থানায় পুলিশের ওপর হামলায় যুবদল নেতা আটক, পরে মুচলেকায় মুক্তি

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
যুবদল নেতা ইসমাইলকে ছাড়িয়ে আনতে বৃহস্পতিবার রাতে সীতাকুণ্ড থানায় বিএনপি-যুবদলের নেতাকর্মীদের ভিড়। ছবি: সংগৃহীত
যুবদল নেতা ইসমাইলকে ছাড়িয়ে আনতে বৃহস্পতিবার রাতে সীতাকুণ্ড থানায় বিএনপি-যুবদলের নেতাকর্মীদের ভিড়। ছবি: সংগৃহীত

সীতাকুণ্ডে মডেল থানার সামনে গাড়ি রাখাকে কেন্দ্র করে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) গাড়িচালকের দায়িত্বে থাকা এক পুলিশ কনস্টেবলের ওপর হামলা মারধরের অভিযোগে এক যুবদল নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। পরে মুচলেকা নিয়ে তাকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে সীতাকুণ্ড থানায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আটক ও পরে মুচলেকায় মুক্ত মো. ইসমাইল হোসেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহসভাপতি।

পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে যুবদল নেতা ইসমাইল তার ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে থানায় যান। এ সময় গাড়ি পার্কিং নিয়ে পুলিশ কনস্টেবল ও ওসির গাড়িচালক মো. শফিকের সঙ্গে তার বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে কনস্টেবল শফিককে মারধর করেন ইসমাইল। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।

তবে বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীদের দাবি, সামান্য কথা কাটাকাটির জেরেই ঘটনাটি ঘটেছে। রাতে ইসমাইলকে ছাড়িয়ে আনতে সীতাকুণ্ড মডেল থানায় বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা ভিড় করেন। এ সময় থানার সামনের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

পরে পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা। জানা গেছে, থানায় কয়েক ঘণ্টা ধরে বৈঠক চলে। রাত সাড়ে ১২টার পর শেষ পর্যন্ত পুলিশ ইসমাইলকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে।

সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম জানান, থানার গেটে গাড়ি রাখা নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডার একপর্যায়ে কনস্টেবল শফিককে মারধর করা হয়েছে। এ ঘটনায় যুবদল নেতা ইসমাইল হোসেনকে তাৎক্ষণিক আটক করা হয়। পরে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করে ঘটনাটি ভুল বোঝাবুঝি বলে মনে হয়েছে। এ কারণে মুচলেকা নিয়ে ইসমাইলকে স্ত্রীর জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement