
ক্রীড়া ডেস্ক

ব্যাটিং ইনিংসের মতোই দশা বোলিং ইনিংসেরও। উড়ন্ত সূচনার পর ব্যাটিং ইনিংসের ফিনিশিংটা একদমই ভালো হয়নি। বোলিংয়েও দুর্দান্ত শুরুর পর খেই ধরে রাখতে পারেননি বোলাররা। তাতে ইনিংসের মাঝ বরাবর সহজ জয়টা পরিণত হলো স্নায়ুর লড়াইয়ে। শেষ পর্যন্ত সে লড়াইয়ে জিতেছে বাংলাদেশই। আফগানিস্তানকে হারিয়ে টিকে থাকল এশিয়া কাপের সুপার ফোরের লড়াইয়ে।
প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৫৪ রান সংগ্রহ করেছিল বাংলাদেশ। ২০ ওভারের শেষ বলে আফগানদের অলআউট করে দেয় ১৪৬ রানে। তাতে জয় মিলেছে ৮ রানে।
এ ম্যাচে জয়ে গ্রুপ পর্বের ৩ ম্যাচে দুই জয়ে ৪ পয়েন্ট সংগ্রহ হলো বাংলাদেশের ঝুলিতে। সমান পয়েন্ট রয়েছে শ্রীলঙ্কারও। তাতে শেষ শ্রীলঙ্কা-আফগান ম্যাচের ওপর নির্ভর করবে সুপার ফোরে উঠবে কোন দুই দল।
ব্যাটিং ইনিংসের মতোই দশা বোলিং ইনিংসেরও। উড়ন্ত সূচনার পর ব্যাটিং ইনিংসের ফিনিশিংটা একদমই ভালো হয়নি। বোলিংয়েও দুর্দান্ত শুরুর পর খেই ধরে রাখতে পারেননি বোলাররা। তাতে ইনিংসের মাঝ বরাবর সহজ জয়টা পরিণত হলো স্নায়ুর লড়াইয়ে। শেষ পর্যন্ত সে লড়াইয়ে জিতেছে বাংলাদেশই। আফগানিস্তানকে হারিয়ে টিকে থাকল এশিয়া কাপের সুপার ফোরের লড়াইয়ে।
প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৫৪ রান সংগ্রহ করেছিল বাংলাদেশ। ২০ ওভারের শেষ বলে আফগানদের অলআউট করে দেয় ১৪৬ রানে। তাতে জয় মিলেছে ৮ রানে।
এ ম্যাচে জয়ে গ্রুপ পর্বের ৩ ম্যাচে দুই জয়ে ৪ পয়েন্ট সংগ্রহ হলো বাংলাদেশের ঝুলিতে। সমান পয়েন্ট রয়েছে শ্রীলঙ্কারও। তাতে শেষ শ্রীলঙ্কা-আফগান ম্যাচের ওপর নির্ভর করবে সুপার ফোরে উঠবে কোন দুই দল।
মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবির জায়েদ স্টেডিয়ামে বাঁচামরার ম্যাচে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। আগের একাদশে চারটি পরিবর্তন এনে টসে জিতে ব্যাটিং বেছে নেন লিটন দাস। তাতে দলে মূল বোলার ছিলেন দুজন করে পেসার ও স্পিনার মিলিয়ে চারজন। সঙ্গে ছিলেন দুজন পার্টটাইম স্পিনার। শেষ পর্যন্ত অবশ্য সেই পার্টটাইমারদের চারটি ওভারই ভুগিয়েছে বাংলাদেশকে।
মূল বোলারদের মধ্যে তাসকিন আহমেদ ৪ ওভারে দিয়েছেন ৩৪ রান, মুস্তাফিজুর রহমান দিয়েছেন ২৮। রিশাদ হোসেন দিয়েছেন ১৮ রান। সবচেয়ে কৃপণ ছিলেন নাসুম আহমেদ, তার ৪ ওভারে রান আসে মাত্র ১১। সেখানে সাইফ হাসান ও শামীম হোসেনের ওই ৪ ওভারে রান আসে ৫৫! ম্যাচ শেষ পর্যন্ত স্নায়ুর লড়াইয়ে গড়ানোর ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে ওই ৪ ওভারই।
অথচ বোলিং ইনিংসের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। প্রথম বলেই সেদিকুল্লাহ আতালকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলে ফিরিয়ে দেন নাসুম। প্রথম ওভারটি মেডেনও নেন তিনি। টানা তৃতীয় ওভারে বোলিংয়ে এসে আবারও উইকেট নেন, ফিরিয়ে দেন ইবরাহিম জাদরানকে, ১২ বলে মাত্র ৫ করতে সক্ষম হন তিনি। দলের রান তখন ১৮। শেষ পর্যন্ত পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে মাত্র ২৭ রান করতে সমর্থ হন আফগান ব্যাটাররা।
