উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন পেশাদার ক্রীড়া লিগে মর্যাদাপূর্ণ ঐতিহ্য হিসেবে এমন আংটি দেওয়ার প্রচলন রয়েছে। এবারের বিশ্বকাপও অনুষ্ঠিত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো— তথা উত্তর আমেরিকায়। তাই আঞ্চলিক ঐহিত্যকে বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে দিতেই এ আংটি চ্যাম্পিয়নদের হাতে তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ফিফা।
বিশ্ব জুড়ে ফুটবলার, কোচ ও সমর্থকদের মধ্যে নানা ধরনের কুসংস্কারের প্রচলন রয়েছে। বড় কোনো টুর্নামেন্ট এলেই এসব বিশ্বাস যেন আরও দৃঢ় হয়ে ওঠে। সেই তালিকা থেকে বাদ নন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইও। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমন্ত্রণ থাকা সত্ত্বেও বিশ্বকাপের ফাইনাল দেখতে তিনি মা
আটলান্টার ওই ম্যাচের শেষ দিকে নাটকীয়ভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে দুটি গোল করে থমাস টুখেলের দলকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে রোববারের ফাইনালে স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার টিকিট নিশ্চিত করেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
আবার কামব্যাকের মহাকাব্য লিখল আর্জেন্টিনা। শেষ দিকে এসে একের পর এক আক্রমণভাগের খেলোয়াড় নামালেন আলবিসেলেস্তের কোচ লিওনেল স্কালোনি। মেসি সম্পূর্ণ চলে গেলেন প্লেমেকার কাম রাইট উইংগারের রোলে। মাত্র ৭ মিনিটের ব্যবধানে সেই মেসি গড়ে দিলেন দুটি অ্যাসিস্ট। তা থেকে লক্ষ্যভেদ করলেন এনজো ফের্নান্দেস ও লাউতারো ম
হ্যাঁ, বিশ্বকাপের ইতিহাসে মাত্র চতুর্থ দল হিসেবে আর্জেন্টিনা টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে খেলবে এবার। এর আগে কেবল ব্রাজিল, ফ্রান্স আর ইতালি— এই তিনটি দলই ব্যাক-টু-ব্যাক ফাইনাল খেলার গৌরব অর্জন করেছে।
মেসি সম্পূর্ণ চলে গেলেন প্লেমেকার কাম রাইট উইংগারের রোলে। মাত্র ৭ মিনিটের ব্যবধানে সেই মেসি গড়ে দিলেন দুটি অ্যাসিস্ট। তা থেকে লক্ষ্যভেদ করলেন এনজো ফের্নান্দেস ও লাউতারো মার্টিনেজ। প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে ইংলিশদের ৬০ বছরের অপেক্ষাকে আরও দীর্ঘায়িত করে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে উঠে গেল আলবিসেলেস্তেরা।
ফেয়ারস্কয়ারের দাবি, এ ঘটনার মাধ্যমে ইনফান্তিনো রাজনৈতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার করেছেন, যা আইওসির নীতিমালার গুরুতর লঙ্ঘন হতে পারে। সংস্থাটি বলেছে, ২০২০ সাল থেকে আইওসির সদস্য হিসেবে ইনফান্তিনোর ওপর অলিম্পিক চার্টার ও আইওসি নৈতিকতা বিধিমালা মেনে চলার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এসব বিধি ভঙ্গ করলে আইওসি সদস্যপদ
দুই দলের লড়াইয়ে সামগ্রিক পরিসংখ্যানে এগিয়ে ইংল্যান্ড। ১৪টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে তারা ছয়বার জিতেছে, আর্জেন্টিনা জিতেছে দুটি ম্যাচে, বাকি ছয়টি ড্র হয়েছে। তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে আর্জেন্টিনার স্মরণীয় জয়গুলোর একটি এসেছে ১৯৮৬ সালে, যে ম্যাচে দিয়েগো ম্যারাডোনা করেন ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে আলোচিত দুটি গোল—‘হ্যান্
