গণতন্ত্র মঞ্চের সকল নেতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কোটা বিরোধী আন্দোলনকারীদের প্রতি তাদের সমর্থন ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজি হচ্ছে না বলে তিস্তা চুক্তি সম্পাদন করা যাচ্ছে না। বাংলাদেশের শীর্ষ পর্যায়ের কোনও কোনও নেতার এ ধরনের সাফাই বাংলাদেশের অবস্থানকেই দুর্বল করে। ভারতীয় নাগরিকত্ব সংশোধন আইন যদি রাজ্য সরকারের আপত্তির পরও বাস্তবায়ন হতে পারে তাহলে তাদের আপত্তির কারণে তিস্তা চুক্তি করা যাব
দাগী ঋণখেলাপিদের বিশেষ ট্রাইবুনালে নিয়ে তড়িঘড়ি করে একটা ব্যবস্থা করেন জানিয়ে ইনু বলেন, ‘উপজেলায় রাজস্ব অফিস নেই কেন? একটা ইউনিয়নে পাঁচটা গ্রোথ সেন্টার আছে। ইউনিয়নে যারা স্থায়ী দোকান নিয়ে ব্যবসা করে, তাদের কর জালে আনেন। সেখানে লাখো কোটি টাকা রাজস্ব বাড়াতে পারেন।’
২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর দলের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন।
‘এমন কোনো সাহসী পদক্ষেপ আমরা দেখিনি, যার মধ্য দিয়ে অর্থ পাচার, ব্যাংকিং খাতে নৈরাজ্য থেকে শুরু করে—যেমন দুর্নীতির প্রশ্নে আলোচনাই এর মধ্যে আসেনি। অর্থনৈতিক নৈরাজ্য, ব্যাংকিং খাতে যে নৈরাজ্য চলছে এ বিষয়গুলো খুব একটা আলোচনার মধ্যে আসেনি,’ বলেন তিনি।
বিবৃতিতে সাতক্ষীরা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তীর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা, মানুষ, বাড়িঘর, মাছের খামার, গবাদি পশু ও ফসলের প্রকৃত তালিকা তৈরি এবং প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে দুর্নীতি মুক্তভাবে যথাযথ সহায়তা করার জন্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সাইফুল হক।
দুর্নীতি ও লুটপাটের মাধ্যমে দেশের অর্থ বিদেশে পাচার করা হয়েছে উল্লেখ করে অবিলম্বে পাচারকারীদের তালিকা প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন যুগপৎ আন্দোলনের শরিক গণতান্ত্রিক বাম ঐক্যের নেতারা।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ভারতে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারের নৃশংস হত্যাকাণ্ড একদিকে খুব দুঃখজনক, আর অন্যদিকে এই ঘটনা দেশের ‘আন্ডার ওয়াল্ড’ এর অবিশ্বাস্য অপরাধমূলক তৎপরতা ও তাদের অপরাধ জগতের খণ্ডাংশ উন্মোচন করে দিয়েছে। এই ঘটনা দেশের আইন প্রণেতাদের একাংশ ও রাষ্ট্রীয় ছত্রছায়ায় থাকা
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স দেশের সব জেলা-উপজেলায় বিক্ষোভ সংগঠিত করার জন্য পার্টির সংশ্লিষ্ট সব শাখার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
মরণোত্তর নিজের চক্ষু দান করে গেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) উপদেষ্টা ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক হায়দার আকবর খান রনো। ফলে সন্ধানী আন্তর্জাতিক চক্ষুব্যাংকে কর্তব্যরত প্রতিনিধি দল আজ শনিবার ভোরে তার কর্ণিয়া সংগ্রহ করেছেন। তার জানাজা ও দাফন হবে আগামী সোমবার। আজ শনিবার ও আগামীকাল রোবব
এতে আরও বলা হয়, আসন্ন উপজেলা নির্বাচন গোষ্ঠীতন্ত্র, পরিবারতন্ত্র, অপরাধী, সন্ত্রাসী, দুর্বৃত্ত এবং মৌলবাদী-সাম্প্রদায়িক অপশক্তির ক্ষমতা দখলের পথ আরও প্রশস্ত করবে। তৃণমূলে টাকার খেলা, গোষ্ঠীতন্ত্র, অপরাধ, দুর্নীতি, লুটপাট, সন্ত্রাস ও মৌলবাদ সাম্প্রদায়িকতা আরও ছড়িয়ে পড়বে। তাই বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্
বক্তব্য রাখেন সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, সহকারী সাধারণ সম্পাদক মিহির ঘোষ, কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক আনোয়ার হোসেন রেজা, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জলি তালুকদার ও কাজী রুহুল আমিন।
জেএসডি সভাপতি বলেন, ক্ষমতার মোহে অন্ধ সরকার হয়ত ভুলে গেছে ৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতেই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে জনগণ বাংলাদেশকে রাজতন্ত্র নয়, একটি ‘প্রজাতন্ত্র’ হিসেবে কায়েম করেছে।
তারা বলেন, ইসলামী জলসার নামে সারা রাত বাংলাদেশের সংবিধান বিরোধী, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী, নারী বিদ্বেষী অশ্লীল ভাষণ চলে তখন পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী চোখে ঠুলি, কানে তুলো গুজো বসে থাকে।
অন্যদিকে ভূরাজনীতিতে কারা সশস্ত্র গোষ্ঠীর কাছে অর্থ ও অস্ত্র দিয়ে অশান্ত পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটাচ্ছে, কারা পৃষ্ঠপোষকতা করছে, তা-ও সরকারকে অনুসন্ধান করতে হবে এবং পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর অভিপ্রায় উপেক্ষা করে শুধু দমনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের অপকৌশল পরিহার করতে হবে। যেসব নাগরিক
সভাপতির বক্তব্যে হাসানুল হক ইনু বলেন, পাকিস্তান হানাদার বাহিনী এবং তাদের এদেশীয় দালাল সহযোগী জামাতে ইসলাম, মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলাম, ইসলামী ছাত্র শিবিরসহ ইসলামী রাজনৈতিক দলসমূহের নেতা-কর্মী-সমর্থকদের সমন্বয়ে গঠিত রাজাকার বাহিনী, আলবদর বাহিনী দ্বারা সংঘটিত নির্বিচার গণহত্যা-গণধর্ষণ-গণনির্যাতনের ঘটন
জাসদ নেতৃদ্বয় বলেন, ভারতীয় পণ্য বর্জণ' কোনো নিষ্পাপ সামাজিক আন্দোলন বা জাতীয় অর্থনীতিকে স্বাবলম্বী ও শক্তিশালী করার জাতীয় অর্থনৈতিক আন্দোলন না। যারা ভারতীয় জুজুর ভয় দেখিয়ে ভারত বিরোধীতার রাজনীতি করেছে, তারা অতীত বা বর্তমানে জনজীবনের সমস্যা ও সংকটের সমাধান করে জনজীবনে স্বস্তি ও জীবনমান উন্নয়ন