গুলবাদিন নাইবকে নিয়ে আরেক ওপেনার রহমানুল্লাহ গুরবাজ শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেন। তাদের জুটিতে আসে ২৭ বলে ৩৩ রান। ইনিংসের নবম ও নিজের দ্বিতীয় ওভারে গুলবাদিনকে ফিরিয়ে দেন রিশাদ। গুরবাজ সুযোগ বুঝে থিতু হওয়ার চেষ্টা করলেও তাকে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। দলের একাদশ আর নিজের তৃতীয় ওভারে এসে রিশাদ ফিরিয়ে দেন ৩১ বলে ৩৫ রান করা গুরবাজকে।
১১ ওভারে ৬৪ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারানোর পর মোহাম্মদ নবীও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ১৫ বলে ১৫ করে মুস্তাফিজের বলে বোল্ড হয়ে যান দলের ৭৭ রানের মাথায়। এ পর্যায়ে আফগানিস্তানকে কিছুটা আশার আলো দেখান ছয়ে ব্যাটিংয়ে নামা আজমতউল্লাহ ওমরজাই। তার প্রধান টার্গেটে পরিণত হন পার্টটাইমার সাইফ। ১৫ বলে তিন ছক্কা আর এক চারে ৩০ রান করে যখন ভয়ংকর হয়ে ওঠার ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন, তখনই তাকে ফেরান তাসকিন। ষষ্ঠ উইকেট হারিয়ে দলের রান তখন ১০৯।
তবে হাল ছাড়েননি আফগান ব্যাটাররা। করিম জানাত ব্যর্থ হলেও রশিদ খান আর নূর মোহাম্মদ চালিয়ে খেলেছেন। রশিদের ১১ বলে ২০ আর নূরের ৯ বলে ১৪ রানের ইনিংসে লক্ষ্যের অনেকটাই কাছাকাছি পৌঁছে যায় আফগানিস্তান। হাতে ৪ উইকেট রেখে শেষ ৩ ওভারে তাদের প্রয়োজন ছিল ৩১ রান। অষ্টাদশ ওভারে নাসুম এসে মাত্র ৪ রান দিলে আর ওই ওভারেই একটি রানআউট হলে ম্যাচের পাল্লা বাংলাদেশের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
১৯তম ওভারে মুস্তাফিজ বোলিংয়ে এসে পরপর দুই বলে তুলে নেন রশিদ খান আর গজনফারকে। রান দেন মাত্র ৫টি। তাতে শেষ ওভারে আফগানদের দরকার ছিল ২২ রান। তাসকিন ২টি ছক্কা খেলেও শেষ বলে নূরকে আউট করে বাংলাদেশের ৮ রানের জয় নিশ্চিত করেন।
বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন মুস্তাফিজ। নাসুম, রিশাদ আর তাসকিন নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। তবে ৪ ওভারে মাত্র ১১ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকারী নাসুম পেয়েছেন প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচের স্বীকৃতি।
এর আগে বাংলাদেশের ব্যাটিং ইনিংসের শুরুটাও ছিল স্বপ্নের মতো। পারভেজ ইমন না থাকায় এদিন তানজিদ হাসানের সঙ্গে ওপেনিংয়ে নেমেছিলেন সাইফ। তিনি খুব একটা হাত খুলে খেলতে না পারলেও তানজিদের ব্যাট ছিল যেন খাপখোলা তলোয়ার। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারেই চলে আসে ৫৯ রান।
সাইফ ২৮ বলে বলে ৩০ রান করে আউট হলে ক্রিজে আসেন ক্যাপ্টেন লিটন দাস। তানজিদ তখনো হাত খুলে ব্যাট চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তাতে ১০ ওভার শেষে দলের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১ উইকেট হারিয়ে ৮৭ রান। তখন ১৭০ থেকে ১৮০ রানের ইনিংসই প্রত্যাশা ছিল সমর্থকদের।
