
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বারুইপুরে পুলিশি ‘এনকাউন্টারে’ ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তভার রাজ্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় ইতোমধ্যে বিচারবিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। সিআইডির তদন্তের পাশাপাশি সেই বিচারবিভাগীয় তদন্তও সমান্তরালভাবে চলবে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী, যে জেলার পুলিশের অভিযানে এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটে, সেই জেলা পুলিশ নিজেই ঘটনার তদন্ত করতে পারে না। নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতেই বারুইপুর পুলিশ জেলার পরিবর্তে সিআইডির হাতে তদন্তের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে।
পুলিশের দাবি, মঙ্গলবার রাত পৌনে ১টার দিকে ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলকে নিয়ে অপরাধস্থলে যান তদন্ত কর্মকর্তারা। সেখানে ক্যানিং থানার পুলিশ সার্কেলের (পিসি) ইনচার্জ রনি সরকারের কাছ থেকে রিভলভার ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন প্রভাস। তাকে ধাওয়া করলে তিনি পুলিশকে লক্ষ্য করে এক রাউন্ড গুলি ছোড়েন বলেও দাবি পুলিশের।
এরপর আত্মরক্ষার্থে বারুইপুর থানার পিসি ইনচার্জ অর্ঘ্য মণ্ডল সার্ভিস রিভলভার থেকে গুলি চালান। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রভাসের শরীরে দুটি গুলি লাগে— একটি বুকের ডান পাশে এবং অন্যটি কোমরের ওপরের অংশে। পরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
এদিকে রাতের এই পুলিশি এনকাউন্টারকে ঘিরে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের একাংশ ঘটনাটিকে উত্তরপ্রদেশের অতীতের বিতর্কিত এনকাউন্টারের সঙ্গে তুলনা করে ‘উত্তরপ্রদেশ ২.০’ বলে কটাক্ষ করেছে। তবে দলের আরেকটি অংশ সরকারের পদক্ষেপের প্রশংসা করেছে। কংগ্রেস ও সিপিএমও এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে ঘটনার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখতে সিআইডিকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিচারবিভাগীয় তদন্তের পাশাপাশি সিআইডিও ঘটনার সব দিক যাচাই করবে।
এর আগে এই ঘটনায় প্রাথমিকভাবে তিনটি মামলা দায়ের করে পুলিশ। এগুলো হলো— হত্যা, গণপিটুনিতে এক সন্দেহভাজনের মৃত্যু এবং পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে পৃথক মামলা। পরে রেললাইন অবরোধের ঘটনাতেও আরেকটি মামলা করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
উল্লেখ্য, গত ৪ জুলাই বারুইপুরের ১২ বছর বয়সী এক কিশোরী নিখোঁজ হয়। পরদিন একটি পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার পর এলাকা জুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ জনতার গণপিটুনিতে এক সন্দেহভাজনের মৃত্যু হয়। একই সঙ্গে কিশোরীর মরদেহ ঘিরে দিনভর বিক্ষোভ, সড়ক ও রেললাইন অবরোধের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বারুইপুরে পুলিশি ‘এনকাউন্টারে’ ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তভার রাজ্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় ইতোমধ্যে বিচারবিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। সিআইডির তদন্তের পাশাপাশি সেই বিচারবিভাগীয় তদন্তও সমান্তরালভাবে চলবে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী, যে জেলার পুলিশের অভিযানে এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটে, সেই জেলা পুলিশ নিজেই ঘটনার তদন্ত করতে পারে না। নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতেই বারুইপুর পুলিশ জেলার পরিবর্তে সিআইডির হাতে তদন্তের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে।
পুলিশের দাবি, মঙ্গলবার রাত পৌনে ১টার দিকে ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলকে নিয়ে অপরাধস্থলে যান তদন্ত কর্মকর্তারা। সেখানে ক্যানিং থানার পুলিশ সার্কেলের (পিসি) ইনচার্জ রনি সরকারের কাছ থেকে রিভলভার ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন প্রভাস। তাকে ধাওয়া করলে তিনি পুলিশকে লক্ষ্য করে এক রাউন্ড গুলি ছোড়েন বলেও দাবি পুলিশের।
এরপর আত্মরক্ষার্থে বারুইপুর থানার পিসি ইনচার্জ অর্ঘ্য মণ্ডল সার্ভিস রিভলভার থেকে গুলি চালান। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রভাসের শরীরে দুটি গুলি লাগে— একটি বুকের ডান পাশে এবং অন্যটি কোমরের ওপরের অংশে। পরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
এদিকে রাতের এই পুলিশি এনকাউন্টারকে ঘিরে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের একাংশ ঘটনাটিকে উত্তরপ্রদেশের অতীতের বিতর্কিত এনকাউন্টারের সঙ্গে তুলনা করে ‘উত্তরপ্রদেশ ২.০’ বলে কটাক্ষ করেছে। তবে দলের আরেকটি অংশ সরকারের পদক্ষেপের প্রশংসা করেছে। কংগ্রেস ও সিপিএমও এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে ঘটনার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখতে সিআইডিকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিচারবিভাগীয় তদন্তের পাশাপাশি সিআইডিও ঘটনার সব দিক যাচাই করবে।
এর আগে এই ঘটনায় প্রাথমিকভাবে তিনটি মামলা দায়ের করে পুলিশ। এগুলো হলো— হত্যা, গণপিটুনিতে এক সন্দেহভাজনের মৃত্যু এবং পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে পৃথক মামলা। পরে রেললাইন অবরোধের ঘটনাতেও আরেকটি মামলা করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
উল্লেখ্য, গত ৪ জুলাই বারুইপুরের ১২ বছর বয়সী এক কিশোরী নিখোঁজ হয়। পরদিন একটি পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার পর এলাকা জুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ জনতার গণপিটুনিতে এক সন্দেহভাজনের মৃত্যু হয়। একই সঙ্গে কিশোরীর মরদেহ ঘিরে দিনভর বিক্ষোভ, সড়ক ও রেললাইন অবরোধের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দক্ষিণ ইরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বন্দর আব্বাস ও বুশেহর এলাকায় এই সামরিক অভিযান চালানো হয়। ট্রাম্পের হুমকির পরেই যুক্তরাষ্ট্রের এমন আকস্মিক সামরিক পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে নতুন করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে দিয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প বলেন, ‘আমার কাছে বিষয়টি শেষ। আমি তাদের সঙ্গে আর কোনো ধরনের আলোচনা করতে চাই না। তারা নিকৃষ্ট মানুষ। তারা অসুস্থ মানুষ এবং তাদের নেতৃত্বও অসুস্থ মানুষের হাতে। তারা নৃশংস ও সহিংস প্রকৃতির লোক।’
১ দিন আগে
পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া প্রধান অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল পুলিশের ‘এনকাউন্টারে’ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনাকে ঘিরে রাজ্য জুড়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই নির্যাতনের শিকার কিশোরীর পরিবার পুলিশের তদন্তে সন্তোষ প্রকাশ করেছে।
১ দিন আগে
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভি জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় গুয়াংসি অঞ্চলে প্রায় ৪০টি নদী ও জলপথে বন্যা দেখা দেওয়ায় এবং প্রবল পানির চাপে একটি জলাধারের বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় কয়েক হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
১ দিন আগে