
হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, ‘বিএনপি উন্নয়নের রাজনীতি করে, কিন্তু উন্নয়ন নিয়ে রাজনীতি করে না। আওয়ামী লীগের মতো দুর্নীতি ও লুটপাট নয়, বরং সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে আমরা জনকল্যাণে ও জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করব।’
শনিবার (৬ ডিসেম্বর) ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের ধুরাইল বাজারে এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, ‘বিএনপি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নয়, সহনশীলতা ফিরিয়ে আনবে। ধর্মীয় উগ্রতা নয়, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি, বর্ণে বর্ণে বৈষম্য নয় বরং সাম্য নিশ্চিত করবে।’
প্রিন্স বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানের পর আমরা গণতন্ত্রের পথে চলতে শুরু করেছি। দেশে উন্নয়নের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে এবং সারা দেশে বিএনপির পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। ইনশাআল্লাহ, বিএনপি ক্ষমতায় আসবে এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে হালুয়াঘাটবাসী অন্ধকার থেকে আলোর পথে এগিয়ে যাবে।’
পথ সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আসলাম মিয়া বাবুল, যুগ্ম আহ্বায়ক চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজিম উদ্দিন আহমেদ, জেলা যুবদলের সহসভাপতি তারিকুল ইসলাম চঞ্চল, বিএনপি নেতা প্রিন্সিপাল এখলাস উদ্দিন, প্রভাষক মাসুম বিল্লাহ, সরোয়ার জাহান, বদরুল আহসান খান, গোলাম মোস্তফা মাস্টার, মনজুরুল হক, এমদাদ হোসেন মেম্বার, ক্বারী আলমাস হোসেন প্রমুখ।
এদিকে হালুয়াঘাট কেন্দ্রীয় মন্দিরে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। হিন্দু সম্প্রদায়ের নারী ও পুরুষ হিন্দু ধর্মমতে বিশেষ প্রার্থনা করেন। এ সময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে তিনি ধুরাইল বাজারে গণসংযোগ করে জনসাধারণের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং তারেক রহমানের রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা ও জনকল্যাণে বিএনপির এবং হালুয়াঘাটের উন্নয়নে ভবিষ্যৎ কর্মসূচিসংবলিত লিফলেট বিতরণ করেন।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, ‘বিএনপি উন্নয়নের রাজনীতি করে, কিন্তু উন্নয়ন নিয়ে রাজনীতি করে না। আওয়ামী লীগের মতো দুর্নীতি ও লুটপাট নয়, বরং সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে আমরা জনকল্যাণে ও জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করব।’
শনিবার (৬ ডিসেম্বর) ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের ধুরাইল বাজারে এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, ‘বিএনপি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নয়, সহনশীলতা ফিরিয়ে আনবে। ধর্মীয় উগ্রতা নয়, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি, বর্ণে বর্ণে বৈষম্য নয় বরং সাম্য নিশ্চিত করবে।’
প্রিন্স বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানের পর আমরা গণতন্ত্রের পথে চলতে শুরু করেছি। দেশে উন্নয়নের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে এবং সারা দেশে বিএনপির পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। ইনশাআল্লাহ, বিএনপি ক্ষমতায় আসবে এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে হালুয়াঘাটবাসী অন্ধকার থেকে আলোর পথে এগিয়ে যাবে।’
পথ সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আসলাম মিয়া বাবুল, যুগ্ম আহ্বায়ক চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজিম উদ্দিন আহমেদ, জেলা যুবদলের সহসভাপতি তারিকুল ইসলাম চঞ্চল, বিএনপি নেতা প্রিন্সিপাল এখলাস উদ্দিন, প্রভাষক মাসুম বিল্লাহ, সরোয়ার জাহান, বদরুল আহসান খান, গোলাম মোস্তফা মাস্টার, মনজুরুল হক, এমদাদ হোসেন মেম্বার, ক্বারী আলমাস হোসেন প্রমুখ।
এদিকে হালুয়াঘাট কেন্দ্রীয় মন্দিরে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। হিন্দু সম্প্রদায়ের নারী ও পুরুষ হিন্দু ধর্মমতে বিশেষ প্রার্থনা করেন। এ সময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে তিনি ধুরাইল বাজারে গণসংযোগ করে জনসাধারণের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং তারেক রহমানের রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা ও জনকল্যাণে বিএনপির এবং হালুয়াঘাটের উন্নয়নে ভবিষ্যৎ কর্মসূচিসংবলিত লিফলেট বিতরণ করেন।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ওমর ফারুক বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে যদি কোনো নোংরামি করা হয়, আমরা হয় মারব, না হয় মরব। হয় ফাঁসিতে ঝুলব, না হয় ওই গুপ্ত শিবির সন্ত্রাসীদেরকে নিজেরা আইন হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করব।’
১ দিন আগে
ইতিহাসে আর কোনো সরকার দুই মাসের ব্যবধানে এতটা অজনপ্রিয় হয়েছিল কি না—এমন প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
১ দিন আগে
জামায়াতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছেন, ‘দেশকে আবার ভিন্নভাবে তারা স্বৈরাচারের মধ্যে নিতে চায় কি না— আমাদের সেই চিন্তা করতে হবে। তাদের যে অতীত ইতিহাস, আমরা সবাই জানি। দেশবাসী সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন রাজনৈতিকভাবে তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়, আমাদের সেভাবে কাজ করতে হবে।’
১ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘আমরা কারো ন্যায্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে, জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না।’
১ দিন আগে