
ক্রীড়া ডেস্ক

ব্যাট হাতে শেষ দিকে শেখ মেহেদী হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমানের লড়াইয়ে কোনোভাবে ১৩১ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। তবে সেই সংগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার জন্য যথেষ্ট চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে পারেনি। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে সফরকারীরা।
বুধবার (১৭ জুন) বাংলাদেশের দেওয়া ১৩২ রানের লক্ষ্য ১০ বল ও ৪ উইকেট হাতে রেখেই পেরিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। মাঝেমধ্যে উইকেট হারালেও লক্ষ্য তাড়ায় কখনোই খুব বেশি চাপে পড়তে হয়নি তাদের।
অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের শুরুতেই সাফল্য এনে দেন শরিফুল ইসলাম। তার দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে ফেরেন জস ইংলিস। ১৩ রানে প্রথম উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া।
এরপর মোস্তাফিজুর রহমানের শিকার হন অধিনায়ক মিচেল মার্শ। ১৪ বলে ১৩ রান করা মার্শ অফ স্টাম্পের বাইরের বলে আপার কাট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দেন শরিফুলের হাতে। ৫ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ছিল ৩৮ রান।
তবে এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করেন কুপার কনোলি। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করা এই বাঁহাতি ব্যাটার বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। অভিষিক্ত আব্দুল গাফফারের এক ওভারে ছক্কা ও চার মারার পর তৃতীয় বলে অবশ্য বিদায় নেন তিনি। বাউন্ডারিতে শরিফুলের হাতে ধরা পড়ার আগে ২৭ বলে ৪৭ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন কনোলি।
বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা করেন মেহেদী হাসানও। তার বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন টিম ডেভিড। ১৬ বলে ২০ রান করা এই ব্যাটারের বিদায়ে কিছুটা আশা জাগে স্বাগতিকদের।
এরপর রিশাদ হোসেনের বলে পারভেজ হোসেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন নিখিল চৌধুরী। ১৩ বলে ১৮ রান করেন তিনি। আরেক প্রান্তে ধীরগতির ইনিংস খেলা ম্যাট রেনশও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। অভিষিক্ত আব্দুল গাফফারের বলে সাইফ হাসানের হাতে ক্যাচ দেওয়ার আগে ২৮ বলে ১৮ রান করেন তিনি।
তবে শেষ পর্যন্ত ম্যাচ বের করে নিতে কোনো সমস্যা হয়নি অস্ট্রেলিয়ার। অভিষিক্ত বাঁহাতি স্পিনার জোয়েল ডেভিস ৭ ও জেভিয়ার বার্টলেট ৪ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিয়েছিল বাংলাদেশ। সাইফ হাসান ১৪ বলে ২০ রান করেন। তানজিদ হাসান করেন ৯ বলে ১০ রান। ক্রিজে নেমেই প্রথম বল ছক্কায় উড়িয়ে দেন অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি।
সৌম্য সরকার, পারভেজ হোসেন, শামীম হোসেন ও অভিষিক্ত আব্দুল গাফফার দ্রুত ফিরে গেলে মাঝপথেই ব্যাটিং ধসে পড়ে বাংলাদেশ। ১৩ ওভারে ৮৬ রানেই ৭ উইকেট হারিয়ে বসে দল।