তবে আফগান বোলারদের ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প শুরু হয় একাদশ ওভারের প্রথম বল থেকেই। সে বলে লিটনকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন নূর। লিটন করেন ১১ বলে মাত্র ৯ রান। ত্রয়োদশ ওভারে নূরই ফেরান তানজিদকে। ততক্ষণে তানজিদ তুলে নিয়েছেন টি-টুয়েন্টি ক্যারিয়ারের সপ্তম ফিফটি। আউট হওয়ার সময় তার নামের পাশে ছিল ৩১ বলে ৫২ রান। ৪টি বাউন্ডারির সঙ্গে ৩টি ছক্কাও হাঁকান তিনি।
এরপর আর বাংলাদেশি কোনো ব্যাটারই সুবিধা করতে পারেননি আফগান বোলারদের সামনে। ২০ বলে ২৬ করেন তাওহিদ হৃদয়, ১১ বলে ১১ করেন শামীম হোসেন, ১৩ বলে ১২ করেন জাকের আলী। নুরুল হাসান সোহান অপরাজিত ছিলেন ৬ বলে ১২ রানে। তাতে ইনিংসের প্রথম ১০ ওভারে ৮৭ রানের বিপরীতে শেষ ১০ ওভারে রান আসে মাত্র ৬৭। দলের ইনিংস থামে ১৫৪ রানে।
আফগান বোলারদের মধ্যে রশিদ খান আর নূর আহমাদ নেন ২টি করে উইকেট। একটি উইকেট নিয়েছেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই।

ব্যাটিং ইনিংসের মতোই দশা বোলিং ইনিংসেরও। উড়ন্ত সূচনার পর ব্যাটিং ইনিংসের ফিনিশিংটা একদমই ভালো হয়নি। বোলিংয়েও দুর্দান্ত শুরুর পর খেই ধরে রাখতে পারেননি বোলাররা। তাতে ইনিংসের মাঝ বরাবর সহজ জয়টা পরিণত হলো স্নায়ুর লড়াইয়ে। শেষ পর্যন্ত সে লড়াইয়ে জিতেছে বাংলাদেশই। আফগানিস্তানকে হারিয়ে টিকে থাকল এশিয়া কাপের সুপার ফোরের লড়াইয়ে।
প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৫৪ রান সংগ্রহ করেছিল বাংলাদেশ। ২০ ওভারের শেষ বলে আফগানদের অলআউট করে দেয় ১৪৬ রানে। তাতে জয় মিলেছে ৮ রানে।
এ ম্যাচে জয়ে গ্রুপ পর্বের ৩ ম্যাচে দুই জয়ে ৪ পয়েন্ট সংগ্রহ হলো বাংলাদেশের ঝুলিতে। সমান পয়েন্ট রয়েছে শ্রীলঙ্কারও। তাতে শেষ শ্রীলঙ্কা-আফগান ম্যাচের ওপর নির্ভর করবে সুপার ফোরে উঠবে কোন দুই দল।
ব্যাটিং ইনিংসের মতোই দশা বোলিং ইনিংসেরও। উড়ন্ত সূচনার পর ব্যাটিং ইনিংসের ফিনিশিংটা একদমই ভালো হয়নি। বোলিংয়েও দুর্দান্ত শুরুর পর খেই ধরে রাখতে পারেননি বোলাররা। তাতে ইনিংসের মাঝ বরাবর সহজ জয়টা পরিণত হলো স্নায়ুর লড়াইয়ে। শেষ পর্যন্ত সে লড়াইয়ে জিতেছে বাংলাদেশই। আফগানিস্তানকে হারিয়ে টিকে থাকল এশিয়া কাপের সুপার ফোরের লড়াইয়ে।
প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৫৪ রান সংগ্রহ করেছিল বাংলাদেশ। ২০ ওভারের শেষ বলে আফগানদের অলআউট করে দেয় ১৪৬ রানে। তাতে জয় মিলেছে ৮ রানে।
এ ম্যাচে জয়ে গ্রুপ পর্বের ৩ ম্যাচে দুই জয়ে ৪ পয়েন্ট সংগ্রহ হলো বাংলাদেশের ঝুলিতে। সমান পয়েন্ট রয়েছে শ্রীলঙ্কারও। তাতে শেষ শ্রীলঙ্কা-আফগান ম্যাচের ওপর নির্ভর করবে সুপার ফোরে উঠবে কোন দুই দল।
মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবির জায়েদ স্টেডিয়ামে বাঁচামরার ম্যাচে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। আগের একাদশে চারটি পরিবর্তন এনে টসে জিতে ব্যাটিং বেছে নেন লিটন দাস। তাতে দলে মূল বোলার ছিলেন দুজন করে পেসার ও স্পিনার মিলিয়ে চারজন। সঙ্গে ছিলেন দুজন পার্টটাইম স্পিনার। শেষ পর্যন্ত অবশ্য সেই পার্টটাইমারদের চারটি ওভারই ভুগিয়েছে বাংলাদেশকে।
