
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ লাইন্সে মাদরাসার শিক্ষার্থীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধ করতে নয়, পরদিন পরীক্ষা থাকায় শব্দ কমাতে বলতে গিয়েছিল বলে দাবি করেছেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
এনসিপির এই নেতা বলেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হলেও ঘটনার বিচার হয়নি। পরে গণমাধ্যমে শিক্ষার্থীরা গান-বাজনা বন্ধ করে দিয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শনিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদরাসায় (বড় মাদরাসা) কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের সঙ্গে বৈঠক শেষে নেতাদের কথার বরাতে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন পাটওয়ারী।
এর আগে ১৮ আগস্ট (মঙ্গলবার) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ লাইন্সে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলাকালে মাদরাসার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে মাদরাসার শিক্ষার্থী ও পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন। পরে অনুষ্ঠানটি পণ্ড হয়ে যায়। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরীর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আগমন উপলক্ষ্যে ওই রাতে জেলা পুলিশের উদ্যোগে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠান চলাকালে উচ্চশব্দে গান বাজানো নিয়ে পাশের দারুল আরকাম মাদরাসার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের কথা-কাটাকাটি হয়।
মাদরাসার শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, পরদিন তাদের পরীক্ষা থাকায় উচ্চশব্দে গান বাজানোর কারণে পড়াশোনায় সমস্যা হচ্ছিল। এ কারণে প্রথমে কয়েকজন শিক্ষার্থী পুলিশ লাইন্সে গিয়ে শব্দ কমানোর অনুরোধ করেন। কিছু সময় শব্দ কমানো হলেও পরে আবার উচ্চস্বরে গান বাজানো শুরু হয়।
এ নিয়ে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বাদানুবাদ শুরু হলে একপর্যায়ে শতাধিক মাদরাসাশিক্ষার্থী পুলিশ লাইন্সের ভেতরে প্রবেশ করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। এ সময় শিক্ষার্থীদের একাংশ পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ে বলে স্থানীয়রা জানান।
সংঘর্ষের পর রাত সাড়ে ১২টার দিকে জামিয়া দারুণ আরকাম আল-ইসলামিয়া মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমানের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাহ মোহাম্মদ আব্দুর রউফ।
বৈঠকে ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষয়’ পরিচয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিরা কয়েকটি দাবি জানান। দাবিগুলোর মধ্যে ছিল— জেলা পুলিশ লাইন্সে আর কোনো গানের অনুষ্ঠান না করার লিখিত প্রতিশ্রুতি, শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারী ও হামলার নির্দেশদাতাদের বরখাস্তসহ শাস্তি, আহতদের দ্রুত চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণ এবং পুলিশ সুপারের বিনাশর্তে ক্ষমা চাওয়া।
হাসনাতের বক্তব্য ঘিরে নতুন উত্তেজনা
বৃহস্পতিবার কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে কিশোরগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ লাইন্সে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৌকাবাইচ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় কার্যকর ব্যবস্থা নিতে না পারায় সরকারের ব্যর্থতার সমালোচনা করেন।
এর প্রতিবাদে শুক্রবার মধ্যরাতে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ শহরে বিক্ষোভ করে। এ সময় হাসনাত আবদুল্লাহ ও এনসিপির বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া হয়। তার বক্তব্যের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বানও জানান বিক্ষোভকারীরা।
অন্যথায় শনিবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিল্পকলা একাডেমিতে এনসিপির পূর্বনির্ধারিত সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালা করতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা। একই স্থানে ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করার ঘোষণাও দেন মাদরাসা ছাত্ররা।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে জেলা প্রশাসন দুপক্ষকেই শিল্পকলা একাডেমিতে কোনো সভা না করার কথা জানায়।
মাদরাসায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নিয়ে শনিবার বিকেলে জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদরাসায় যান এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সেখানে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের নেতাদের পাশাপাশি মাদরাসার অধ্যক্ষ ও জেলা হেফাজতে ইসলামের সভাপতি মুফতি মুবারকুল্লাহ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
পরে মাদরাসা প্রাঙ্গণেই বিষয়টি মীমাংসা করে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পাটওয়ারী। এ সময় তার পাশে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের নেতারাও ছিলেন।
‘গান বন্ধ করতে যায়নি ছাত্ররা’
১৮ আগস্টের ঘটনা প্রসঙ্গে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছাত্ররা রাতে পরের দিনের পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতেছিল। অতিথিরা চলে যাওয়ার পর অনুষ্ঠানে শব্দ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরীক্ষার কথা বলে শব্দ কমিয়ে দিতে বলে মাদরাসার শিক্ষার্থীরা। এতে আমাদের ভালো হয়।’
তিনি বলেন, ‘এরপর ছাত্রদের বেধড়ক মারধর ও মাথায় আঘাত করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশ দুঃখ প্রকাশ করেছে। কিন্তু ছাত্রদের যে আঘাত করা হয়েছে, সেটার বিচার করা হয়নি।’
পাটওয়ারীর ভাষ্য, ‘পরবর্তীতে মিডিয়া প্রকাশ করেছে যে, ছাত্ররা গান-বাজনা বন্ধ করে দিয়েছে। কিন্তু ছাত্ররা গান-বাজনা বন্ধ করতে যায়নি। তারা বলেছে সাউন্ডটা কমানোর জন্য। মিডিয়ার ফ্রেমিংটা পুরো বাংলাদেশে চলে গেছে।’
এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সমালোচনা করেন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করছেন। সালাহউদ্দিন ভাই, বরাবরই এই কাজটা করে থাকেন। সালাহউদ্দিন ভাই যদি মূল ঘটনা জানতেন, মাদ্রাসার ছাত্রদের পাশে ওনার দাঁড়ানো উচিত ছিল।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ লাইন্সে মাদরাসার শিক্ষার্থীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধ করতে নয়, পরদিন পরীক্ষা থাকায় শব্দ কমাতে বলতে গিয়েছিল বলে দাবি করেছেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
এনসিপির এই নেতা বলেন, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হলেও ঘটনার বিচার হয়নি। পরে গণমাধ্যমে শিক্ষার্থীরা গান-বাজনা বন্ধ করে দিয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শনিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদরাসায় (বড় মাদরাসা) কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের সঙ্গে বৈঠক শেষে নেতাদের কথার বরাতে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন পাটওয়ারী।
এর আগে ১৮ আগস্ট (মঙ্গলবার) রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ লাইন্সে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলাকালে মাদরাসার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে মাদরাসার শিক্ষার্থী ও পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন। পরে অনুষ্ঠানটি পণ্ড হয়ে যায়। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরীর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আগমন উপলক্ষ্যে ওই রাতে জেলা পুলিশের উদ্যোগে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠান চলাকালে উচ্চশব্দে গান বাজানো নিয়ে পাশের দারুল আরকাম মাদরাসার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের কথা-কাটাকাটি হয়।
মাদরাসার শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, পরদিন তাদের পরীক্ষা থাকায় উচ্চশব্দে গান বাজানোর কারণে পড়াশোনায় সমস্যা হচ্ছিল। এ কারণে প্রথমে কয়েকজন শিক্ষার্থী পুলিশ লাইন্সে গিয়ে শব্দ কমানোর অনুরোধ করেন। কিছু সময় শব্দ কমানো হলেও পরে আবার উচ্চস্বরে গান বাজানো শুরু হয়।
এ নিয়ে পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বাদানুবাদ শুরু হলে একপর্যায়ে শতাধিক মাদরাসাশিক্ষার্থী পুলিশ লাইন্সের ভেতরে প্রবেশ করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। এ সময় শিক্ষার্থীদের একাংশ পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ে বলে স্থানীয়রা জানান।
সংঘর্ষের পর রাত সাড়ে ১২টার দিকে জামিয়া দারুণ আরকাম আল-ইসলামিয়া মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমানের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাহ মোহাম্মদ আব্দুর রউফ।
বৈঠকে ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষয়’ পরিচয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিরা কয়েকটি দাবি জানান। দাবিগুলোর মধ্যে ছিল— জেলা পুলিশ লাইন্সে আর কোনো গানের অনুষ্ঠান না করার লিখিত প্রতিশ্রুতি, শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারী ও হামলার নির্দেশদাতাদের বরখাস্তসহ শাস্তি, আহতদের দ্রুত চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণ এবং পুলিশ সুপারের বিনাশর্তে ক্ষমা চাওয়া।
হাসনাতের বক্তব্য ঘিরে নতুন উত্তেজনা
বৃহস্পতিবার কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে কিশোরগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ লাইন্সে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৌকাবাইচ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় কার্যকর ব্যবস্থা নিতে না পারায় সরকারের ব্যর্থতার সমালোচনা করেন।
এর প্রতিবাদে শুক্রবার মধ্যরাতে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ শহরে বিক্ষোভ করে। এ সময় হাসনাত আবদুল্লাহ ও এনসিপির বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া হয়। তার বক্তব্যের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বানও জানান বিক্ষোভকারীরা।
অন্যথায় শনিবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শিল্পকলা একাডেমিতে এনসিপির পূর্বনির্ধারিত সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালা করতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা। একই স্থানে ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করার ঘোষণাও দেন মাদরাসা ছাত্ররা।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে জেলা প্রশাসন দুপক্ষকেই শিল্পকলা একাডেমিতে কোনো সভা না করার কথা জানায়।
মাদরাসায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নিয়ে শনিবার বিকেলে জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদরাসায় যান এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সেখানে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের নেতাদের পাশাপাশি মাদরাসার অধ্যক্ষ ও জেলা হেফাজতে ইসলামের সভাপতি মুফতি মুবারকুল্লাহ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
পরে মাদরাসা প্রাঙ্গণেই বিষয়টি মীমাংসা করে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পাটওয়ারী। এ সময় তার পাশে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের নেতারাও ছিলেন।
‘গান বন্ধ করতে যায়নি ছাত্ররা’
১৮ আগস্টের ঘটনা প্রসঙ্গে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছাত্ররা রাতে পরের দিনের পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতেছিল। অতিথিরা চলে যাওয়ার পর অনুষ্ঠানে শব্দ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরীক্ষার কথা বলে শব্দ কমিয়ে দিতে বলে মাদরাসার শিক্ষার্থীরা। এতে আমাদের ভালো হয়।’
তিনি বলেন, ‘এরপর ছাত্রদের বেধড়ক মারধর ও মাথায় আঘাত করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশ দুঃখ প্রকাশ করেছে। কিন্তু ছাত্রদের যে আঘাত করা হয়েছে, সেটার বিচার করা হয়নি।’
পাটওয়ারীর ভাষ্য, ‘পরবর্তীতে মিডিয়া প্রকাশ করেছে যে, ছাত্ররা গান-বাজনা বন্ধ করে দিয়েছে। কিন্তু ছাত্ররা গান-বাজনা বন্ধ করতে যায়নি। তারা বলেছে সাউন্ডটা কমানোর জন্য। মিডিয়ার ফ্রেমিংটা পুরো বাংলাদেশে চলে গেছে।’
এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সমালোচনা করেন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করছেন। সালাহউদ্দিন ভাই, বরাবরই এই কাজটা করে থাকেন। সালাহউদ্দিন ভাই যদি মূল ঘটনা জানতেন, মাদ্রাসার ছাত্রদের পাশে ওনার দাঁড়ানো উচিত ছিল।’

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের বিষয়ে এক সাংবাদিক ভারতের ভাবনা জানতে চাইলে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘আমরা সব ঘটনার ওপর ঘনিষ্ঠভাবে নজর রাখছি। বিশেষ করে তা যদি ভারতের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত বিষয় হয়। নিরাপত্তা সুরক্ষায় আমরা প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নিয়ে থাকি।’
১ দিন আগে
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে পাঠানো বার্তায় পুতিন উল্লেখ করেন, "বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে আপনার এই দায়িত্ব গ্রহণ দুই দেশের ঐতিহাসিক ও সুদৃঢ় সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।" বার্তায় তিনি নতুন রাষ্ট্রপতির ব্যক্তিগত মঙ্গল ও সুস্বাস্থ্য কামনার পাশাপাশি বন্ধুপ্রতিম বাংলাদেশের জনগণের অব্যাহত সমৃদ্ধি
১ দিন আগে
বিরোধী দলের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "বিরোধী দল আন্দোলন করে বিএনপিকে জিম্মি করতে চায়। শেখ হাসিনা যেভাবে অতীতে টানা হরতাল দিয়ে মানুষকে জিম্মি করে ক্ষমতায় এসে দেশের ১২টা বাজিয়ে দিয়েছিল, তারা ভাবছে সেই পথেই সুবিধা পাবে। তারা মনে করছে আন্দোলন করলে বিএনপি, তারেক রহমান কিংবা মন্
১ দিন আগে
নৈতিক স্খলনের অভিযোগে জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে সংসদীয় দুটি কমিটি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার জায়গায় বিরোধী দলের পক্ষ থেকে নতুন দুই সদস্যের নাম প্রস্তাব করা হয়।
২ দিন আগে