
সাংবাদিক
সকল লেখা

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপি আশা করেছিল প্রধান উপদেষ্টা তাদের নির্বাচনের সম্ভাব্য দিন-তারিখ জানাবেন। এই বৈঠকের মূল লক্ষ্যও ছিল তাই। এতদিন বক্তৃতা-বিবৃতি ও ঘরের আলোচনায় বিএনপি তার এই মনোভাবের কথা প্রকাশ করে আসছিল। নির্বাচনের তারিখ না পেয়ে আজ দলটির ক্ষোভ অনেকটাই প্রকাশ্য হলো। এ অবস্থায় নির্বাচনে

গত ৫ আগস্টের পর থেকে সংস্কার, নির্বাচন ও মুক্তিযুদ্ধের মতো বিষয়গুলো নিয়ে স্পষ্ট হয়েছে পারস্পরিক মতভেদ। এমন প্রেক্ষাপটে দুই দলের শীর্ষ নেতাদের বিদেশে সাক্ষাৎ রাজনীতির অঙ্গনে কৌতূহল তৈরি করেছে।

পাকিস্তানের প্রধান কৃষিভিত্তিক অঞ্চল পাঞ্জাব। এখানকার মাঠ-ঘাট, খেত-খামার বাঁচিয়ে রাখে সিন্ধু ও এর শাখা নদীগুলোর পানি। পুরো দেশের খাদ্য উৎপাদনের বড় অংশ আসে এই এলাকা থেকে। পাঞ্জাবের সেচব্যবস্থার প্রায় ৮০ শতাংশ নির্ভর করে সিন্ধু চুক্তির অধীনে পাওয়া পানির ওপর। ভারত যদি পানি বন্ধ করে দেয়, তাহলে শুকিয়ে যা

বাংলাদেশের প্রায় সবগুলো রাজনৈতিক দল মনে করছে, জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে রাখাইনে মানবিক করিডোর দেওয়ার বিষয়টি অন্তবর্তী সরকারের কাজ নয়। বিশেষ পরিস্থিতিতে যদি এমন কিছু করতেও হয়, সেখানে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য দরকার।

দক্ষিণ এশিয়ায় মার্কিন শুল্কনীতির মোড় ঘুরে গেছে পাকিস্তানের দিকে। ভারতের তুলনায় কম শুল্ক পাচ্ছে ইসলামাবাদ, যার ফলে দেশটির গার্মেন্টস খাতে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা মিলবে।

দিনটি এখন ইতিহাসে খোদাই হয়ে আছে। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়— এটা কি কেবল রোমাঞ্চকর এক স্মৃতি, নাকি বদলে দিয়েছে দেশের ভবিষ্যৎগতি? যে আগুন জ্বলে উঠেছিল সেদিন, তা কি এখনও দীপ্ত? নাকি ঢেকে যাচ্ছে নতুন হতাশার ছায়ায়?

কিন্তু ইসহাক দার যখন ঢাকায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেন, কথা বললেন ভিন্ন সুরে। তার দাবি, ১৯৭৪ সালের চুক্তির মাধ্যমে এ ইস্যুর সমাধান হয়ে গেছে। আরও বললেন, জেনারেল পারভেজ মোশাররফ একসময় খোলাখুলি দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন, সেটিই যথেষ্ট। যেন পরিবারের ভেতরে কোনো কলহ একবার চাপা দেওয়া গেলে সেটি পুনরায় টেনে আনার

এই সেপ্টেম্বরেই ১৫৮ বছরে পা দিলো সেই বই, যার নাম থেকে এই হেডলাইনের খেলা— কার্ল মার্ক্সের যুগান্তকারী গ্রন্থ ‘ডাস ক্যাপিটাল’।

ট্রাম্পের সফর ঘিরে ডাফির লেখা কবিতায় যুদ্ধের ধ্বংস আর ক্ষমতাশালী ব্যক্তিদের আভিজাত্যের বৈপরীত্য ফুটে উঠেছে। সেই বৈপরীত্যই সামনে এসেছে—যুদ্ধবিধ্বস্ত বাস্তবতার ভেতর রাজকীয় ভোজের ঝলমল।

এ পরিস্থিতির জন্য প্রকাশক ঐক্য দায়ী করছে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক মোহাম্মদ আজমকে। প্রকাশকদের সঙ্গে বৈঠকে তিনটি শর্ত নিয়ে সমঝোতা হলেও ডিজি সেগুলো উপেক্ষা করেই মেলা আয়োজন করছেন বলে অভিযোগ তাদের।

পরীক্ষার কক্ষে পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া অন্য কারও প্রবেশ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করতে হবে— মন্ত্রী, এমপি, বিরোধী নেতা কিংবা সাংবাদিক— কেউই এর ব্যতিক্রম নন। আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। কোনো ধরনের প্রদর্শনমূলক কার্যক্রম বা রাজনৈতিক উপস্থিতি এই সংবেদনশীল পরিবেশে অনুমোদন করা উচিত নয়।

সাম্প্রতিক সময়ের তিনটি আলোচিত ঘটনা যেন একই নাটকের তিনটি দৃশ্য। চরিত্র আলাদা, সংলাপ আলাদা, কিন্তু প্রশ্ন একটাই— প্রকৃত সত্য কী? সবটাই যে সত্য, তা নয়। আবার সবটাই যে মিথ্যা, সেটিও বলা যায় না। আর এই ধূসর অঞ্চলেই সবচেয়ে বেশি ক্ষয় হয় জনবিশ্বাসের।

প্রথম দৃষ্টিতে এমপি নুরুন্নিসার বক্তব্যকে সমঅধিকারের পক্ষে একটি যুক্তি বলে মনে হতে পারে। কিন্তু রাষ্ট্রবিজ্ঞান, অর্থনীতি ও জননীতির আলোচনায় সমতা (Equality) ও ন্যায়সঙ্গত সমতা (Equity) এক বিষয় নয়। অনেক সময় সমাজে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করতে রাষ্ট্রকে একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর জন্য অতিরিক্ত সহায়তা দিতে হয়। এ

সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো— এই ভাষা কেবল বেনামি অ্যাকাউন্টে সীমাবদ্ধ নয়; শিল্পী, শিক্ষক, লেখক, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও জনপ্রিয় অনলাইন ব্যক্তিত্বদের মধ্যেও এর ব্যবহার দেখা যাচ্ছে। ফলে প্রশ্ন উঠছে— আমরা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের সামনে কী ধরনের ভাষা ও সংস্কৃতির উদাহরণ রেখে যাচ্ছি?

জানাজার দিনে সাক্ষাৎকার নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল না। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার হিসেবে আমার চেহারা ছিল স্যারের কাছে পরিচিত। অনেকদিন পর কাছে পেয়ে উনি মন খুলে কথা বললেন। বেশ স্বাভাবিকভাবে কুশলাদি জিজ্ঞাসা করলেন। উনি যে সন্তানহারা বাবা, তা তখন মনে হয়নি। ওনার মনোবল দেখে বিস্মিত হয়েছিলাম।