মূল বোলারদের মধ্যে তাসকিন আহমেদ ৪ ওভারে দিয়েছেন ৩৪ রান, মুস্তাফিজুর রহমান দিয়েছেন ২৮। রিশাদ হোসেন দিয়েছেন ১৮ রান। সবচেয়ে কৃপণ ছিলেন নাসুম আহমেদ, তার ৪ ওভারে রান আসে মাত্র ১১। সেখানে সাইফ হাসান ও শামীম হোসেনের ওই ৪ ওভারে রান আসে ৫৫! ম্যাচ শেষ পর্যন্ত স্নায়ুর লড়াইয়ে গড়ানোর ক্ষেত্রে ভূমিকা রেখেছে ওই ৪ ওভারই।
অথচ বোলিং ইনিংসের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। প্রথম বলেই সেদিকুল্লাহ আতালকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলে ফিরিয়ে দেন নাসুম। প্রথম ওভারটি মেডেনও নেন তিনি। টানা তৃতীয় ওভারে বোলিংয়ে এসে আবারও উইকেট নেন, ফিরিয়ে দেন ইবরাহিম জাদরানকে, ১২ বলে মাত্র ৫ করতে সক্ষম হন তিনি। দলের রান তখন ১৮। শেষ পর্যন্ত পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে মাত্র ২৭ রান করতে সমর্থ হন আফগান ব্যাটাররা।
গুলবাদিন নাইবকে নিয়ে আরেক ওপেনার রহমানুল্লাহ গুরবাজ শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেন। তাদের জুটিতে আসে ২৭ বলে ৩৩ রান। ইনিংসের নবম ও নিজের দ্বিতীয় ওভারে গুলবাদিনকে ফিরিয়ে দেন রিশাদ। গুরবাজ সুযোগ বুঝে থিতু হওয়ার চেষ্টা করলেও তাকে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। দলের একাদশ আর নিজের তৃতীয় ওভারে এসে রিশাদ ফিরিয়ে দেন ৩১ বলে ৩৫ রান করা গুরবাজকে।
১১ ওভারে ৬৪ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারানোর পর মোহাম্মদ নবীও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ১৫ বলে ১৫ করে মুস্তাফিজের বলে বোল্ড হয়ে যান দলের ৭৭ রানের মাথায়। এ পর্যায়ে আফগানিস্তানকে কিছুটা আশার আলো দেখান ছয়ে ব্যাটিংয়ে নামা আজমতউল্লাহ ওমরজাই। তার প্রধান টার্গেটে পরিণত হন পার্টটাইমার সাইফ। ১৫ বলে তিন ছক্কা আর এক চারে ৩০ রান করে যখন ভয়ংকর হয়ে ওঠার ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন, তখনই তাকে ফেরান তাসকিন। ষষ্ঠ উইকেট হারিয়ে দলের রান তখন ১০৯।
তবে হাল ছাড়েননি আফগান ব্যাটাররা। করিম জানাত ব্যর্থ হলেও রশিদ খান আর নূর মোহাম্মদ চালিয়ে খেলেছেন। রশিদের ১১ বলে ২০ আর নূরের ৯ বলে ১৪ রানের ইনিংসে লক্ষ্যের অনেকটাই কাছাকাছি পৌঁছে যায় আফগানিস্তান। হাতে ৪ উইকেট রেখে শেষ ৩ ওভারে তাদের প্রয়োজন ছিল ৩১ রান। অষ্টাদশ ওভারে নাসুম এসে মাত্র ৪ রান দিলে আর ওই ওভারেই একটি রানআউট হলে ম্যাচের পাল্লা বাংলাদেশের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
১৯তম ওভারে মুস্তাফিজ বোলিংয়ে এসে পরপর দুই বলে তুলে নেন রশিদ খান আর গজনফারকে। রান দেন মাত্র ৫টি। তাতে শেষ ওভারে আফগানদের দরকার ছিল ২২ রান। তাসকিন ২টি ছক্কা খেলেও শেষ বলে নূরকে আউট করে বাংলাদেশের ৮ রানের জয় নিশ্চিত করেন।
বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন মুস্তাফিজ। নাসুম, রিশাদ আর তাসকিন নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। তবে ৪ ওভারে মাত্র ১১ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকারী নাসুম পেয়েছেন প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচের স্বীকৃতি।
