ভারতের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) এই রদবদল ঘটালেও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ কিন্তু থামেনি। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে যন্তর মন্তরে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। তবে এ পরিস্থিতির মাঝেই রাতে অনশন ভেঙে মেদা
শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান তরুণ বয়সে ওড়িশায় প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিচ্ছেন— এমন একটি পুরোনো ছবি সম্পর্কে অভিজিৎকে প্রশ্ন করেছিল ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। জবাবে তিনি দীপকে বলেন, ‘তাহলে আমার মনে হয় তারও আমাদের সঙ্গে যন্তর মন্তরে যোগ দেওয়া উচিত। আমরা তাকে স্বাগত জানাব। এমনকি তার পদত্যাগ
ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) নেতৃত্বাধীন বিক্ষোভে সহিংসতায় সরাসরি জড়িত ব্যক্তিদের পাসপোর্ট বাতিল করা হতে পারে। দিল্লি পুলিশের সূত্রের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে ভারতের সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।
ভারতে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের চলমান বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে দিল্লির কেন্দ্রীয় অংশ এবং বিক্ষোভস্থলের আশপাশে মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্র বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছে। সূত্রগুলোর ভাষ্য, সরকারের নির্
সরকারের দাবি, গত ২৪ ঘণ্টায় চারবার আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। তবে আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডার বাসভবনে নয়, জন্তর মন্তর বা আন্দোলনস্থলের কাছাকাছি কোনো নিরপেক্ষ স্থানে আলোচনা হতে হবে।
ভারতের মুম্বাইয়ে বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের মিথ্যা মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে পুলিশের এক কনস্টেবলকে বর্তমান দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলন আরও তীব্র হয়েছে। বৃহস্পতিবার দিনের শুরুতেই আবারও বিক্ষোভে নামেন আন্দোলনকারীরা। আন্দোলনের মধ্যেই সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে অভিযোগ করেছেন, বিজেপি বাইরে থেকে ‘গুন্ডা’ এনে আন্দোলনে ব
নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে শিক্ষার্থীদের টানা বিক্ষোভ এবং পার্লামেন্টে অচলাবস্থার মধ্যে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে এ বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত বিচার ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে বিশেষ দ্রুত বিচার আদালত (ফাস্ট-ট
আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতেই বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ব্যস্ততম রুটে হঠাৎ গণপরিবহন স্তব্ধ হয়ে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজার হাজার কর্মজীবী মানুষ ও সাধারণ যাত্রী।
ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান রাহুল গান্ধীর সমালোচনা করায় তার বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে কংগ্রেস। দলটির অভিযোগ, বিজেপি নেতা ধর্মেন্দ্র প্রধান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মতোই ‘অসংবেদনশীল, অদক্ষ এবং অভ্যাসগত মিথ্যাবাদী’। একই সঙ্গে কংগ্রেস বলেছে, খুব শিগগিরই শিক্ষামন্ত্র
ভারতের মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তির সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা (নিট) প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবির মধ্যেই বুধবার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি।
পুলিশ মিছিলকারীদের ওপরে ‘অত্যাচার চালিয়েছে’ অভিযোগ করে বুধবার (২২ জুলাই) শীর্ষ আদালতের স্বতঃপ্রণোদিত হস্তক্ষেপ চেয়েছিলেন এক আইনজীবী। এ নিয়ে জরুরি শুনানির আবেদন খারিজ করে দেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের ডিভিশন বেঞ্চ। সে দিনের ঘটনার ভিডিও আদালতকে দেখাতে চেয়েছিলেন আবেদনকারী আইনজীবী। প্রধান বিচারপতি স
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘নীরবতা’ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। বিশেষ করে সোনম ওয়াংচুকের চলমান অনশন কর্মসূচি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কোনো প্রতিক্রিয়া না আসায় তিনি এ প্রশ্ন তোলেন।
ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের খবরে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে থেকে জোর করে ধরে আনার পর রাহুল গান্ধীকে ছত্রাশাল স্টেডিয়ামে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরে একটি গাড়িতে করে তাকে সেখান থেকে চলে যেতে দেখা গেছে।
মঙ্গলবার দুপুর থেকে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভাদ্রাসহ কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন। তবে বিকেলের পর তাদের আটক করা শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। একই দিনে সিজেপিও ঘোষণা দিয়েছে, তারা আর সংসদ অভিমুখে মিছিল করবে না, তবে
মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন লোকসভার বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন কেরালার ওয়ানাড়ের সাংসদ ও বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভাদ্রা এবং কংগ্রেসের আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতা।
সীমান্তে বিপুলসংখ্যক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েনের পাশাপাশি একাধিক ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। মহাসমাবেশের আগে হরিয়ানার বিভিন্ন স্থান থেকে কয়েকজন কৃষক নেতাকেও আটক করেছে পুলিশ। কৃষক নেতাদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বাধা দিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।