হিজবুল্লাহর ‘অনীহা’য় লেবাননে যুদ্ধবিরতি নিয়ে ধোঁয়াশা, ইরান যুদ্ধ অবসানের সম্ভাবনা ম্লান

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ০৫ জুন ২০২৬, ০১: ০৮
দক্ষিণ লেবাননের মারজায়ুন এলাকা থেকে দেখা যাচ্ছে, ইসরায়েলি বাহিনীর দখলে থাকা ঐতিহাসিক বিউফোর্ট দুর্গের কাছাকাছি এলাকা থেকে ধোঁয়া উঠছে। ছবি: রয়টার্স

লেবাননে নতুন করে প্রস্তাবিত একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। অন্যদিকে ইসরায়েল সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তারা লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে না। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত থামিয়ে তেহরানের সঙ্গে একটি শান্তি চুক্তি সইয়ের যে জোর প্রচেষ্টা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চালাচ্ছিলেন, তা বড় ধরনের ধাক্কা খেল।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়াশিংটনের সঙ্গে যেকোনো শান্তিচুক্তিতে পৌঁছানোর প্রধান শর্ত হিসেবে লেবাননে যুদ্ধবিরতির দাবি তুলেছিল ইরান। এমনকি সাম্প্রতিক দিনগুলোতে তেহরান এমন ইঙ্গিতও দিয়েছে— ইসরায়েল যদি লেবাননে হামলা অব্যাহত রাখে বা আরও জোরদার করে, তবে তারা তাদের মিত্র হিজবুল্লাহর পক্ষে সরাসরি এ যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে।

এদিকে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ এ চুক্তিতে সায় দিলে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতে পারে। তবে হিজবুল্লাহর প্রধান নাইম কাসেম ওয়াশিংটনের এই প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দিয়ে ঘোষণা করেছেন, ‘প্রতিরোধ সংগ্রাম চলবেই।’

নাইম কাসেমের এই যুদ্ধংদেহী বক্তব্যের পর ইসরায়েল, লেবানন কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। এর আগে বুধবার ইসরায়েল ও লেবানন সরকারের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যে চুক্তিটি হয়েছিল, হিজবুল্লাহ সরাসরি তার অংশীদার ছিল না। তবে চুক্তি অনুযায়ী তাদের সমস্ত হামলা বন্ধ করার বাধ্যবাধকতা ছিল।

দক্ষিণ লেবাননের মারজায়ুন এলাকা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর দখলে থাকা ঐতিহাসিক বিউফোর্ট দুর্গের কাছাকাছি এলাকা থেকে ধোঁয়া উড়তে দেখা যাচ্ছে। ছবি: রয়টার্স
দক্ষিণ লেবাননের মারজায়ুন এলাকা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর দখলে থাকা ঐতিহাসিক বিউফোর্ট দুর্গের কাছাকাছি এলাকা থেকে ধোঁয়া উড়তে দেখা যাচ্ছে। ছবি: রয়টার্স

বৃহস্পতিবারও দক্ষিণ লেবাননে নির্বিচারে হামলা চালিয়ে গেছে ইসরায়েলি বাহিনী। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ স্পষ্ট করে বলেছেন, লেবানন থেকে তাদের সেনারা এখনই পিছু হটবে না এবং দেশটিতে সামরিক অভিযানও বন্ধ হবে না। গত মার্চ মাসে ইরানের সঙ্গে সমান্তরাল যুদ্ধ শুরুর অংশ হিসেবে লেবাননে স্থল অভিযান শুরু করেছিল ইসরায়েল।

অন্যদিকে ১৯৮২ সালে হিজবুল্লাহ গঠনে মুখ্য ভূমিকা পালনকারী ইরানের এলিট ফোর্স রেভল্যুশনারি গার্ডসের কুদস ফোর্সের কমান্ডার জানিয়েছেন, প্রতিরোধ যোদ্ধাদের ন্যূনতম দাবি হলো— যুদ্ধ শুরুর আগে ইসরায়েলি বাহিনী যে অবস্থানে ছিল, সেখানে তাদের ফিরে যেতে হবে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত রেভল্যুশনারি গার্ডসের পৃথক এক বিবৃতিতে বলা হয়, আঞ্চলিক এই যুদ্ধে আমাদের যুদ্ধবিরতি মেনে নেওয়ার প্রাথমিক শর্তই ছিল লেবাননসহ সব ফ্রন্টে একসঙ্গে হামলা বন্ধ করতে হবে। ইসরায়েলকে অবশ্যই লেবাননে তাদের আগ্রাসন থামাতে হবে, দখল করা এলাকাগুলো খালি করতে হবে এবং আন্তর্জাতিক সীমান্তের পেছনে পিছু হটতে হবে।