পরে শরিফুল ইসলামের ছোট্ট ক্যামিও ও শেষ উইকেটে শেখ মেহেদী হাসান-মোস্তাফিজুর রহমানের গুরুত্বপূর্ণ জুটিতে কিছুটা লড়াইয়ের পুঁজি পায় বাংলাদেশ। মেহেদী ২২ বলে ৪ চারসহ অপরাজিত ২৯ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ১৯ ওভারে ১৩১ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন অ্যাডাম জাম্পা, জোয়েল ডেভিস ও জেভিয়ার বার্টলেট। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিয়ে তারা বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপকে বড় সংগ্রহ গড়ার সুযোগ দেননি।
এই জয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ: ১৯ ওভার ১৩১ (সাইফ ২০, তানজিদ ১০, সৌম্য ১৭, হৃদয় ৮, পারভেজ ১০, সাকলাইন ১০, শামীম ১, মেহেদি ২৯*, রিশাদ ৩, শরিফুল ৭, মুস্তাফিজ ৭; জনসন ২-০-১০-১, বার্টলেট ২-০-১৯-০, এলিস ৩-০-২২-০, রেনশ ৩-০-২৬-২, জ্যাম্পা ৪-০-১৮-৩, ডেভিস ৩-০-১৭-৩, নিখিল ২-০-১৪-১)
অস্ট্রেলিয়া: ১৮.২ ওভার ১৩৩/৬ (মার্শ ১৩, ইংলিস ৫, কনোলি ৪৭, ডেভিড ২০, রেনশ ১৮, নিখিল ১৮, ডেভিস ৭*, বার্টলেট ৪*; শরিফুল ৩-০-২২-১, মুস্তাফিজ ৩-০-১৬-১, মেহেদি ৪-০-২৯-১, রিশাদ ৪-০-২৬-১, সাকলাইন ৩.২-০-৩২-২, সাইফ ১-০-৭-০)।

ব্যাট হাতে শেষ দিকে শেখ মেহেদী হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমানের লড়াইয়ে কোনোভাবে ১৩১ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। তবে সেই সংগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার জন্য যথেষ্ট চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে পারেনি। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে সফরকারীরা।
বুধবার (১৭ জুন) বাংলাদেশের দেওয়া ১৩২ রানের লক্ষ্য ১০ বল ও ৪ উইকেট হাতে রেখেই পেরিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। মাঝেমধ্যে উইকেট হারালেও লক্ষ্য তাড়ায় কখনোই খুব বেশি চাপে পড়তে হয়নি তাদের।
অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের শুরুতেই সাফল্য এনে দেন শরিফুল ইসলাম। তার দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে ফেরেন জস ইংলিস। ১৩ রানে প্রথম উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া।
এরপর মোস্তাফিজুর রহমানের শিকার হন অধিনায়ক মিচেল মার্শ। ১৪ বলে ১৩ রান করা মার্শ অফ স্টাম্পের বাইরের বলে আপার কাট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দেন শরিফুলের হাতে। ৫ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ছিল ৩৮ রান।
তবে এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করেন কুপার কনোলি। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করা এই বাঁহাতি ব্যাটার বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। অভিষিক্ত আব্দুল গাফফারের এক ওভারে ছক্কা ও চার মারার পর তৃতীয় বলে অবশ্য বিদায় নেন তিনি। বাউন্ডারিতে শরিফুলের হাতে ধরা পড়ার আগে ২৭ বলে ৪৭ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন কনোলি।
বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা করেন মেহেদী হাসানও। তার বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন টিম ডেভিড। ১৬ বলে ২০ রান করা এই ব্যাটারের বিদায়ে কিছুটা আশা জাগে স্বাগতিকদের।
এরপর রিশাদ হোসেনের বলে পারভেজ হোসেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন নিখিল চৌধুরী। ১৩ বলে ১৮ রান করেন তিনি। আরেক প্রান্তে ধীরগতির ইনিংস খেলা ম্যাট রেনশও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। অভিষিক্ত আব্দুল গাফফারের বলে সাইফ হাসানের হাতে ক্যাচ দেওয়ার আগে ২৮ বলে ১৮ রান করেন তিনি।
