তিনি বলেন, সংস্কারের পক্ষ নিয়ে কেউ যদি নির্বাচনকে বিলম্বিত করার কথা বলে, সেটাও মানুষ নিবে না। আবার নির্বাচনের কথা বলে সংস্কার যদি আড়াল হয়ে যায়, সেটাও মানুষ গ্রহণ করবে না। আমরা সংস্কারও চাই আবার নির্বাচনও চাই। এই কাজ করতে হলে আমাদেরকে নূন্যতম ঐক্যমতে দাঁড়াত হবে। নূন্যতম জাতীয় ঐক্যবদ্ধ হতে না পারলে, অ
'হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ট্রাস্ট’ সংক্রান্ত অনিয়ম নিরসনে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ চেয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে চিঠি দিয়েছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ছেলে শাহাতা জারাব এরিক এরশাদ।
নুর বলেন, আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করার সুযোগ দেয়া যাবে না। তারা যদি আবার কোনোভাবে ফিরে আসে তাহলে ২০০৮ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত যে নারকীয় তাণ্ডব করেছে সেটি শুরু হবে। ফের হাসিনাবাদ কায়েম হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘বাণিজ্য উপদেষ্টা বশিরউদ্দিন দায়িত্ব গ্রহণের শুরুতেই সয়াবিন তেলের কালোবাজারি সিন্ডিকেটের কাছে নতিস্বীকার করে প্রতি লিটারে ৮ টাকা মূল্যবৃদ্ধি করে সাধারণ মানুষের হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাটে সহযোগিতা করেছেন।’
জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ডাকা সর্বদলীয় বৈঠকে অংশ নেবে না সাবেক সেনাকর্মকর্তা অলি আহমদের নেতৃত্বাধীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)।
দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশ ঐক্য পার্টির ভাইস-চেয়ারম্যান ও মুখপাত্র মুহাম্মদ আবদুর রহীম চৌধুরী বলেন, আওয়ামী লীগ আমলের মতো এখনও বিভাজনের রাজনীতি চলছে। ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার লুটপাটের স্রোত কমিয়ে আনাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল হলেও সেটা কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে নয়। অথচ দেশবাসীর
তিনি আরও বলেন, বিএনপির বিকল্প যদি কোনো শক্তিশালী রাজনৈতিক দল গড়ে না ওঠে, আবারও আওয়ামী লীগের আসার সুযোগ থাকবে। আওয়ামী লীগকে কামব্যাক করানোর জন্য ভারত হাজার হাজার কোটি টাকা ইনভেস্ট করবে। কাজেই, আওয়ামী লীগের বিচারের দাবিতে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। আওয়ামী লীগকে এদেশে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দেয়া যাবে না।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পদ্ধতি এবং তার ক্ষমতার বিষয় নিয়ে বেশ কিছু প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেছে জাতীয় নাগরিক কমিটি। মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) প্রস্তাবনায় বলা হয়, রাষ্ট্রপতি জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন এবং একজন ব্যক্তি দুই বারের অধিক রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হতে পারবেন না।
গণফোরামের ইমেরিটাস সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত ও মীমাংসিত বিষয়গুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হলে তা অগ্রসরমাণ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা বাধাগ্রস্ত করবে। আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
এবি পার্টির সদস্যসচিব বলেন, আমরা সরকারকে বার বার বলেছি সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে একত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করে পদক্ষেপ নিতে। সরকারের কার্যক্রমে পরিকল্পনার কোনো ছাপ নেই, তারা সবকিছুতে তাৎক্ষণিক চাপের মুখে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে যা তাদের ইমেজকে ক্ষুণ্ণ করছে।
‘মুক্তিযুদ্ধ ও ৭২ এর সংবিধান প্রশ্নবিদ্ধ করলে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে পরাজিত শক্তি লাভবান হবে’ শীর্ষক শিরোনামের বিবৃতিতে বলা হয়, ৭২ এর সংবিধান নয়, কবর রচনা করতে হবে দীর্ঘ ১৫ বছর জনগণের অধিকার হরণকারী, হাজার হাজার মানুষকে গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যার মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করা এবং জুলাই-আগস্ট গণঅভ্য
আওয়ামী লীগের পতন থেকে বিএনপির শিক্ষা নেওয়া উচিত মন্তব্য করে হানিফ বলেন, ‘আওয়ামী লীগ গত ১৫ বছর দেশে গুম খুন করেছে। জুলাইয়ে ছাত্র জনতার আন্দোলনে গণহত্যা চালিয়েছে। গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগের বিচার না হওয়া পর্যন্ত দলটি বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবে না।’
এ সময় তিনি বলেন, গণ অভ্যুত্থাণের পরে শ্রমিকদের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হয়নি। অথচ গণ অভ্যুত্থানে ছাত্র-যুবকদের পর সবচেয়ে বেশি শহীদ হয়েছে আমাদের গার্মেন্টস শ্রমিক, সাধারণ শ্রমজীবী, নিম্নবিত্ত-মধ্যবিত্ত মানুষ। সেই মানুষের দৈনন্দিন জীবেন যে সংকট সেই সংকট এখনো পর্যন্ত সমাধান হয়নি।
এলডিপি প্রেসিডেন্ট ভোটাধিকার প্রয়োগে সতর্ক করে বলেন, আওয়ামী লীগ চলে গেছে, কিন্তু অন্যরা ডাকাতি করছে, চাঁদাবাজি করছে। তাহলে লাভটা কী? দেশ শান্তিতে থাকতে হবে। ইউনিয়ন নির্বাচন হবে, উপজেলা নির্বাচন হবে। মেম্বার-চেয়ারম্যানকে ঠিকভাবে নির্বাচিত করতে হবে। আবেগের বদলে বিবেককে কাজে লাগাতে হবে।
মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন, পরিকল্পিতভাবে দুর্নীতির নথি ধ্বংস করতে সচিবালয়ে আগুন লাগানো হয়েছে। যারা এটি করেছে তাদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। আমাদের ছাত্রসমাজ, রাজনৈতিক সমাজ আজ দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগছে। সময় এসেছে জুলাইয়ের চেয়েও কঠিন ও শক্তিশালী জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার। অন্তর্বর্তী সরকারকে বলতে চাই- আমরা আপনা
মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, নিত্যপণ্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে জনগণ দিশেহারা। সরকারের কোনও পদক্ষেপই কালোবাজারি সিন্ডিকেটের অপতৎপরতা রুখতে পারছে না। তাই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃবহাল করে ৬ মাসের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন দিয়ে জনপ্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।
গণ অধিকার পরিষদের প্রতিনিধিদলে ছিলেন দলটির উচ্চতর পরিষদ সদস্য শাকিল উজ্জামান, আরিফ তালুকদার, ফাতেমা তাসনিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন, মাহফুজুর রহমান খান, মানবাধিকার সম্পাদক খালিদ হাসান, যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মনজুর মোর্শেদ মামুন, ছাত্র অধিকার পরিষদ সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান।