
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। একই সঙ্গে আগামী এক ‘সপ্তাহব্যাপী’ ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
সোমবার (৮ জুন) আল-জাজিরা ও বিবিসির খবরে বলা হয়, আইআরজিসি জানিয়েছে, তারা উত্তর ইসরায়েলের হাইফা শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রামাত ডেভিড বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।
অন্যদিকে ইরানি হামলার বিপরীতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (এরিয়াল ডিফেন্স অ্যারে) নিজেদের ভূখণ্ডের দিকে ধেয়ে আসা এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ‘শনাক্ত‘ করছে এবং ‘প্রতিহত‘ করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে প্রাণঘাতী হামলার পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ইসরায়েলে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় তারা ‘উচ্চ সতর্ক অবস্থায়’ রয়েছে বলে জানিয়েছিল আইডিএফ। ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ শনাক্ত হওয়ার পর হাইফা ও উত্তর ইসরায়েলের অন্যান্য এলাকায় সাইরেন সক্রিয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।
অন্যদিকে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিবৃতি এই হামলার কথা স্বীকার করে বলেছে, ‘আমাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ইউনিটগুলো ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় শহরগুলোর কেন্দ্রস্থল লক্ষ্য করে একটি সমন্বিত এবং তীব্র হামলা চালিয়েছে।’
আইআরজিসি বলছে, এই অভিযান কোনো সাময়িক বা সাধারণ ঘটনা নয়, বরং এটি টানা এক সপ্তাহের অবিরাম হামলার শুরু মাত্র। ‘শত্রুপক্ষ’ তাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধ না করা পর্যন্ত আগামী সাত দিন ধরে চব্বিশ ঘণ্টাই ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের একের পর এক বহর উৎক্ষেপণ অব্যাহত থাকবে।
বিবৃতিতে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, ‘ইরানের ভূখণ্ডে যেকোনো ধরনের হামলা চালানো হলে, তার জবাবে এমন ধ্বংসাত্মক ও জোরালো পালটা আঘাত হানা হবে যা সমস্ত কল্পনার বাইরে।’
এর আগে গত সপ্তাহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে হামলা চালায় ইসরায়েল। মূলত ওই হামলার পরই ইরানের পক্ষ ইসরায়েলে থেকে এই পালটা হামলা চালানো হলো।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহর শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত বৈরুতের একটি এলাকার দুটি আবাসিক ভবনে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত দুজন নিহত এবং নারী ও শিশুসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘ইসরায়েলি ভূখণ্ডে হিজবুল্লাহর গোলবর্ষণ করার জবাবেই বৈরুতের দাহিয়েহ এলাকায় হিজবুল্লাহর সদরদপ্তরে আঘাত করা হয়েছে’ এর পর হিজবুল্লাহও নিশ্চিত করেছে যে, তারা ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছিল।
বৈরুতে ওই হামলার পর আইডিএফ আগেই জানিয়েছিল, আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ইসরায়েলের দিকে সম্ভাব্য রকেট বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হতে পারে এবং সে জন্য তারা প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর ঠিক কয়েক মিনিটের মাথায় ইরান নিশ্চিত করল যে তারা ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে।
তবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে— তারা এখন পর্যন্ত ইরান থেকে উৎক্ষেপণ করা সবকটি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে। তারা জানিয়েছে, ‘আরও কিছু ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন উৎক্ষেপণের আলামত পাওয়া গেছে এবং ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী অব্যাহতভাবে ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত ও প্রতিহত করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।’
এদিকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের কথা আইডিএফ জানানোর ঠিক কয়েক মিনিট পর দেশটির কট্টর ডানপন্থি জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘আজ রাতে তেহরানকে অবশ্যই পুড়তে হবে!’