দক্ষিণ লেবাননের দিব্বিন এলাকায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে ধ্বংস হওয়া ভবনগুলোর পাশের রাস্তার ওপর থেকে ধ্বংসস্তুপ সরাচ্ছে লেবাননের সেনাবাহিনী। ছবি: রয়টার্স
দক্ষিণ লেবাননের দিব্বিন এলাকায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে ধ্বংস হওয়া ভবনগুলোর পাশের রাস্তার ওপর থেকে ধ্বংসস্তুপ সরাচ্ছে লেবাননের সেনাবাহিনী। ছবি: রয়টার্স

গত ২ মার্চ হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে নতুন করে এ সংঘাতের সূত্রপাত হয়। সে সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মুখে পড়া তেহরানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে হিজবুল্লাহ ইসরায়েলি সীমান্ত অভিমুখে রকেট নিক্ষেপ শুরু করে। এরপর এপ্রিল মাস থেকে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে কয়েক দফা যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ থামানো যায়নি।

পারস্য উপসাগরে নতুন উত্তেজনা

লেবাননে এই যুদ্ধবিরতির চেষ্টা এমন এক সময়ে চলছে, যখন পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে নতুন করে সহিংসতার আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। এর ফলে যুদ্ধ থামানোর জন্য ট্রাম্পের নেওয়া সব উদ্যোগ নতুন করে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

বুধবার পারস্য উপসাগরে ইরান ও মার্কিন বাহিনীর মধ্যে তীব্র পালটাপালটি হামলার ঘটনা ঘটে। গত এপ্রিলের শুরুতে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ব্যাপক বোমাবর্ষণ বন্ধ হওয়ার পর এটিই ছিল দুই পক্ষের মধ্যে সবচেয়ে বড় ও ভয়াবহ সংঘর্ষ।

কুয়েত কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, ইরানি বাহিনীর হামলায় কুয়েতের বিমানবন্দর মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এর জবাবে মার্কিন সামরিক বাহিনী হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি ইরানি অবস্থানে পালটা হামলা চালায়।

এদিকে বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) এক-পঞ্চমাংশ যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর থেকে গত তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে তা কার্যত বন্ধ রয়েছে। এতে বৈশ্বিক তেলের বাজার অস্থির হয়ে ওঠে, দেশে দেশে দেখা দেয় জ্বালানি সংকট। অবশ্য লেবাননে যুদ্ধবিরতি হলে ওয়াশিংটন ও তেহরান হয়তো কূটনীতির টেবিলে ফিরে আসার একটি পথ খুঁজে পাবে—এমন আশায় বৃহস্পতিবার বিশ্ববাজারে তেলের দাম প্রায় ৩ শতাংশ কমেছে।

এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে যুদ্ধ বন্ধ করা এবং জ্বালানির দাম কমানোর তীব্র চাপের মুখে থাকা ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা খুব শিগগিরই ইতিবাচক দিকে মোড় নিতে পারে। বুধবার হোয়াইট হাউজের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘যদি এটি (চুক্তি) সফল হয়, তবে চলতি সপ্তাহের শেষ নাগাদই তা ঘটে যেতে পারে।’

তবে নির্দিষ্ট এই সময়সীমার মধ্যে আসলে কী ঘটতে যাচ্ছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু খোলসা করেননি ট্রাম্প। তিনি আরও জানান, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়টিকে লেবানন সংকট থেকে আলাদা রাখার চেষ্টা করছে।

কুয়েত বিমানবন্দরে হামলার দায় অস্বীকার ইরানের

এদিকে কুয়েত কর্তৃপক্ষ ও দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বুধবারে চালানো ওই হামলায় বিমানবন্দর অবকাঠামো ও বেশ কয়েকটি কূটনৈতিক মিশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে একজন নিহত এবং ৬০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।

তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের দাবি, দেশটির রেভল্যুশনারি গার্ডস এই ধ্বংসযজ্ঞের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারসেপ্টর (ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী) মিসাইলকে দায়ী করেছে। তাদের মতে, মার্কিন মিসাইলগুলো লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে এই ক্ষয়ক্ষতি ঘটিয়েছে। বিপরীতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, ইরানি ড্রোনগুলো জেনেশুনে ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কুয়েত বিমানবন্দরে আঘাত হেনেছে।

পাশাপাশি ইরানি গণমাধ্যমগুলো দাবি করেছে, রেভল্যুশনারি গার্ডস বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌ বহরের সদর দফতর এবং আরেকটি মার্কিন বিমানঘাঁটিতেও সফল হামলা চালিয়েছে। তবে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) তাদের ঘাঁটিতে হামলার খবর ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, ইরানি হামলার চেষ্টার জবাবে তারা দক্ষিণ ইরানে নতুন করে ‘আত্মরক্ষামূলক হামলা’ চালিয়েছে এবং প্রণালির কাছের কেশম দ্বীপেও বোমাবর্ষণ করেছে।