একদিকে বিশ্বচ্যাম্পিয়নের অভিজ্ঞতা। অন্যদিকে বহু প্রতীক্ষিত শিরোপার স্বপ্ন। একদিকে মেসির শেষ বিশ্বকাপ অভিযানের আবেগ। অন্যদিকে কেইন-বেলিংহামদের নতুন ইতিহাস লেখার আকাঙ্ক্ষা।
ম্যাচ শেষে তিনি জানান, সুযোগ হলে ফাইনালে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হতে চান। তবে এর পেছনে ফুটবলীয় কোনো হিসাব নয়, বরং রয়েছে আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনির সঙ্গে দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত সম্পর্ক।
ম্যাচে রেফারির দায়িত্বে ছিলেন এল সালভাদরের ইভান বার্টন। তার পেনাল্টির সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে দেশম প্রশ্ন তুলেছেন, বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল পরিচালনার মতো মান আদৌ রেফারির ছিল কি না। তবে একই সঙ্গে স্পেনের শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করে হারের দায়ও নিজেদের কাঁধেই নিয়েছেন অভিজ্ঞ এই ফরাসি কোচ।
শেষ বাঁশি বাজিয়েছেন রেফারি। সেই সঙ্গে শেষ হলো বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনাল। সেখানে দাপুটে এক জয় নিয়ে ফাইনালে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করল স্পেন। ফ্রান্সের গতিকে থামিয়ে পজেশনাল ফুটবলের অনন্য নৈপুণ্য দেখিয়ে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে রাখল লা ফুয়েন্তের তারুণ্যে ঠাসা দলটি।
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের পাশাপাশি কৌশলগত লড়াইও সমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। স্পেন-ফ্রান্স ম্যাচেও কয়েকটি নির্দিষ্ট দ্বৈরথের দিকে থাকবে সবার নজর। এমবাপ্পেকে কীভাবে সামলাবে স্পেন, ইয়ামালকে কীভাবে থামাবে ফ্রান্স, আর মাঝমাঠে রদ্রি-পেদ্রির সঙ্গে র্যাবিও-মানু কোনের লড়াই— এসবই নির্ধারণ করে
স্পেন, ফ্রান্স, আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড—শেষ চারে থাকা চার দলই এবার এমন এক মঞ্চে দাঁড়িয়ে, যেখানে বর্তমানের প্রতিপক্ষের পাশাপাশি লড়তে হবে নিজেদের অতীতের স্মৃতি, সাফল্য ও ব্যর্থতার সঙ্গেও। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, বিশ্বকাপের ইতিহাস কীভাবে প্রতিটি সেমিফাইনালকে আরও বেশি চা
ফ্রান্সের ট্রানজিশনাল আর স্পেনের পজেশনাল ফুটবলের লড়াইয়ে তেমন পার্থক্য গড়ে দেওয়ার মতো ফুটবলারের ঘাটতি নেই, দেশম বা ফুয়েন্তেরও ট্যাকটিক্যাল মাস্টারক্লাস দেখানোর সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন নেই। আর কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ডালাস স্টেডিয়ামেই উত্তর মিলবে— এমবাপ্পে নাকি ইয়ামাল— ফাইনাল ম্যাচে দেখা যাবে কাকে।
লতি বিশ্বকাপে গোলের দিক থেকে নিজের নাম সেভাবে উজ্জ্বল করতে না পারলেও দলের আক্রমণভাগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন ইয়ামাল। ১৮ বছর বয়সী এই উইঙ্গার মনে করেন, বড় ম্যাচেই নিজের সেরাটা দিতে পারবেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপ-সংক্রান্ত টাস্কফোর্সের নির্বাহী পরিচালক ও হোয়াইট হাউজের বিশেষ সহকারী অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি ব্রিটিশ গণমাধ্যম ডেইলি মেইলকে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র যদি আমাদের ২৫০তম স্বাধীনতাবার্ষিকীতে বিশ্বকাপ জিততে না-ও পারে, তাহলে ইংল্যান্ডের আমেরিকায় এসে এই উদ্যাপনের মধ্যেই বিশ্বকাপ জেতা একটি