
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ওপেক এবং ওপেক প্লাস জোটের সদস্যপদ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আগামী ১ মে থেকে দেশটির পদত্যাগ কার্যকর হচ্ছে বলে জানিয়েছে খালিজ টাইমস।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমিরাতে এই পদক্ষেপ তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট এবং এই জোটের প্রকৃত নেতা সৌদি আরবের জন্য বড় ধরনের ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে, এমন এক সময়ে আমিরাত এই সিদ্ধান্ত নিল যখন, ইরান যুদ্ধ বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট তৈরি করেছে এবং বিশ্ব অর্থনীতিকে অস্থির করে তুলেছে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় ওপেকভুক্ত উপসাগরীয় দেশগুলো তেল রপ্তানি করতে হিমশিম খাচ্ছে। ইরান ও ওমানের মধ্যবর্তী এই সংকীর্ণ জলপথটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা, যেখান দিয়ে বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেল এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন করা হয়।
আঞ্চলিক ব্যবসার কেন্দ্রবিন্দু এবং ওয়াশিংটনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মিত্র আমিরাত এই সিদ্ধান্তটি এমন সময় নিল, যখন তারা অভিযোগ করছে যে, যুদ্ধের সময় ইরানের অসংখ্য হামলা থেকে তাদের রক্ষা করার জন্য অন্য আরব দেশগুলো যথেষ্ট ভূমিকা রাখছে না।
১৯৬০ সালে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব এবং ভেনিজুয়েলা— এই পাঁচটি দেশের হাত ধরে ওপেক গঠিত হয়েছিল। এই সংস্থাটি বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের এক-তৃতীয়াংশের বেশি উৎপাদন করে। সদস্য দেশগুলোর জন্য স্থিতিশীল আয় নিশ্চিত করতে তেল উৎপাদন সমন্বয় করাই ছিল এই জোটের মূল লক্ষ্য।
আমিরাত বের হয়ে যাওয়ার ঘোষণার পর ওপেকের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১১। এগুলো হলো— সৌদি আরব, ইরান, ইরাক, কুয়েত, ভেনেজুয়েলা, আলজেরিয়া, লিবিয়া, নাইজেরিয়া, গ্যাবন, ইকুইটোরিয়াল গিনি এবং কঙ্গো প্রজাতন্ত্র।
আর ওপেকের সব সদস্যই ওপেক প্লাসের সদস্য। এই জোটে আরও আছে রাশিয়া (জোটের অন্যতম প্রধান শক্তি), আজারবাইজান, বাহরাইন, ব্রুনাই, কাজাখস্তান, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, ওমান, দক্ষিণ সুদান এবং সুদান।
রাজনীতি/এসআই

সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ওপেক এবং ওপেক প্লাস জোটের সদস্যপদ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আগামী ১ মে থেকে দেশটির পদত্যাগ কার্যকর হচ্ছে বলে জানিয়েছে খালিজ টাইমস।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমিরাতে এই পদক্ষেপ তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট এবং এই জোটের প্রকৃত নেতা সৌদি আরবের জন্য বড় ধরনের ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে, এমন এক সময়ে আমিরাত এই সিদ্ধান্ত নিল যখন, ইরান যুদ্ধ বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট তৈরি করেছে এবং বিশ্ব অর্থনীতিকে অস্থির করে তুলেছে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় ওপেকভুক্ত উপসাগরীয় দেশগুলো তেল রপ্তানি করতে হিমশিম খাচ্ছে। ইরান ও ওমানের মধ্যবর্তী এই সংকীর্ণ জলপথটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা, যেখান দিয়ে বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেল এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন করা হয়।
আঞ্চলিক ব্যবসার কেন্দ্রবিন্দু এবং ওয়াশিংটনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মিত্র আমিরাত এই সিদ্ধান্তটি এমন সময় নিল, যখন তারা অভিযোগ করছে যে, যুদ্ধের সময় ইরানের অসংখ্য হামলা থেকে তাদের রক্ষা করার জন্য অন্য আরব দেশগুলো যথেষ্ট ভূমিকা রাখছে না।
১৯৬০ সালে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব এবং ভেনিজুয়েলা— এই পাঁচটি দেশের হাত ধরে ওপেক গঠিত হয়েছিল। এই সংস্থাটি বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের এক-তৃতীয়াংশের বেশি উৎপাদন করে। সদস্য দেশগুলোর জন্য স্থিতিশীল আয় নিশ্চিত করতে তেল উৎপাদন সমন্বয় করাই ছিল এই জোটের মূল লক্ষ্য।
আমিরাত বের হয়ে যাওয়ার ঘোষণার পর ওপেকের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১১। এগুলো হলো— সৌদি আরব, ইরান, ইরাক, কুয়েত, ভেনেজুয়েলা, আলজেরিয়া, লিবিয়া, নাইজেরিয়া, গ্যাবন, ইকুইটোরিয়াল গিনি এবং কঙ্গো প্রজাতন্ত্র।
আর ওপেকের সব সদস্যই ওপেক প্লাসের সদস্য। এই জোটে আরও আছে রাশিয়া (জোটের অন্যতম প্রধান শক্তি), আজারবাইজান, বাহরাইন, ব্রুনাই, কাজাখস্তান, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, ওমান, দক্ষিণ সুদান এবং সুদান।
রাজনীতি/এসআই

ডোব্রিন্ট জানান, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে— এমন গুরুতর সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে’ তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জার্মানির বর্তমান ‘উচ্চ ঝুঁকি’র নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে। এতে বিদেশি কোনো শক্তির সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
৮ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেছেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
২০ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার এই ভয়াবহ হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার জোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, "ইউক্রেন যতদিন পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা না পাবে, ততদিন রাশিয়া শান্তির বিষয়টি বিন্দুমাত্র গু
২ দিন আগে