শান্তির জন্য ইরানের শর্ত

গত সপ্তাহে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ বন্ধ এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করার লক্ষ্যে একটি প্রাথমিক ও অস্থায়ী চুক্তির ব্যাপারে অগ্রগতির আভাস দিয়েছিল। তবে জটিল বিষয়গুলো পরের আলোচনার জন্য তুলে রেখে এই প্রাথমিক চুক্তিতে এখনো কোনো পক্ষই চূড়ান্ত সই করেনি।

এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনি বৃহস্পতিবার এক ভাষণে বলেছেন, শত্রুরা এরই মধ্যেই যুদ্ধক্ষেত্রে পরাজিত হয়েছে এবং এখন তারা ইরানের ভেতরে অভ্যন্তরীণ বিভেদ তৈরির চেষ্টা করছে।

তেহরান এই শান্তিচুক্তির জন্য লেবাননে যুদ্ধ বন্ধের শর্ত দেওয়ার পাশাপাশি আরও কিছু বড় দাবি সামনে এনেছে। এর মধ্যে রয়েছে— তাদের আটকে থাকা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের তেলের রাজস্বের ছাড় দেওয়া, অপরিশোধিত তেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ তুলে নেওয়া এবং হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা।

অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তার প্রধান লক্ষ্য ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা থেকে বিরত রাখা। ইরান অবশ্য বরাবরই দাবি করে আসছে, তাদের পরমাণু কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে।

এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষণ সংস্থা (আইএইএ) সদস্য দেশগুলোর কাছে একটি প্রতিবেদন পাঠিয়েছে। সেখানে এক বছর আগে ইরানের পরমাণু কেন্দ্রগুলোতে বোমা হামলার পর থেকে দেশটির সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামগুলোর বর্তমান অবস্থা কী, তা দ্রুত সংস্থাকে জানাতে তেহরানের প্রতি পুনরায় জোর আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সেখানে পুরোদমে আন্তর্জাতিক পরিদর্শন কাজ শুরুর অনুমতি দিতেও ইরানকে তাগিদ দিয়েছে সংস্থাটি।

ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

ইউক্রেনকে সহায়তা, রাশিয়ায় নিষেধাজ্ঞা— কংগ্রেসে বিল পাসে ট্রাম্পের জন্য বড় ধাক্কা

কয়েক মাস ধরে ‘ইউক্রেন সাপোর্ট অ্যাক্ট’ নামের এই বিলটি পাসের অপেক্ষায় ঝুলে ছিল। সাধারণত প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকারের অনুমতি ছাড়া কোনো বিল ভোটাভুটির জন্য তোলা যায় না। তবে এবার এক অভিনব পন্থায় কয়েকজন রিপাবলিকান সদস্য ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে মিলে একটি বিশেষ আবেদনে (ডিসচার্জ পিটিশন) সই করলে বিলটি ভোটাভুটির জ

৪ ঘণ্টা আগে

কিউবার প্রেসিডেন্টের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নতুন উত্তেজনা

এ বিষয়ে কিউবা সরকার তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য না করলেও দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগুয়েজ পারিলা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে ‘জঘন্য’ আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে সংঘাতের পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র যে পদক্ষেপই নিক না কেন, তা ব্যর্থ হবে।

৬ ঘণ্টা আগে

পুতিনকে খোলা চিঠি— সরাসরি বৈঠকে যুদ্ধের অবসানের প্রস্তাব জেলেনস্কির

জেলেনস্কি বলেন, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান মনোযোগ ইরান-সংকটের দিকে কেন্দ্রীভূত। এ অবস্থায় ইউরোপের যুদ্ধ আবার ওয়াশিংটনের অগ্রাধিকার তালিকায় ফিরে আসার অপেক্ষায় বসে থাকা সঠিক হবে না। তিনি লিখেছেন, ‘ইউরোপের যুদ্ধ আবার আন্তর্জাতিক মনোযোগের কেন্দ্রে ফিরে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করা ভুল হবে।’

৮ ঘণ্টা আগে

চীনের ‘আগ্রাসন’ মোকাবিলায় সামরিক সক্ষমতা বাড়াচ্ছে তাইওয়ান

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আকাশপথ, যুদ্ধজাহাজ ও স্থলভিত্তিক মোবাইল লাঞ্চার থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য এই বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার মূলত তাইওয়ানের তথাকথিত ‘অপ্রতিসম সমরকৌশলে’র (অ্যাসিম্যাট্রিক স্ট্র্যাটেজি) অংশ। এই কৌশলের মূল লক্ষ্য— সংখ্যার দিক থেকে চীনের বিশাল ও শক্তিশালী সামরি

২১ ঘণ্টা আগে