ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, “ইসলামি প্রজাতন্ত্রী ইরানকে আমি ছাড়া আর কেউ চুক্তির জন্য এত সুযোগ-সুবিধা বা ছাড় দেয়নি। তবে এটি দুঃখজনক যে তারা চুক্তি করতে ব্যর্থ হয়েছে। এ কারণেই আজ আমি ইরানের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বিধ্বংসী অর্থনৈতিক অভিযান ঘোষণা করছি। এই অভিযান এতটাই সর্বাত্মক হবে যে এর আগে কোনো রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে
ট্রাম্প মঙ্গলবার তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে কোনো আলোচনা বা কথাবার্তা হচ্ছে না কিংবা নির্ধারিতও নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘নৌ অবরোধ পুরোপুরি কার্যকর রয়েছে। হরমুজ প্রণালি খোলা ও চালু আছে। সব নৌমাইন সরিয়ে ফেলা হয়েছে অথবা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডার পণ্যের ওপর মঙ্গলবার দিবাগত রাত থেকে কার্যকর হতে যাওয়া নতুন ৫০ শতাংশ শুল্ক তিন দিনের জন্য স্থগিত করেছেন। তিনি বলেছেন, দুই দেশ একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে। তবে এর প্রায় এক ঘণ্টা পর কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছেন, আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলেও ‘গুরুত্
চার দিন ধরে চালানো ওই জরিপে অংশ নেওয়া মাত্র ৩৩ শতাংশ মানুষ হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের কার্যক্রমে অনুমোদন জানিয়েছেন। বিপরীতে ৬৪ শতাংশ তার কার্যক্রমে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। চলতি মাসের শুরুতে শেষ হওয়া আগের জরিপে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা ছিল ৩৫ শতাংশ। এবার তা আরও কমে তার বর্তমান মেয়াদের যেকোনো সময়ের চেয়ে নিচে নে
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ‘গুরুতর’ নিয়ম লঙ্ঘনের কারণে দুই দেশের আলোচনা চালানোর নির্ধারিত ৬০ দিনের সময়সীমা এখন ‘পুরোপুরি অর্থহীন’ হয়ে পড়েছে। এই সমঝোতার আওতায় তেহরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন বিরোধপূর্ণ বিষয় সমাধানের আলোচনা করার কথা ছিল।
মার্কিন সেনাদের আটক বা হত্যা করে ইরানের কাছে হস্তান্তর করতে পারলে প্রায় ৩০ হাজার ডলার (৫ বিলিয়ন ইরানি তোমান) পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। দেশটির সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, কোনো নারী এ ধরনের কাজ করলে তাকে দ্বিগুণ পুরস্কার দেওয়া হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন এআই জোটে থাকতে হলে চীনের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো উদ্যোগে একই সঙ্গে যুক্ত হওয়া যাবে না— এমন বার্তা দিয়ে কয়েক ডজন দেশকে চিঠি পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন প্রশাসন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, রোববার ট্রাম্প এই নির্দেশের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে নিজের ‘খুব ভালো সম্পর্কে’র কথাও উল্লেখ করেন। ট্রাম্পের ইঙ্গিত, পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করাও তার এ সিদ্ধান্তের একটি লক্ষ্য হতে পারে।
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিন দেশের এই প্রতিরক্ষা চুক্তিকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি ‘বড়, সাহসী ও গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ওয়াশিংটন দেশটির ছায়া তেলবহর, জাহাজ চলাচলের বিমাকারী প্রতিষ্ঠান, অস্ত্র সংগ্রহে সহায়তাকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন আর্থিক নেটওয়ার্কের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এমনকি ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনের আনুমানিক ৫০০ বিলিয়ন ডলারের সম্পদও জব্দ করা হয়েছে ব
দীর্ঘ ২৬৬ দিন অভিযানে থাকার পর দেশে ফিরতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন। এর মধ্যে ২০০ দিনের বেশি সময় এটি সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রে মোতায়েন ছিল। দীর্ঘ ও ক্লান্তিকর এই অভিযানে রণতরিটিতে থাকা প্রায় পাঁচ হাজার নাবিক ও সেনাসদস্যের মানসিক স্বাস্থ্য ও মনোবল নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
তেহরান বলছে, হরমুজ ‘ইরানের ছিল, ইরানের আছে এবং ইরানেরই থাকবে।’ এমন তীব্র প্রতিক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ এই নৌ পথকে ঘিরে সামরিক উত্তেজনাকে উসকে দিয়েছে। পাশাপাশি নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে কূটনৈতিক ও জ্বালানি বাজারেও।
যুদ্ধ শুরুর প্রায় ছয় মাস পার হলেও আলোচনার মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত নেই। ইরানি কর্মকর্তারা ট্রাম্পের একের পর এক দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছেন। অন্যদিকে তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানি জাহাজ ও বন্দরগুলোর ওপর কড়া অবরোধ আরোপ
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর অনির্দিষ্টকালের জন্য নৌ অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার হুমকি দেওয়ায় এবং কঠোর অর্থনৈতিক চাপের ঘোষণার মুখে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাবে শুক্রবার বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১.৬৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮৮.৫০
হেগসেথ জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক জলসীমায় সন্দেহভাজন মাদকবাহী নৌ যানে বিমান হামলার পর এবার স্থলভাগেও মাদক চোরাচালানকারী সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে সরাসরি হামলার পরিকল্পনা করছে ওয়াশিংটন। অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে লাতিন আমেরিকার মিত্র দেশগুলোর সেনারাও অংশ নিতে পারে।