প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন সামরিক বাহিনী অভিযানের মাধ্যমে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর দেশটির অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নিয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ। এর আগে মার্কিন বাহিনীর আগ্রাসনের তীব্র বিরোধিতা করলেও দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি ‘সহযোগিতার আশ্বাসে’র কথা বলেছেন।
সামরিক অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে নিউইয়র্কে তুলে নেওয়ার পর এবার কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোকেও হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ ছাড়া কিউবাতেও শিগগিরই সরকারের পতন হবে বলে বিশ্বাস করেন তিনি।
ট্রাম্প বলেছেন, মার্কিন কোম্পানিগুলো ভেনেজুয়েলার 'ভয়াবহভাবে ভেঙে পড়া' তেল পরিকাঠামো মেরামত করবে এবং 'দেশের জন্য অর্থ উপার্জন শুরু করবে'।
এ অভিযান নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, বিশেষ করে লাতিন আমেরিকার দেশগুলো। ইউরোপের দেশগুলোর প্রতিক্রিয়া সে তুলনায় ছিল কিছুটা মৃদু। তবে খোদ যুক্তরাষ্ট্রেই বিভিন্ন স্থানে মার্কিন আগ্রাসনবিরোধী বিক্ষোভ হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে রাজপথে নেমে এসে ট্রাম্পের এমন নজিরবিহীন আগ্রাসনের তীব্র বি
গত শুক্রবার ভোররাতে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন বিশেষ বাহিনীর অভিযানে তারা বন্দী হন। এদিকে মাদুরোর অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব নেওয়া অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজকেও কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
হাভানা সরকার আরও ঘোষণা দেয়, নিহতদের স্মরণে আগামী ৫ ও ৬ জানুয়ারি দুই দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে। এ সময় জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে এবং পরে জানাজা ও দাফনের খবর জানানো হবে।
ব্রাজিল, চিলি, কলম্বিয়া, মেক্সিকো ও উরুগুয়ে মার্কিন বাহিনীর মাধ্যমে নিকোলাস মাদুরোকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট পদ থেকে অপসারণের ঘটনা প্রত্যাখ্যান করেছে। সরকার পরিচালনা বা প্রশাসনের ওপর যেকোনো ধরনের বহির্শক্তির নিয়ন্ত্রণের তীব্র বিরোধিতা করে এসব দেশ প্রাকৃতিক বা কৌশলগত সম্পদ দখলের প্রয়াসে
ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলা ও অভিযান চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সস্ত্রীক তুলে আনার পর যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।
ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযান চালানোর আগে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে দীর্ঘ পাঁচ মাস ধরে নিবিড় নজরদারিতে রেখেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দারা।
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে অবস্থিত মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে (MDC) নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই কারাগারটি আগে ঘিসলেইন ম্যাক্সওয়েল এবং র্যাপার পি ডিডির মতো হাই-প্রোফাইল বন্দিদের রাখার জন্য আলোচনায় এসেছে।
মৌলবাদী হিন্দুদের হুমকির মুখে আইপিএলের দল কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) থেকে বাংলাদেশি খেলোয়াড় মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার সমালোচনা করেছেন ভারতের কংগ্রেস নেতা ও সংসদ সদস্য শশী থারুর।
এই কারাগারটির বন্দিদের জন্য অত্যন্ত ‘ভয়ঙ্কর’ হিসেবেও পরিচিত। নোংরা পরিবেশ, চরম সহিংসতা এবং কর্তৃপক্ষের অবহেলার বহু অভিযোগ রয়েছে এই ডিটেনশন সেন্টারের বিরুদ্ধে। এমনকি এক বন্দিকে কয়েকবার ছুরিকাঘাত করার পর চিকিৎসা না দিয়ে উল্টো ২৫ দিন নির্জন সেলে আটকে রাখার মতো অমানবিক অভিযোগও রয়েছে এই কারাগার নিয়ে।
মার্কিন প্রশাসনের দাবি, অভিযানের সময় মাদুরো ও সিলিয়া ফ্লোরেস কারাকাসের উচ্চ-নিরাপত্তা সামরিক কম্পাউন্ড ফুয়ের্তে তিউনায় নিজ বাসভবনে অবস্থান করছিলেন। অভিযানের পর তাদের যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ভেনেজুয়েলায় উত্তেজনা বৃদ্ধির জেরে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সেই উত্তেজনার চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ যুক্তরাষ্ট্রের শনিবারের সামরিক অভিযান এবং মহাসচিবের আশঙ্কা, এ অভিযানের জেরে অদূর ভবিষ্যতে দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলে উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে।”