ম্যাচে দুর্দান্ত ব্যাটিং প্রদর্শনীতে এই ওপেনিং জুটি ৮৮ বল খেলে স্কোরবোর্ডে ১২০ রান যোগ করে। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে এটি বাংলাদেশ দলের যেকোনো উইকেটে যৌথভাবে তৃতীয় সর্বোচ্চ রানের জুটি। একই সাথে উদ্বোধনী জুটিতে (ওপেনিং) এটি দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড।
টেস্ট আর ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টিতেও বাংলাদেশি ব্যাটারদের রানখরা অব্যাহত রয়েছে। তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে জিতে হোয়াইটওয়াশ এড়ালেও ব্যাটিং ব্যর্থতায় টি-টোয়েন্টি সিরিজও শুরু হলো হার দিয়ে। জিম্বাবুয়ের তোলা ৬ উইকেটে ১৭০ রানের জবাবে বাংলাদেশ থেমেছে ১৩৮ রানে অলআউট হয়ে। দল হেরেছে ৩২ রানে।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে ১৭১ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে স্বাগতিকরা। বুধবার বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাবে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭০ রান সংগ্রহ করে জিম্বাবুয়ে।
বুধবার বুলাওয়েতে টস জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। চোট কাটিয়ে উঠতে না পারায় এই ম্যাচে খেলছেন না নিয়মিত টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাস। উইকেটকিপারের দায়িত্ব পালন করছেন নুরুল হাসান সোহান।
প্রথম দুই ওয়ানডেতে হেরে সিরিজ খুইয়েছিল বাংলাদেশ। তাই তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে লক্ষ্য ছিল অন্তত হোয়াইটওয়াশ এড়ানো। হারারেতে শনিবার ৭ উইকেটের জয়ে সেই লক্ষ্য পূরণ করেছে টাইগাররা। তবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতেছে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে।
জিম্বাবুয়ে সফরে টেস্টের পর ওয়ানডে সিরিজেও ব্যর্থ বাংলাদেশ। প্রথম দুই ম্যাচ হেরে ইতোমধ্যেই সিরিজ খুইয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল। তাই আজ শনিবার হারারেতে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে তাদের লক্ষ্য শুধু জয় নয়, হোয়াইটওয়াশ এড়ানোও। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। পাশাপাশি এ
২৪৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৩৬ ওভারে ৩ উইকেটে ১৬৯ রান তুলে নিয়েছিল বাংলাদেশ। শেষ ১৪ ওভারে তখন বাংলাদেশের প্রয়োজন ৭৯ রান। আস্কিং রান রেট সাড়ে ৫-এর কিছুটা বেশি। কিন্তু ৬৫ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্য থেকে ১৩ রান দূরে থাকতেই অলআউট বাংলাদেশ।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে টিকে থাকার লড়াইয়ে দ্বিতীয় ম্যাচে টসে জিতে আগে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। ম্যাচে একাদশে একটি পরিবর্তন এনেছে টাইগাররা। বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানের জায়গায় ফিরেছেন শরিফুল ইসলাম।
ওয়ানডে ম্যাচে ১৪১ রান চেজ করতে নেমে নিদারুণ ব্যর্থতার পরিচয় দিলেন ব্যাটাররা। দুই অঙ্কের রান পেলেন মাত্র তিনজন— তৌহিদ হৃদয় (৫৮ বলে ২৫), নুরুল হাসান সোহান (৪৪ ব ৩১) আর মেহেদি হাসান মিরাজ (১৮ বলে ১০)। তাতে শেষ পর্যন্ত ৩৩ ওভার ১ বলে মাত্র ১১৬ রানে অলআউট হলো বাংলাদেশ। হেরে গেল ২৫ রানে।
নাহিদ রানার আগুনঝরা বোলিংয়ে ওয়ানডে সিরিজে দুর্দান্ত সূচনা করেছে বাংলাদেশ। হারারে স্পোর্টস ক্লাবে তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে স্বাগতিক জিম্বাবুয়েকে মাত্র ১৪১ রানে অলআউট করে দিয়েছে টাইগাররা। ১০ ওভারে মাত্র ২১ রান দিয়ে ৬ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের ওয়ানডে ইতিহাসে সেরা বোলিংয়ের নতুন রেকর্ড গড়েছেন এই গত
শুরুতে একটি সহজ ক্যাচ হাতছাড়া হলেও পরে তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানার দারুণ বোলিংয়ে চাপে পড়ে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। ১৫ ওভারের মধ্যেই ৫ উইকেট হারিয়ে তাদের সংগ্রহ ৪৭ রান।
ফাইনালে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৫০ রান তোলে ইংল্যান্ড। জবাবে মাত্র ১৭.১ ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া। হাতে তখনও ছিল ১৭ বল ও ৭ উইকেট। নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে সফল দল অস্ট্রেলিয়া। টুর্নামে
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে জিম্বাবুয়ে সফরে স্পটভাবেই ফেভারিট ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু জিম্বাবুয়ের সফরের শুরুতেই হোঁচট খায় টাইগাররা। সিরিজের একমাত্র টেস্টে ইনিংস ও ৮৫ রানের বড় ব্যবধানে হেরে বড়সড় ধাক্কা খায় বাংলাদেশ।
হারারের টেস্ট হয়ে থাকল জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট ইতিহাসের এক স্মরণীয় অধ্যায়। নিজেদের টেস্ট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ব্যবধানের জয় তুলে নিয়েছে স্বাগতিকরা, আর সেই রেকর্ড গড়ার দিনে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছে বাংলাদেশ।
পাওয়ারপ্লের আগেই তারা ৫২ রান তুলে জয়ের ভিত গড়ে ফেলে। অধিনায়ক মিচেল মার্শ মাত্র ২৮ বলে ৭ চার ও ৪ ছক্কায় ৬০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। জস ইংলিস, কুপার কনোলি ও মার্শকে ফিরিয়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন বাংলাদেশের বোলাররা। তবে শেষ পর্যন্ত তা যথেষ্ট হয়নি। টিম ডেভিড মাত্র ৩ বল খেলেই দুটি ছক্কা হাঁ
এ ম্যাচ জয়ের সঙ্গে নতুন ইতিহাসও হয়েছে। মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এই প্রথম এলো একাধিক জয়। এর আগে কখনোই এক বিশ্বকাপে একাধিক জয় পায়নি বাংলাদেশ। আবার প্রথম তিন ম্যাচেই এলো দুই জয়।
তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমনের ব্যাটে জয়ের স্বপ্নও দেখেছিল স্বাগতিকরা। কিন্তু শেষ মুহূর্তে স্নায়ুচাপ সামলাতে না পেরে ৭ রানের আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে বাংলাদেশকে। ফলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই তিন ম্যাচের সিরিজ ২-০ ব্যবধানে নিজেদের করে নিয়েছে সফরকারী অস্ট্রেলিয়া।