এর আগে বাংলাদেশের ব্যাটিং ইনিংসের শুরুটাও ছিল স্বপ্নের মতো। পারভেজ ইমন না থাকায় এদিন তানজিদ হাসানের সঙ্গে ওপেনিংয়ে নেমেছিলেন সাইফ। তিনি খুব একটা হাত খুলে খেলতে না পারলেও তানজিদের ব্যাট ছিল যেন খাপখোলা তলোয়ার। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারেই চলে আসে ৫৯ রান।
সাইফ ২৮ বলে বলে ৩০ রান করে আউট হলে ক্রিজে আসেন ক্যাপ্টেন লিটন দাস। তানজিদ তখনো হাত খুলে ব্যাট চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তাতে ১০ ওভার শেষে দলের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১ উইকেট হারিয়ে ৮৭ রান। তখন ১৭০ থেকে ১৮০ রানের ইনিংসই প্রত্যাশা ছিল সমর্থকদের।
তবে আফগান বোলারদের ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প শুরু হয় একাদশ ওভারের প্রথম বল থেকেই। সে বলে লিটনকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন নূর। লিটন করেন ১১ বলে মাত্র ৯ রান। ত্রয়োদশ ওভারে নূরই ফেরান তানজিদকে। ততক্ষণে তানজিদ তুলে নিয়েছেন টি-টুয়েন্টি ক্যারিয়ারের সপ্তম ফিফটি। আউট হওয়ার সময় তার নামের পাশে ছিল ৩১ বলে ৫২ রান। ৪টি বাউন্ডারির সঙ্গে ৩টি ছক্কাও হাঁকান তিনি।
এরপর আর বাংলাদেশি কোনো ব্যাটারই সুবিধা করতে পারেননি আফগান বোলারদের সামনে। ২০ বলে ২৬ করেন তাওহিদ হৃদয়, ১১ বলে ১১ করেন শামীম হোসেন, ১৩ বলে ১২ করেন জাকের আলী। নুরুল হাসান সোহান অপরাজিত ছিলেন ৬ বলে ১২ রানে। তাতে ইনিংসের প্রথম ১০ ওভারে ৮৭ রানের বিপরীতে শেষ ১০ ওভারে রান আসে মাত্র ৬৭। দলের ইনিংস থামে ১৫৪ রানে।
আফগান বোলারদের মধ্যে রশিদ খান আর নূর আহমাদ নেন ২টি করে উইকেট। একটি উইকেট নিয়েছেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই।

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচকে ব্রাজিলের চেয়েও কঠিন বলে আগেই মন্তব্য করেছিলেন মরক্কোর মিডফিল্ডার আজ্জেদিন উনাহি। বোস্টন স্টেডিয়ামে সেই মন্তব্যের প্রতিফলনই দেখা গেল মাঠের খেলায়। মাত্র ৭১ সেকেন্ডে পাওয়া দ্রুততম গোলে স্কটল্যান্ডকে ১-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম জয় তুলে নিয়েছে মরক্কো।
১৪ ঘণ্টা আগে
ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে ম্যাচটি ছিল ব্রাজিলের জন্য অনেকটা ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই। মরক্কোর বিপক্ষে পয়েন্ট হারানোর পর এই ম্যাচে জয় ছাড়া অন্য কোনো ফল তাদের জন্য স্বস্তির ছিল না। র্যাঙ্কিংয়ে অনেক পিছিয়ে থাকা হাইতির বিপক্ষে তাই শুরু থেকেই আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়ে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
১৫ ঘণ্টা আগে
ফরাসি প্রসিকিউটরদের বরাত দিয়ে শুক্রবার (১৯ জুন) বিবিসির খবরে বলা হয়, ২০২৩ সালে প্যারিস সেন্ট জার্মেইর (পিএসজি) এই ডিফেন্ডারের বিরুদ্ধে তার প্যারিসের বাসায় ধর্ষণের অভিযোগ তোলেন এক তরুণী। তখন উভয়ের বয়স ছিল ২৪ বছর।
১ দিন আগে
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ ‘জি’-এর ম্যাচে বেলজিয়ামের মুখোমুখি হওয়ার মাত্র দুই দিন আগে লস অ্যাঞ্জেলেস ভ্রমণের অনুমতি দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র। স্বাগতিক দেশটির এমন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন।
১ দিন আগে