এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে পরিসংখ্যানভিত্তিক বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান অপ্টা তাদের সুপার কম্পিউটারের পূর্বাভাস প্রকাশ করেছে। সেই বিশ্লেষণে নির্ধারিত ৯০ মিনিটের লড়াইয়ে স্পেনকে সামান্য এগিয়ে রাখা হয়েছে।
কারণ আধুনিক বিশ্বফুটবল এখন এক চরম ট্যাকটিক্যাল বিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এখানে মূল লড়াইটা জেতা বনাম হারার নয়, সব দলই মাঠে নামে জয়ের তীব্র ক্ষুধা নিয়ে। আসল লড়াইটা হলো ‘জেতার পথের দর্শন’ বা রণকৌশলের ভিন্নতার। দলগুলো কীভাবে নিজেদের চেনা ঐতিহ্যকে ধরে রেখেও যুগের সাথে তাল মিলিয়ে জয়ের সমীকরণ মেলাচ্ছে, ম
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দে লা ফুয়েন্তে বলেন, “মেসিকে একজন খেলোয়াড় দিয়ে থামানো সম্ভব নয়। তাকে নিয়ন্ত্রণ করতে হলে পুরো দলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।”
এই বাড়তি আয়ের সুফল ফিফার ২১১টি সদস্যদেশের ফুটবল উন্নয়ন কর্মসূচিতে ব্যয় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও অর্থ বণ্টনের চূড়ান্ত কাঠামো এখনও নির্ধারিত হয়নি, ফিফা আগেই জানিয়েছিল বিশ্বকাপ থেকে অর্জিত আয়ের বড় অংশ বৈশ্বিক ফুটবল উন্নয়নে পুনর্বিনিয়োগ করা হবে।
ফাইনালের আগের দিন ইসরায়েলে নিযুক্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত রাব্বি শিমন অ্যাক্সেল ওয়াহনিশ নেতানিয়াহুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে তিনি আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের একটি জার্সি উপহার দেন এবং প্রেসিডেন্ট মিলেইর পাঠানো একটি অডিও বার্তা শোনান।
অন্যদিকে লুইস দে লা ফুয়েন্তের অধীনে স্পেন ৪-৩-৩ ছকে খেলছে। আক্রমণে মিকেল ওইয়ারসাবাল, দুই উইংয়ে লামিন ইয়ামাল ও আলেক্স বেইনা এবং মাঝমাঠে রদ্রি, ফাবিয়ান রুইজ ও দানি ওলমো। রক্ষণভাগে আইমেরিক লাপোর্তে ও পাউ কুবারসির নেতৃত্বাধীন স্পেনের প্রতিষ্ঠিত কাঠামো যেন একটি দুর্দান্ত দক্ষ যন্ত্র।
দ্য অ্যাথলেটিকের তথ্য অনুযায়ী, রোববারের ফাইনালে স্পেন ও আর্জেন্টিনার মধ্যে যে দল শিরোপা জিতবে, তারা পাবে ৫ কোটি ডলার। রানার্সআপ দলের জন্য রাখা হয়েছে ৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার।
এ পর্যন্ত মাত্র দুটি দেশ পরপর দুটি বিশ্বকাপ জিতেছে। ইতালি ১৯৩৪ ও ১৯৩৮ সালে প্রথম এই কীর্তি গড়ে। এরপর ব্রাজিল ১৯৫৮ ও ১৯৬২ সালে টানা দুইবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়। তারপর আর কোনো দল এই সাফল্য পুনরাবৃত্তি করতে পারেনি।
বিশ্বকাপ মানেই ফুটবলের মহারণ। তবে এবার মাঠের লড়াই, গোল আর জয়ের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত। লাল কার্ড প্রত্যাহার, ভিএআর বিতর্ক, রাজনৈতিক প্রভাব, সন্দেহজনক রেফারিং— বিভিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্নের মুখে পড়েছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।
আর্জেন্টিনা দলের খেলোয়াড়দের বাক্স্বাধীনতার অধিকারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হোয়াইট হাউজের ফিফা টাস্কফোর্সের প্রধান অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে আর্জেন্টিনা দলের খেলোয়াড়দের এমন বক্তব্য দেওয়ার ‘সুযোগ এবং অধিকার’ ছিল।
‘রেফারি কোনোভাবেই শিথিলতা দেখাতে পারেন না কিংবা নিয়ম ভাঙার সুযোগ দিতে পারেন না। ফুটবলের বৈধতার যে সীমারেখা আছে, তা কোনোভাবেই অতিক্রম করা উচিত নয়।’
বিশ্বকাপ ফাইনাল ঘিরে শুধু ফুটবলপ্রেমীদের নয়, বিশ্বনেতাদেরও আগ্রহ তুঙ্গে। রোববার নিউ জার্সিতে আর্জেন্টিনা-স্পেনের ফাইনাল মাঠে বসে দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। গ্যালারিতে থাকবেন স্পেনের রাজা ষষ্ঠ ফিলিপ, রানি লেতিসিয়া ও তাদের দুই কন্যা।
সময়টা ২০০৭ সাল। তখন বার্সেলোনার হয়ে খেলছেন ২০ বছর বয়সী মেসি। ইউনিসেফের একটি ক্যালেন্ডারের ফটোশুটে অংশ নিতে ক্যাম্প ন্যুতে গিয়েছিলেন তিনি।
অধিনায়ক রদ্রি হার্নান্দেজ শুরু থেকেই বলে আসছেন, তার একমাত্র লক্ষ্য বিশ্বকাপ জেতা।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট জানান, ফাইনালের আগে আজ শুক্রবার (১৭ জুলাই) নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে ট্রাম্প টাওয়ারে আয়োজিত ফিফার এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর আগামী রোববার তিনি ফাইনাল ম্যাচের সাক্ষী হতে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে উপস্থিত থাকবেন।
মেসি বলেন, ‘গত চার বছর ধরে আমরাই সেরা দল। সেটা কারও ভালো লাগতে পারে, নাও লাগতে পারে। কে কী বলল, তাতে আমাদের কিছু যায় আসে না।