে অপরের বিরুদ্ধে পালটাপালটি হামলার অভিযোগ করছে। যদিও সাম্প্রতিক দিনগুলোতে সংঘর্ষের তীব্রতা কিছুটা কমেছে। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বলেছেন, দেশের পূর্ণ সার্বভৌমত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথে এই কাঠামোগত চুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় কয়েকদিনের আলোচনার পর ওয়াশিংটনে একটি কাঠামোগত (ফ্রেমওয়ার্ক) চুক্তিতে সই করেছে ইসরায়েল ও লেবানন। তবে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ এই চুক্তির কোনো পক্ষ নয়। ফলে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনী ও হিজবুল্লাহর মধ্যে চলমান সংঘর্ষ বন্ধ হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই গেছে।
এর মধ্যেই হরমুজ প্রণালিতে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলাকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে পালটাপালটি সামরিক হামলার ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
শনিবার (২৭ জুন) বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, কয়েকদিনের আলোচনার পর শুক্রবার ওয়াশিংটনে ১৪ দফার একটি কাঠামোগত চুক্তিতে সই করে ইসরায়েল ও লেবানন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, এই চুক্তি দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য একটি কাঠামো গড়ে তোলার প্রক্রিয়া শুরু করবে।
তবে শুক্রবার সই হওয়া এই চুক্তির কোনো পক্ষ নয় হিজবুল্লাহ। দক্ষিণ লেবাননের লিতানি নদীর দক্ষিণাঞ্চল থেকে তারা তাদের যোদ্ধাদের সরিয়ে নেবে কি না, সেটিও এখনো স্পষ্ট নয়। ফলে বাস্তবে এই চুক্তি কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে প্রশ্ন রয়েছে।
এদিকে শুক্রবার এর আগে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় একটি পণ্যবাহী জাহাজে হামলার ঘটনায় ইরানকে ‘বোকামিপূর্ণভাবে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনে’র অভিযোগ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি তেহরান।
এর কিছুক্ষণ পর যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, তারা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সংরক্ষণাগার এবং উপকূলীয় রাডার স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।
হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন হামলার কড়া জবাব দিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন মজুতকেন্দ্র এবং রাডার সাইটগুলোতে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এর জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
দুই পক্ষের এই পালটাপালটি হামলায় গত ১৭ জুন হওয়া ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়েও নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর জেরে হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া ১১ হাজার নাবিককে উদ্ধারে জাতিসংঘের চলমান মিশনও স্থগিত হয়ে গেছে।
ওয়াশিংটনের আশঙ্কা ছিল, ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে চলমান উত্তেজনা ইরানের সঙ্গে হওয়া শান্তি চুক্তিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। ওই চুক্তিতে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে সংঘাত বন্ধের প্রতিশ্রুতি রয়েছে।
১৪ দফার এই কাঠামোগত চুক্তিতে ইসরায়েল ও লেবানন উভয় দেশই একে অপরের ‘শান্তিতে বসবাসের অধিকার’ পুনর্ব্যক্ত করেছে। একই সঙ্গে প্রতিবেশী সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে নিরাপদ পরিবেশে বসবাসের পারস্পরিক ইচ্ছার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
চুক্তিতে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ও আইনি অঙ্গনে একে অপরের বিরুদ্ধে সব ধরনের বৈরী বা নেতিবাচক পদক্ষেপ বন্ধের বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি উভয় দেশ আটক ব্যক্তিদের মুক্তি এবং যেসব মরদেহ এখনো ফেরত দেওয়া হয়নি, সেগুলো নিজ নিজ দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে কাজ করার অঙ্গীকার করেছে।
তবে একই সঙ্গে দুই সরকারই স্বীকার করেছে, এই কাঠামোগত চুক্তির কোনো কিছুই তাদের আত্মরক্ষার অন্তর্নিহিত অধিকার প্রয়োগে বাধা সৃষ্টি করবে না।
চুক্তি অনুযায়ী, লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী (এলএএফ) দেশটির পুরো ভূখণ্ডে কার্যকর রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবে। তবে এর আগে রাষ্ট্রের বাইরে থাকা সব সশস্ত্র গোষ্ঠীকে নিরস্ত্র করা এবং তাদের অবকাঠামো ভেঙে ফেলার বিষয়টি যাচাই করতে হবে।
এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে আরব অংশীদারদের সহযোগিতা চেয়েছে লেবানন। চুক্তিতে বলা হয়েছে, এই পুরো প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব দেবে যুক্তরাষ্ট্র। এ ছাড়া চুক্তি বাস্তবায়নে সহায়তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে একটি সামরিক সমন্বয়কারী গ্রুপ গঠন করা হবে।
কূটনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই চুক্তি একটি ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হলেও বাস্তব পরিস্থিতিতে এখনো বড় ধরনের পরিবর্তনের কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। একাধিক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও লেবাননের পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ এখনো সীমান্তে একে অপরের বিরুদ্ধে পালটাপালটি হামলার অভিযোগ করছে। যদিও সাম্প্রতিক দিনগুলোতে সংঘর্ষের তীব্রতা কিছুটা কমেছে। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বলেছেন, দেশের পূর্ণ সার্বভৌমত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথে এই কাঠামোগত চুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) তেলের দাম ৩ শতাংশের বেশি বেড়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানিকারক সৌদি আরবে হুতিদের হামলা, সপ্তাহান্তে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইন বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং উপসাগরে জাহাজে হামলার কারণে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও তীব্র হয়েছে।
১ দিন আগে
রাশিয়ায় পৌঁছানোর চার দিনের মাথায় এজেন্সির লোকজন ও সেখানকার একটি পাচারকারী চক্র মামুনসহ দলের সবাইকে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করে। সেখানে তাদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে জোরপূর্বক যুদ্ধের ময়দানে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
১ দিন আগে
মার্কিন কর্মকর্তারা বৈঠকগুলোকে ইতিবাচক ও অর্থবহ বলে বর্ণনা করেছেন। জেলেনস্কিও জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র শীতকালে সংঘাত কমানোর কিছু পদক্ষেপ নিয়ে কাজ করছে। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরকে নতুন করে কূটনৈতিক উদ্যোগ শুরুর সম্ভাব্য সময় হিসেবে দেখছে কিয়েভ।
১ দিন আগে
ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বিশেষ জুরি পুরস্কার পাওয়ার পরই ‘নাজা’ নিয়ে ইসরায়েলি সরকারের তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। গত শনিবার ঘোষিত পুরস্কারের আগে ছবিটি ২৫ মিনিটের স্ট্যান্ডিং ওবেশন পেয়েছিল। ছবিটির দুই পরিচালক এর আগে ‘নো আদার ল্যান্ড’ তথ্যচিত্রের সহপরিচালক হিসেবে ২০২৫ সালে অস্কারে সেরা তথ্যচিত্
১ দিন আগে