রাজনীতি/আইআর

ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। একই সঙ্গে আগামী এক ‘সপ্তাহব্যাপী’ ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
সোমবার (৮ জুন) আল-জাজিরা ও বিবিসির খবরে বলা হয়, আইআরজিসি জানিয়েছে, তারা উত্তর ইসরায়েলের হাইফা শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রামাত ডেভিড বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।
অন্যদিকে ইরানি হামলার বিপরীতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (এরিয়াল ডিফেন্স অ্যারে) নিজেদের ভূখণ্ডের দিকে ধেয়ে আসা এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ‘শনাক্ত‘ করছে এবং ‘প্রতিহত‘ করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে প্রাণঘাতী হামলার পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ইসরায়েলে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় তারা ‘উচ্চ সতর্ক অবস্থায়’ রয়েছে বলে জানিয়েছিল আইডিএফ। ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ শনাক্ত হওয়ার পর হাইফা ও উত্তর ইসরায়েলের অন্যান্য এলাকায় সাইরেন সক্রিয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।
অন্যদিকে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিবৃতি এই হামলার কথা স্বীকার করে বলেছে, ‘আমাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ইউনিটগুলো ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় শহরগুলোর কেন্দ্রস্থল লক্ষ্য করে একটি সমন্বিত এবং তীব্র হামলা চালিয়েছে।’
আইআরজিসি বলছে, এই অভিযান কোনো সাময়িক বা সাধারণ ঘটনা নয়, বরং এটি টানা এক সপ্তাহের অবিরাম হামলার শুরু মাত্র। ‘শত্রুপক্ষ’ তাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধ না করা পর্যন্ত আগামী সাত দিন ধরে চব্বিশ ঘণ্টাই ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের একের পর এক বহর উৎক্ষেপণ অব্যাহত থাকবে।
বিবৃতিতে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, ‘ইরানের ভূখণ্ডে যেকোনো ধরনের হামলা চালানো হলে, তার জবাবে এমন ধ্বংসাত্মক ও জোরালো পালটা আঘাত হানা হবে যা সমস্ত কল্পনার বাইরে।’
এর আগে গত সপ্তাহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে হামলা চালায় ইসরায়েল। মূলত ওই হামলার পরই ইরানের পক্ষ ইসরায়েলে থেকে এই পালটা হামলা চালানো হলো।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহর শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত বৈরুতের একটি এলাকার দুটি আবাসিক ভবনে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত দুজন নিহত এবং নারী ও শিশুসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘ইসরায়েলি ভূখণ্ডে হিজবুল্লাহর গোলবর্ষণ করার জবাবেই বৈরুতের দাহিয়েহ এলাকায় হিজবুল্লাহর সদরদপ্তরে আঘাত করা হয়েছে’ এর পর হিজবুল্লাহও নিশ্চিত করেছে যে, তারা ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছিল।
বৈরুতে ওই হামলার পর আইডিএফ আগেই জানিয়েছিল, আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ইসরায়েলের দিকে সম্ভাব্য রকেট বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হতে পারে এবং সে জন্য তারা প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর ঠিক কয়েক মিনিটের মাথায় ইরান নিশ্চিত করল যে তারা ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে।
তবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দাবি করেছে— তারা এখন পর্যন্ত ইরান থেকে উৎক্ষেপণ করা সবকটি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে। তারা জানিয়েছে, ‘আরও কিছু ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন উৎক্ষেপণের আলামত পাওয়া গেছে এবং ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী অব্যাহতভাবে ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত ও প্রতিহত করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।’
এদিকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের কথা আইডিএফ জানানোর ঠিক কয়েক মিনিট পর দেশটির কট্টর ডানপন্থি জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘আজ রাতে তেহরানকে অবশ্যই পুড়তে হবে!’
রাজনীতি/আইআর

বিশ্লেষকদের মতে, এ যুদ্ধে সবচেয়ে বড় বিজয়ীদের মধ্যে রয়েছে ইরানের শাসকগোষ্ঠী, চীন ও ইউক্রেন। অন্যদিকে সবচেয়ে বড় ক্ষতির মুখে পড়েছে জ্বালানি বাজার এবং লেবানন। আর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের অবস্থান এখনো স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা কঠিন।
৩ ঘণ্টা আগে
২০২০ সালের নির্বাচন নিয়ে প্রশ্নের মুখে মেজাজ হারিয়ে একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারের মাঝপথেই বেরিয়ে গেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এনবিসি নিউজের বিখ্যাত অনুষ্ঠান ‘মিট দ্য প্রেসে’র সাক্ষাৎকার চলাকালে সঞ্চালকের সঙ্গে তীব্র বাদানুবাদের একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি স্টুডিও ত্যাগ করেন।
১৩ ঘণ্টা আগে
ইরান বলছে, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ‘হুমকি’ পুরোপুরি দূর না হওয়া পর্যন্ত এবং কোনো ধরনের অবরোধের মুখে প্রণালির ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হবে না। অন্যদিকে ওয়াশিংটন জোর দিয়ে বলছে, যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে হরমুজ অবশ্যই কোনো শর্ত বা টোল ছাড়াই আন্তর্জাতিক নৌ পরিবহনের জন্য পুরোপুরি উন্মুক্ত থাকতে হবে।
১৫ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যে একটি গ্রীষ্মকালীন উৎসবের কাছে বন্দুকধারীদের এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণে অন্তত ১২ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজ জানিয়েছে, সন্দেহভাজন বন্দুকধারীরা সম্ভবত একে অপরকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ছিল। তবে ঘটনার পর থেকে হামলাকারীরা এখন
২১ ঘণ্টা আগে