তবে শেষ পর্যন্ত ম্যাচ বের করে নিতে কোনো সমস্যা হয়নি অস্ট্রেলিয়ার। অভিষিক্ত বাঁহাতি স্পিনার জোয়েল ডেভিস ৭ ও জেভিয়ার বার্টলেট ৪ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিয়েছিল বাংলাদেশ। সাইফ হাসান ১৪ বলে ২০ রান করেন। তানজিদ হাসান করেন ৯ বলে ১০ রান। ক্রিজে নেমেই প্রথম বল ছক্কায় উড়িয়ে দেন অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি।
সৌম্য সরকার, পারভেজ হোসেন, শামীম হোসেন ও অভিষিক্ত আব্দুল গাফফার দ্রুত ফিরে গেলে মাঝপথেই ব্যাটিং ধসে পড়ে বাংলাদেশ। ১৩ ওভারে ৮৬ রানেই ৭ উইকেট হারিয়ে বসে দল।
পরে শরিফুল ইসলামের ছোট্ট ক্যামিও ও শেষ উইকেটে শেখ মেহেদী হাসান-মোস্তাফিজুর রহমানের গুরুত্বপূর্ণ জুটিতে কিছুটা লড়াইয়ের পুঁজি পায় বাংলাদেশ। মেহেদী ২২ বলে ৪ চারসহ অপরাজিত ২৯ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ১৯ ওভারে ১৩১ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন অ্যাডাম জাম্পা, জোয়েল ডেভিস ও জেভিয়ার বার্টলেট। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিয়ে তারা বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপকে বড় সংগ্রহ গড়ার সুযোগ দেননি।
এই জয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
বাংলাদেশ: ১৯ ওভার ১৩১ (সাইফ ২০, তানজিদ ১০, সৌম্য ১৭, হৃদয় ৮, পারভেজ ১০, সাকলাইন ১০, শামীম ১, মেহেদি ২৯*, রিশাদ ৩, শরিফুল ৭, মুস্তাফিজ ৭; জনসন ২-০-১০-১, বার্টলেট ২-০-১৯-০, এলিস ৩-০-২২-০, রেনশ ৩-০-২৬-২, জ্যাম্পা ৪-০-১৮-৩, ডেভিস ৩-০-১৭-৩, নিখিল ২-০-১৪-১)
অস্ট্রেলিয়া: ১৮.২ ওভার ১৩৩/৬ (মার্শ ১৩, ইংলিস ৫, কনোলি ৪৭, ডেভিড ২০, রেনশ ১৮, নিখিল ১৮, ডেভিস ৭*, বার্টলেট ৪*; শরিফুল ৩-০-২২-১, মুস্তাফিজ ৩-০-১৬-১, মেহেদি ৪-০-২৯-১, রিশাদ ৪-০-২৬-১, সাকলাইন ৩.২-০-৩২-২, সাইফ ১-০-৭-০)।

এবার আর প্যারিসে নয়, ইংল্যান্ডের লন্ডনে অনুষ্ঠিত হবে ব্যালন ডি’অরের ৭০তম আসর। আগামী ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠানে ২০২৫-২৬ মৌসুমের সেরা ফুটবলার, কোচ ও ক্লাবদের পুরস্কৃত করা হবে।
৭ দিন আগে
ফিফার নিষেধাজ্ঞার মূল কারণ ছিল সাবেক খেলোয়াড় ও কোচদের পাওনা অর্থ পরিশোধ না করা। নিষেধাজ্ঞা কাটাতে ক্লাবগুলোকে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়, কোচ বা এজেন্টের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছাতে হয় এবং বকেয়া অর্থ পরিশোধ করতে হয়। এরপর অর্থ পরিশোধের প্রমাণপত্রসহ প্রয়োজনীয় নথি ফিফার কাছে জমা দেওয়া হয়। ফিফা এসব নথি যাচাই করে সন্তু
৮ দিন আগে
দারুণ খেলেও শেষ পর্যন্ত পয়েন্টশূন্য মাঠ ছাড়তে হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদকে। একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা পায়নি জোসে মরিনিয়োর দল। উল্টো ম্যাচের শেষ দিকে গোল হজম করে রিয়াল বেতিসের কাছে ১-০ গোলে হেরে মৌসুমের প্রথম পরাজয়ের স্বাদ পেয়েছে তারা।
১০ দিন আগে
এই চুক্তিতে নির্ধারিত ট্রান্সফার ফি-র পাশাপাশি ভবিষ্যতে মার্তিনেলিকে অন্য কোনো ক্লাবে বিক্রি করা হলে তার প্রাপ্ত অর্থের একটি অংশ আর্সেনাল পাবে বলেও চুক্তি স্বাক্ষর শেষে নিশ্চিত করেছে সৌদি ক্লাবটি। এর আগে ২০১৭ সালে অক্সলেড-চেম্বারলিনকে লিভারপুলের কাছে বিক্রির সময় প্রাপ্ত অর্থই ছিল গানার্সদের ট্রান্সফ
১১ দিন আগে